1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ডাচ-বাংলা ব্যাংক ও প্রগতি ইন্স্যুরেন্সের মধ্যে চুক্তি সিলেট টেস্টের আগে কার থেকে কী পরামর্শ পেয়েছেন অমিত নওগাঁ কারাগারে বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু দফাদারের নাম ‘গ্রাম পুলিশ প্রধান’, মহল্লাদারের নতুন পরিচয় ‘গ্রাম পুলিশ’ বাংলাদেশ ব্যাংকের পুনঃঅর্থায়ন স্কিমে যুক্ত হলো কমিউনিটি ব্যাংক কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ধীরগতি, কাজে আসছে না বাংলাদেশের কর্মক্ষম জনমিতির সুবিধা: বিশ্বব্যাংক ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হাজতির ঢামেকে মৃত্যু কালিয়াকৈরে ১১ প্লাটুন বিজিবি ও ২৫ ম্যাজিস্ট্রেট মোতায়েন ছয় ঘণ্টার জন্য টোলমুক্ত হচ্ছে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে | Boishakhi Online ‘ঘাড় থেকে মাথা সরিয়ে দেব’—বিএনপি নেতাকে হুমকি স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার

হাজারো বন্দীর লাশ পোড়ানো হয়েছে সিরিয়ার কারাগারে

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৬ মে, ২০১৭
  • ১৯৪ Time View

হাজারো বন্দীর লাশ পোড়ানো হয়েছে সিরিয়ার কারাগারে। এমন অভিযোগ করে যুক্তরাষ্ট্র বলছে, সিরিয়ার একটি সামরিক কারাগারে বন্দীদেরকে হত্যার পর প্রমাণ লুকানোর জন্য কারাগারের ভেতরেই একটি চুল্লী বা ক্রিমেটোরিয়াম স্থাপন করেছে সরকার। এর ভেতরে হাজার হাজার বন্দীর লাশ পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। খবর বিবিসির।

এই বিষয়ে তথ্যপ্রমাণও হাজির করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। স্যাটেলাইটের মাধ্যমে তোলা ক্রিমেটোরিয়ামের ছবিও প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

জাতিসংঘ ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, সেডনায়া বন্দীশালায় হাজার হাজার বন্দীকে নির্যাতনের পর হত্যা করেছে সিরিয়ার সরকার। ক্রিমেটোরিয়াম হচ্ছে এক ধরণের বৈদ্যুতিক চুল্লী। এর মধ্যে মৃতদেহ ভস্ম করা হয়।

মধ্যপ্রাচ্য থেকে একজন শীর্ষস্থানীয় মার্কিন কূটনীতিবিদ স্টুয়ার্ট জোন্স বলেছেন, সেডনায়াতে একদিনে ৫০ জন পর্যন্ত বন্দীকে ফাঁসীতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, সেখানে নৃশংসতা চালানো হয়েছে এবং এটা হয়েছে রাশিয়া এবং ইরানের নিঃশর্ত সমর্থনে।

জোন্স বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বাস করে সিরীয় কর্তৃপক্ষ বন্দী হত্যার প্রমাণ সরিয়ে ফেলবার জন্য এই ক্রিমেটোরিয়াম স্থাপন করেছিল। নতুন এই অভিযোগ সম্পর্কে সিরিয়ার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তবে এর আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল অভিযোগ তুলেছিল যে ২০১১ থেকে ২০১৫ সাল থেকে সেডনায়া বন্দীশালায় প্রতি সপ্তাহে গনফাঁসী কার্যকরের ঘটনা ঘটেছে।

তখন সিরিয়ার সরকার এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও মিথ্যা প্রলাপ বলে উল্লেখ করে বলেছিল, সিরিয়ায় সব ধরণের ফাঁসীই যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করে কার্যকর করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষীর ভিত্তিতে তৈরি ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৫ বছরে সেডনায়া বন্দীশালায় নিহত বন্দীর সংখ্যা ৫ হাজার থেকে ১৩ হাজারের মধ্যে। এর চেয়ে আরো বেশী সংখ্যক বন্দীকে সেখানে নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ