1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ০১:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের অঙ্গীকার বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার সৌদি আরবে প্রবাসীদের সাদা কাগজে স্বাক্ষর কিংবা টিপসই দেওয়া থেকে বিরত থাকতে সতর্ক করেছে দূতাবাস দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো নকআউটে দক্ষিণ আফ্রিকা ভেনেজুয়েলায় জরুরি অবস্থা জারি, বন্ধ স্কুল-বিমানবন্দর ও রেল চলাচল বিমানবন্দরে ইরানি অধিনায়ককে আটকে দিল যুক্তরাষ্ট্র টানা ৩ ম্যাচে গোল ভিনির, ইতিহাস বলছে বিশ্বকাপ জিতবে ব্রাজিল জাপানে ৬.৯ মাত্রার ভূমিকম্প মুদি দোকানসহ ১৭ ব্যবসা খাত আসছে ভ্যাটের আওতায় ভিনির নৈপুণ্যে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে ব্রাজিল মেসি-এমবাপ্পের রাজকীয় দ্বৈরথ, জমে উঠছে বিশ্বকাপ

বন্ধ ৫০ পোশাক কারখানা, বেকার হাজার হাজার শ্রমিক!

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০১৫
  • ১৬২ Time View

আরএম ফ্যাশনে প্রায় ৪শ’ শ্রমিক কর্মরত ছিল যারা আজ বেকার। জানা যায়, ২০১৫ সালের জানুয়ারি মাস থেকে জুলাই পর্যন্ত ছোট বড় মিলিয়ে প্রায় ৫০ টি কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। dfgxfgএতে বেকার হতে হয়েছে প্রায় ৩০ হাজার শ্রমিককে।

তেমন কোনো গার্মেন্টেই নতুন নিয়োগ হচ্ছে না। বেশিরভাগ কারখানার সামনেই ঝুলছে “কর্মখালি নাই”। মূলত শেয়ার্ড বিল্ডিংয়ে যেহেতু কারখানা না রাখার নিয়ম শুরু হয়েছে তাই বন্ধ হয়ে গেছে এসব কারখানা। কিছু কারখানার আবার আর্থিক দৈন্যের কারণে মালিকপক্ষকে গার্মেন্ট বন্ধ করে দিতে হয়েছে।

টেক্সটাইল গার্মেন্ট ওয়ার্কার্স ফেডারেশন সূত্রে জানা যায়, একইভাবে বন্ধ হয়ে গেছে লিরিক, বনী সহ দেশের প্রায় ৫০ টি গার্মেন্ট কারখানা।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন টেক্সটাইল গার্মেন্ট ওয়ার্কার্স ফেডারেশন এর সাধারণ সম্পাদক তপন সাহা।

তপন সাহা বলেন, অনেক কারখানাকে অ্যাকর্ড থেকে ত্রুটিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আর তা দেখে অনেক মালিক ভয়েই কারখানা বন্ধ করে দিচ্ছেন। কারখানা যেমনই হোক, সমস্যা যেমনই থাকুক না কেন কাজতো ছিলো! কিন্তু গত সাত মাসে এ পর্যন্ত বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারখানার সংখ্যা প্রায় ৫০টি কারখানার প্রায় ৩০ হাজার শ্রমিক বেকার এখন অনিশ্চিত ভবিষ্যতের পানে তাকিয়ে আছেন।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে রানা প্লাজা ট্র্যাজেডিতে সহস্রাধিক শ্রমিক নিহত হওয়ার পর থেকে আন্তর্জাতিক বিশ্বে বাংলাদেশের পোশাক কারখানাগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ক্রেতাদের সংগঠন হিসেবে গড়ে ওঠে অ্যাকর্ড, অ্যালায়েন্স। শেয়ার্ড বিল্ডিংয়ের কারখানাকে অর্ডার না দেয়াসহ নানা সিদ্ধান্ত নেন ক্রেতারা। তারপর থেকে বিভিন্ন সময়ে অগ্নিনিরাপত্তা ইস্যুতে বাংলাদেশে বেশ কিছু কারখানা বন্ধ হয়ে যায়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ