1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০১:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মুন্সীগঞ্জে পাঁচ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার ফিলিস্তিনে গণহত্যা চালানো ইসরায়েলকে আর এক পয়সাও নয় : রাশিদা তালিব আনচেলত্তি, যিনি ধৈর্য্য ধরতে জানেন জনগণের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিতে মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নীতি বহাল, ট্রাম্প বললেন ‘দেশের জন্য খুব খারাপ’ হরমুজে যৌথভাবে শুল্ক আরোপ করতে যাচ্ছে ইরান-ওমান: রিপোর্ট দক্ষিণ কোরিয়ার নতুন প্রধানমন্ত্রী হান সেওং-সুক সাউথগেটের পেনাল্টি ব্লুপ্রিন্টেই ভরসা রাখছেন টুখেল ইরানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ইসরায়েলে মার্কিন নাগরিক গ্রেপ্তার আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারাতে পারে কেপ ভার্দে!

মুক্ত আকাশে উড়বে চন্দনা টিয়ার বাচ্চাগুলো

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২১ মার্চ, ২০১৭
  • ৭৩ Time View

বাচ্চাগুলো এখনো উড়তে শেখেনি। খাওয়াতে হয় মুখে তুলে। এরই মধ্যে চন্দনা টিয়ার বাচ্চাগুলো ধরে নিয়ে আসেন পাখি বিক্রেতা নাজমুল ইসলাম নাঈম।

দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে পাখির বাচ্চা ধরে নিয়ে এসে রাজধানীর ভাসানটেক এলাকায় বিক্রি করেন তিনি। আর ফেসবুক পেজে পাখি বিক্রির জন্য ছবি, দরদাম উল্লেখ করে ক্রেতার সঙ্গে যোগাযোগ করেন নাঈম।

চন্দনা টিয়ার ২০টি বাচ্চা বিক্রির জন্য সম্প্রতি ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন নাঈম। বিষয়টি চোখে পড়ে বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের।

সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পরিচালক জাহেদুল কবীরের তত্ত্বাবধানে ইউনিটের পরিদর্শক অসিম মল্লিকের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে ভাসানটেক থেকে ১০টি বাচ্চা উদ্ধার করা হয়। বাকি ১০টি বাচ্চা আগেই বিক্রি করে দেন নাঈম।

অসিম মল্লিক জাগো নিউজকে জানান, নাজমুল ইসলাম নাঈম ফেসবুকের মাধ্যমে পাখিগুলো বিক্রি করছেন। এমন সংবাদের ভিত্তিতে ফেসবুকের মাধ্যকে তার সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা হয়। তিনি বিভিন্ন স্থান থেকে ২০টি টিয়া পাখির বাচ্চা ধরে নিয়ে আসেন। পরে বাচ্চাগুলো কেনার জন্য ফেসবুকে তাকে প্রস্তাব দেয়া হয়। ৪৯ হাজার টাকায় ১০টি বাচ্চা বিক্রি করতে রাজি হন নাঈম। পরে তার সঙ্গে যোগাযোগ করে ভাসানটেকে যান বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের কর্মীরা।

কিন্তু পাখি বিক্রেতা আগে থেকেই বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের সদস্যদের চিনতেন। বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের উপস্থিতি টের পেয়েই পাখির খাঁচাটি রেখে দৌড়ে পালিয়ে যান নাঈম। সেখান থেকে চন্দনা টিয়ার বাচ্চাগুলো উদ্ধার করা হয়। এখন ছোটো হওয়ায় বাচ্চাগুলোকে হাতে তুলে খাওয়াতে হচ্ছে।

বাচ্চাগুলোকে আর খাঁচার বন্দী জীবন কাটাতে হবে না। উড়তে পারলেই পাখিগুলোকে মুক্ত আকাশে ছেড়ে দেয়া হবে বলেও জানান অসিম মল্লিক।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ