মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় যেসব পাকিস্তানি সৈন্য গণহত্যা, ধর্ষণসহ নৃশংস নির্যাতনের নেতৃত্ব দিয়েছিল, সেসব নরঘাতক ‘১৯৫ পাকিস্তানি সৈন্য’র বিচার দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জনমত গঠনের দাবি জানানো হয়েছে।
বুধবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির স্বাধীনতা হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান এ দাবি জানান।
মন্ত্রী বলেন, ‘পালিয়ে যাওয়া যুদ্ধাপরাধী পাকিস্তানি সেনাদের বিচার প্রক্রিয়ার প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে। প্রক্রিয়াধীন রয়েছে জামায়াতে ইসলামীর নিষিদ্ধের বিষয়টি।’
শাজাহান খান আরও বলেন, ‘যুদ্ধাপরাধী ও তাদের পরিবারের নাগরিকত্ব বাতিল এবং স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রাথমিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।’
২৫ মার্চ জাতীয় গণহত্যা দিবস ঘোষণার প্রস্তাব সংসদে গৃহীত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার ও সংসদ সদস্যদের ধন্যবাদ জানাতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে শ্রমিক কর্মচারী পেশাজীবী মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় পরিষদ ও আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ গণবিচার আন্দোলন।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের পক্ষে ২১ দফা দাবি তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- বাংলাদেশে আটকে পড়া অবাঙালি পাকিস্তানিদের পাকিস্তানে ফেরত নিতে বাধ্য করা, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত জামায়াতে ইসলাম, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক ও বর্তমান নেতাকর্মীদের অপসারণ করা। ১৯৭২ সালে চিহ্নিত বিচারাধীন সাড়ে ১১ হাজার দালাল-যুদ্ধাপরাধীকে বর্তমান বিচারের আওতায় আনা।