1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
১৪ মাস পর রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আর্জেন্টিনার জার্সিতে বিদায়ী ম্যাচ খেলবেন মেসি প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে চাকরি পেলেন আজন্ম দৃষ্টিহীন রাবি শিক্ষার্থী রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন দেখে নিন ঘরের মাঠের সাফে বাংলাদেশের খেলা কবে-কখন ফোর্বসের বিশ্বসেরা ৫০০ ব্যাংকের তালিকায় ব্র্যাক ব্যাংক নোয়াখালী জেলা যুবলীগের সভাপতি ইমন গ্রেপ্তার বাঁধনের বাসায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, রাষ্ট্রের পাশে থাকার আশ্বাস | Boishakhi Online শাহজাদপুরে নার্সিং ও ডেন্টাল কলেজ করার উদ্যোগ : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী | খবর মন্ত্রীর ঘোষণার পরও অগ্রিম কর পরিশোধের প্রণোদনা থেকে বঞ্চিত হতে পারেন যে কারণে

হাতে হাত রেখেই চলে গেলেন তারা

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬
  • ৭৫ Time View

প্রেম-ভালোবাসার অপূর্ব নিদর্শন ট্রেন্ট উইনস্টিন আর ডলরেস উইনস্টিন। প্রেমে-বিরহে, সুখে-দুঃখে, স্মৃতিতে, রোমাঞ্চে একসঙ্গে কাটিয়ে দিয়েছেন প্রায় ৬৪ বছর। হাত ছাড়েননি তবু। মৃত্যুতেও ছাড়লেন না সে হাত। হাসপাতালের বিছানায় হাতে হাত ধরেই অবসান ঘটলো তাদের ৬৪ বছরের বিবাহিত জীবন।

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশভিলের বাসিন্দা ট্রেন্ট উইনস্টিন আর ডলরেস উইনস্টিনের সংসার জীবন শুরু হয়েছিল প্রায় ৬৪ বছর আগে। তখন থেকেই তাদের একসঙ্গে পথচলা। জীবনের শেষ মুহূর্তেও ছিলেন একে-অপরের হাত ধরে। একসঙ্গে পাড়ি জমালেন না ফেরার দেশে।

তাদের পরিচয় টেনেসি অঙ্গরাজ্যের ডিকসন কাউন্টিতে। সেটা ১৯৫০ সালের কথা। একে অপরের সঙ্গে যখন পরিচয় হয় তখন ট্রেন্ট ছিলেন কোরিয়ান যুদ্ধের এক সৈন্য। যুদ্ধ যখন চলমান চিঠিতেই তখন তাদের মন দেয়া-নেয়া চলে।

দুজনের পছন্দ অপছন্দে ছিল চরম অমিল। ডলোরাস রান্না করতে পছন্দ করতেন। ট্রেন্ট ছিলেন বহির্মুখী স্বভাবের। পছন্দ করতেন গলফ খেলতে আর মাছ ধরে সময় কাটাতে।

বিয়ের পরে তাদের ঘরে আসে মেয়ে শেরিল ও ছেলে এডি। নাতি-নাতনি তিনজন। তাদের ছেলেমেয়ের সংখ্যা ৭ জন। দীর্ঘ দাম্পত্য জীবন পার করে আর মাস খানেক পরেই তাদের ৬৪তম বিবাহবার্ষিকী পালন করার কথা ছিল।

কিন্তু তার আগেই ৬ ডিসেম্বর ট্রেন্টকে হাসপাতালে নেয়া হয়। ডলোরেস মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হন হাসপাতালে। দু’জনকে হাসপাতালের পাশাপাশি বিছানায় রাখা হয়। ৯ ডিসেম্বর মাকে ডাকতে গিয়ে চমকে ওঠেন মেয়ে শেরিল। মা আর তাদের মাঝে নেই।

ডলোরাসের মৃত্যুর শোক ৮৮ বছর বয়সী ট্রেন্ট সামলাতে পারেননি। বিকেল বেলা তিনিও চলে যান না ফেরার পাশে। ১৬ ডিসেস্বর একসঙ্গেই তাদের শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি কবরেই সমাহিত করা হয় এ দম্পতিকে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ