1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মুন্সীগঞ্জে পাঁচ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার ফিলিস্তিনে গণহত্যা চালানো ইসরায়েলকে আর এক পয়সাও নয় : রাশিদা তালিব আনচেলত্তি, যিনি ধৈর্য্য ধরতে জানেন জনগণের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিতে মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নীতি বহাল, ট্রাম্প বললেন ‘দেশের জন্য খুব খারাপ’ হরমুজে যৌথভাবে শুল্ক আরোপ করতে যাচ্ছে ইরান-ওমান: রিপোর্ট দক্ষিণ কোরিয়ার নতুন প্রধানমন্ত্রী হান সেওং-সুক সাউথগেটের পেনাল্টি ব্লুপ্রিন্টেই ভরসা রাখছেন টুখেল ইরানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ইসরায়েলে মার্কিন নাগরিক গ্রেপ্তার আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারাতে পারে কেপ ভার্দে!

প্রশ্নফাঁস চক্রে অধ্যক্ষ-শিক্ষক-ছাত্র

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ, ২০১৭
  • ৮৪ Time View

জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে পরীক্ষার সেন্টারে প্রশ্নপত্র নিয়ে যাওয়ার পথে প্রশ্নের স্ন্যাপশর্ট নিয়ে তা ফেসবুক গ্রুপে উত্তরসহ দিচ্ছে প্রশ্নফাঁসকারী চক্র। চক্রটিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কোচিং সেন্টারের শিক্ষক ও ছাত্ররা জড়িত রয়েছেন। পাবলিক পরীক্ষার ক্ষেত্রে ৫০০ থেকে পাঁচ হাজার টাকায় ফাঁস করা প্রশ্নপত্রের উত্তর জানিয়ে দেয়া হয়।

মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য তুলে ধরেন যুগ্ম কমিশনার (ডিবি) আব্দুল বাতেন।

এর আগে সোমবার দিবাগত রাতে আশুলিয়ার গাজীরচট এএম উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের প্রিন্সিপাল মো. মোজাফ্ফর হোসেনসহ চার শিক্ষক এক অফিস সহকারী ও চার ছাত্রসহ মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করে ডিএমপির ডিবি পশ্চিম বিভাগ।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, টঙ্গী এলাকার কোনিয়া কোচিং সেন্টারের শিক্ষক হামিদুর রহমান তুহিন, সৃষ্টি সেন্ট্রাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অঙ্কের শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম, এএম উচ্চ বিদ্যালয় কলেজের শিক্ষক আতিকুল ইসলাম ও অফিস সহকারী আব্দুল মজিদ, ছাত্র আরিফ হোসেন আকাশ ওরফে আদু ভাই, সাইদুর রহমান, রাকিব হোসেন তানভীর হোসেন।

তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার সাতরাস্তা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের নিকট থেকে ভুয়া প্রশ্নপত্র ইমেজের স্ক্রিনশট উদ্ধার করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল বাতেন বলেন, প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় তদন্ত করতে গিয়ে প্রশ্ন ফাঁসের তিনটি চিত্র উঠে আসে। ১. প্রশ্নপত্র প্রণয়ন কমিটিতে থাকা কোনো সদস্য কর্তৃক প্রশ্নফাঁস, ২. প্রশ্নপত্র মুদ্রণ (বিজি প্রেস) অফিস থেকে প্রশ্নফাঁস। ৩. জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে প্রশ্নপত্র পরীক্ষার কেন্দ্রে নেয়ার পথে প্রশ্নফাঁস।

এর মধ্যে আমরা এর আগে বিজি প্রেসের এক কর্মচারীকে প্রশ্নফাঁসে জড়িত থাকার অভিযোগে তথ্য প্রমাণসহ গ্রেফতার করেছিলাম। গতকালকে গ্রেফতারকৃতরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে প্রশ্নপত্র পরীক্ষার কেন্দ্রে নেয়ার পথে ফাঁস করেন।

আব্দুল বাতেন বলেন, চক্রের মূলহোতা আশুলিয়ার গাজীরচট এএম উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ এর প্রিন্সিপাল মো. মোজাফ্ফর হোসেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয় হতে প্রশ্নপত্র বুঝে পেয়ে পথিমধ্যে প্রশ্নপত্র ইমেজের স্ক্রিনশট তুলে নিয়ে তা পাঠান অঙ্কের শিক্ষক আতিকুল ইসলাম ও জাহাঙ্গীর আলমের কাছে। তারা দ্রুত তা সমাধান করে নিজেদের মধ্যকার ফেসবুক গ্রুপে দেন। সেখান থেকে দুই হাজারের মতো লোকের কাছে সমাধানসহ এই প্রশ্নপত্র পাঠানো হয় ইমো, ফেসবুক ম্যানেঞ্জার হোয়াটস অ্যাপের মাধ্যমে। এজন্য প্রতিজনের কাছ থেকে নেয়া হয় ৫০০ থেকে দুই হাজার টাকা।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রিন্সিপাল মোজাফ্ফরসহ গ্রেফতারকৃতরা বিভিন্ন নামে ইমো, ফেসবুক ম্যাসেঞ্জার হোয়াটস অ্যাপের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কাছে পাঠানোর বিষয়টি স্বীকার করেছেন। এছাড়া প্রশ্নপত্র দেয়ার নামে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে পাবলিক পরীক্ষার পূর্বে ভুয়া প্রশ্নপত্র অনলাইনে পোস্ট করে প্রতারণা করে আসছিলেন তারা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ