1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০০ অপরাহ্ন

ইরানি কর্মকর্তাদের হত্যার পরিকল্পনার খবর ‘ভুয়া’: ইসরায়েল

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬
  • ৫৫ Time View

ইরানের দুই শীর্ষ কর্মকর্তাকে হত্যার চেষ্টা নিয়ে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনকে পুরোপুরি মিথ্যা বলে দাবি করেছে ইসরায়েল। দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় বলেছে, এ বিষয়ে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস যে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, সেটি বাস্তবতার সঙ্গে মিল নেই।

সম্প্রতি দ্য নিউইয়র্ক টাইমস এক প্রতিবেদনে দাবি করে, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের পরোক্ষ শান্তি আলোচনায় অংশ নেওয়া দুই শীর্ষ ইরানি কর্মকর্তাকে হত্যার পরিকল্পনা নিয়ে ওয়াশিংটন উদ্বিগ্ন ছিল। ওই দুই কর্মকর্তা হলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এবং দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র আশঙ্কা করেছিল, ইসরায়েল যদি এই দুই কর্মকর্তাকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়, তাহলে চলমান শান্তি আলোচনা ভেঙে পড়তে পারে। এ কারণে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের মাধ্যমে তেহরানকে পরোক্ষভাবে সতর্ক করার চেষ্টা করেছিল ওয়াশিংটন।

তবে এই দাবি সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে ইসরায়েল। দ্য টাইমস অব ইসরায়েল–এর উদ্ধৃতি দিয়ে নেতানিয়াহুর কার্যালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ইসরায়েল ও ইরানের আলোচকদের নিয়ে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস-এর সর্বশেষ প্রতিবেদনও আগের মতোই ‘ভুয়া খবর’। দ্য নিউইয়র্ক টাইমস তাদের প্রতিবেদনে বর্তমান ও সাবেক কয়েকজন মার্কিন কর্মকর্তার বক্তব্য তুলে ধরেছে। তবে নিরাপত্তার কারণে তাদের নাম প্রকাশ করা হয়নি।
প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, ইরানের জ্যেষ্ঠ নেতাদের লক্ষ্য করে হামলা চালানো শুরু থেকেই ইসরায়েলের যুদ্ধ কৌশলের একটি অংশ ছিল। তবে চলতি বছরের এপ্রিল মাসে যুদ্ধবিরতি নিয়ে সংবেদনশীল আলোচনা শুরু হওয়ার পর আব্বাস আরাগচি ও মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের নিরাপত্তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ আরো বেড়ে যায়।

মার্কিন কর্মকর্তাদের আশঙ্কা ছিল, এই দুই কর্মকর্তার ওপর হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান আলোচনা সঙ্গে সঙ্গে ভেঙে যাবে। একই সঙ্গে নতুন করে বড় ধরনের সংঘাত শুরু হওয়ার ঝুঁকিও তৈরি হবে। সেই কারণেই ইরানকে পরোক্ষভাবে সতর্ক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়।
এদিকে চলতি সপ্তাহের শুরুতে কাতারের রাজধানী দোহায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন দফার পরোক্ষ আলোচনা শেষ হয়েছে। তবে এই বৈঠকে স্থায়ী শান্তির পথে বড় কোনো অগ্রগতির ঘোষণা আসেনি। বরং দুই পক্ষ এমন কয়েকটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছে, যেগুলো দুই সপ্তাহ আগে হওয়া চুক্তির সময় সমাধান হয়েছে বলে জানানো হয়েছিল। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, দোহায় দুই দিন ধরে দুই পক্ষের প্রতিনিধিরা বৈঠক করেন। আলোচনায় হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং ইরানের জব্দ করা অর্থ মুক্ত করার বিষয় গুরুত্ব পায়। এই দুটি বিষয়ই আগের চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও দাফনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর পরবর্তী দফার আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ৯ জুলাই তাকে দাফন করার কথা রয়েছে। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, দোহার বৈঠকে জুন মাসে যুদ্ধ বন্ধের চুক্তি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। তিনি আরো জানান, সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত বৈঠকের ফলাফলের ভিত্তিতেই বর্তমান আলোচনা এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ