1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
৬ মাসের মধ্যে চালু হচ্ছে পাঁচটি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল দেশীয় অর্থায়নে দ্রুত বাস্তবায়ন হবে ‘তিস্তা মেগা প্রকল্প’: পানিসম্পদমন্ত্রী জনসচেতনতা বাড়লে সড়ক দুর্ঘটনা কমে আসবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী জনগণের জীবনমান উন্নয়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে : মৎস্য প্রতিমন্ত্রী ফল উৎসবের পেছনে আছে সুদূরপ্রসারী সামাজিক ও সাংস্কৃতিক দর্শন: তথ্যমন্ত্রী পাবলিক পরীক্ষা আইনে ডিজিটাল নকলের সাজা যুক্ত করা হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী বাবার ‌‘পিট’ কেটে মায়ের সঙ্গে সন্তানরা, আইনি লড়াই শেষে স্বস্তিতে জোলি দেশি বিনিয়োগেই ভরসা খুঁজছে বিডা দেশে আবারও ভূমিকম্প অনুভূত, উৎপত্তিস্থল যেখানে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

কাশ্মীর ভূমিকম্পের ১০ বছর: ভঙ্গুর শহর ভঙ্গুর প্রতিশ্রুতি

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০১৫
  • ১৬৮ Time View

১০ বছর আগে ভয়াবহ এক ভূমিকম্পে লণ্ডভণ্ড হয়ে গিয়েছিলো পাকিস্তান শাসিত কাশ্মীর। awarwrfv
কিন্তু ১০ বছর পরেও ধ্বংসস্তূপ থেকে আর ঘুরে দাঁড়ানো হয়নি সেখানকার মানুষের।
বরং সুযোগ কাজে না লাগানো আর ভঙ্গুর প্রতিশ্রুতিতে ভবিষ্যৎ হয়ে পড়েছে তাদের জন্যে গভীর অনিশ্চয়তার।
দুর্ভাগ্যের শিকার বহু মানুষকে এতোদিন পরেও অবস্থান করতে হচ্ছে আশ্রয় শিবিরে।
বিবিসির সাংবাদিক শাহজেব জিলানি ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলের কাছেই বালাকোটে গিয়েছিলেন ভূমিকম্পের পরপরই।
দশ বছর পর ধ্বংসস্তূপ থেকে কতটা ঘুরে দাঁড়িয়েছে ওই এলাকা তা দেখার জন্যে তিনি আবারো গিয়েছেন ওই এলাকায়।
পাকিস্তান আফগানিস্তান ও ভারতের উত্তরাঞ্চলে আঘাত হানা ওই ভূমিকম্পে নিহত হয়েছিলো অন্তত ৭৫ হাজার মানুষ। আর এর বেশিরভাগেরই বসবাস ছিল পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে।
২০০৬ সালের ৮ অক্টোবর ৭ দশমিক ৬ মাত্রার ভূ-কম্পনে বোমায় বিধ্বস্ত শহরের রূপ পেয়েছিলো বালাকোট। ৯০ভাগ ভবন পুরোপুরি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছিলো।
ঘটনার একদিন পর মি. জিলানি গিয়ে দেখতে পান মৃতদেহগুলো বের করে আনার চেষ্টা চলছে, আহতদের সেবা দেয়ার চেষ্টা করছে স্থানীয়রাই যে যেভাবে পারেন সেভাবেই।
১০ বছর পর বালাকোটে গিয়ে মি. জিলানি কথা বলেছেন ওই সময়ে বেঁচে যাওয়া কয়েকজনের সাথে। যারা বেঁচে আছেন ভয়ংকর কষ্টের স্মৃতিগুলো নিয়ে।
স্মৃতিগুলো মনে আসলে এখনো তারা অনেকেই কুঁকড়ে ওঠেন।
তাদের অনেকেই এখন ক্ষুব্ধ পাকিস্তান সরকারের ওপর।
ভূমিকম্পে তিন সন্তান হারানো মোহাম্মদ ফরিদ বলছিলেন, ‘বিশ্ব সম্প্রদায় কয়েক বিলিয়ন ডলার দিয়েছিলো। সরকার তখন নতুন করে শহর নির্মাণ করে দেবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলো। বলা হয়েছিলো আমাদের স্থানান্তর করা হবে নতুন জায়গায়। কিন্তু কিছুই হয়নি।’
তিনি বলেন, ‘আমরা এখনো অবস্থান করছি আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে যেগুলো ঘটনার পর সাময়িক আশ্রয়ের জন্যে তৈরি করা হয়েছিলো। এখানে জীবনধারণের ন্যূনতম সুবিধা পর্যন্ত নেই’।
সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন প্রস্তাবিত নূতন শহরের উদ্যোগ নিয়েও করা যায়নি জমি অধিগ্রহণ নিয়ে প্রাদেশিক ও কেন্দ্রীয় সরকারের মধ্যকার বিরোধের কারণে।
কিন্তু সব মিলিয়ে বালাকোটের মানুষের কাছে এই এক দশক হলো সুযোগ হারানোর আর ভঙ্গুর প্রতিশ্রুতির, যেখানে ভবিষ্যৎ কেবলই অনিশ্চিত।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ