1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ০৩:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
তেলের কোনো সংকট নেই, দাম বাড়ছে না: সেতুমন্ত্রী তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন জাহেদ উর রহমান ইরানে কঠোর হামলা অব্যাহত রাখতে ট্রাম্পকে আহ্বান সৌদি আরবের তেলের কোনো সংকট নেই, দাম বাড়ছে না: সেতুমন্ত্রী স্ত্রী ‘ফিলিস্তিনের পক্ষে’ কাজ করায় যুক্তরাষ্ট্রে তোপের মুখে মেয়র মামদানি ‘খাল খনন কর্মসূচি’ উদ্বোধন করতে দিনাজপুরের পথে প্রধানমন্ত্রী একযোগে ৫৩ খালের খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী গণভোটের রায় বাস্তবায়নের আগে সংবিধান সংশোধন করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঈদে ফাঁকা ঢাকার নিরাপত্তায় সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে জ্বালানি তেল নিয়ে সুখবর দিলেন প্রতিমন্ত্রী

মিতু হত্যায় মুছার ভাইয়ের জামিন

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৭ নভেম্বর, ২০১৭
  • ৭৭ Time View

সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার মিতু হত্যা মামলায় জড়িত সন্দেহে গ্রেফতারদের মধ্যে একজনকে ছয় মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। তার নাম সাইদুল আলম শিকদার। গতবছরের জুলাইয়ে গ্রেফতার করা হয়েছিল সাইদুলকে।

মঙ্গলবার  সাইদুল আলম শিকদারের জামিন আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আসামি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট কুমার দেবুল দে জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সাইদুল আলম শিকদার মিতু হত্যা মামলার অন্যতম সন্দেহভাজন মুছার ছোট ভাই।

গত বছরের ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম নগরের জিইসি মোড় এলাকায় ছেলেকে স্কুলের বাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় মাহমুদাকে ছুরিকাঘাত ও গুলি করে হত্যা করা হয়।

এরপর এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে নাটকীয়তা হয়েছে বহু, তবে খোলেনি রহস্যের জাল। এক সময় অভিযোগ ওঠে মিতু হত্যায় খোদ তার স্বামীই জড়িত।

মিতু হত্যার পর বাবুল আক্তারই বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় তিনজনকে আসামি করে পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেছিলেন।

গতবছরের জুনে বাবুল আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদও করেছিল পুলিশ। পরে ৬ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, বাবুলের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে চাকরিচ্যুত করা হলো।

মিতু হত্যা মামলায় শুরু থেকেই মুছার নাম ঘুরেফিরে এলেও তাকে এখনও গ্রেফতারের কথা জানাতে পারেনি পুলিশ।

তবে একটি জাতীয় দৈনিকের খবর- মুছার স্ত্রী পান্না আক্তারের দাবি, মাহমুদা হত্যার ১৭ দিন পরই চট্টগ্রাম নগরের বন্দর এলাকার এক আত্মীয়ের বাসা থেকে সাদাপোশাকধারী পুলিশ মুছাকে তুলে নিয়ে যায়। তবে শুরু থেকেই এ দাবি অস্বীকার করে আসছে পুলিশ।

এ মামলার দুই আসামি ইতোমধ্যে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ