1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
এক বছরে বিশ্বজুড়ে হেপাটাইটিস বি কমেছে ৩২ শতাংশ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিক্রি করি না, ধারণ করি : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশে মানুষের আইনের কবর রচনা করে কোরআনের আইন প্রতিষ্ঠা করতে হবে: সংসদে জামায়াতের এমপি সবক্ষেত্রে করের সুবিধা দিতে পারবে না সরকার: অর্থমন্ত্রী টেনশন কইরেন না আমরা আছিতো স্যার : ইনুকে দুই পুলিশ সদস্য পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর গাড়িতে বাসের ধাক্কা, বাস চালক গ্রেপ্তার ‘বাংলাদেশ স্বেচ্ছায় অ-পারমাণবিক রাষ্ট্র হিসেবে রয়েছে’ সরকার টাকা ছাপিয়ে ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা দেবে না: প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধে ভারতের হাজার হাজার সৈন্য রক্ত দিয়ে গেছে: ফজলুর রহমান লেবাননে ‘ইকোসাইড’ চালাচ্ছে ইসরায়েল, ক্ষয়ক্ষতি ৩ লক্ষ কোটি টাকা

হাই প্রোফাইল ম্যাচে ভারতের কাছে পাকিস্তানের হার

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৭ জুন, ২০১৩
  • ১২১ Time View

বার্মিংহামের  এজবাসটন মহারণে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ম্যাচে শনিবার মুখোমুখি হয়েছিল দুই চিরপ্রতিদ্বন্দি ভারত-পাকিস্তান।  পাকিস্তান দুই ম্যাচ খেলে দুটিতেই হেরে আগেই নিজেদের বিদায় নিশ্চিত করেছিল।

অন্যদিকে দুই ম্যাচের দুটিতেই জিতে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে ফেলেছিল দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ভারত। তাই শনিবারের ভারত-পাকিস্তানের এই হাই প্রোফাইল ম্যাচটি নিছক আনুষ্ঠানিকতায় পরিণত হয়।

বার্মিংহামের এজবাসটনের ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টসে জিতে ভারতের অধিনায়ক মাহেন্দ্র সিং ধোনি প্রথমে পাকিস্তানকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান।

ব্যাট করতে  নেমে  প্রথমেই উইকেট হারায় পাকিস্তান। দলীয় ও ব্যক্তিগত ২ রানের সময় আম্পায়ারের ভুল সিদ্ধান্তের স্বীকার হন বা-হাতি ওপেনার নাসির জামশেদ। উমেশ জাদবের বল তার প্যাডে আঘাত হানলে লেগ বিফোরের আবেদন করেন জাদব। আম্পায়ার ক্যাতেল ব্রোগ সাড়াও দেন আবেদনে। কিন্তু রিভিউয়ের মাধ্যমে এ যাত্রায় বেঁচে যান জামশেদ। কিন্তু তার পরের ওভারেই ভূবেনেশ্বর কুমারের বলে সুরেশ রায়নার হাতে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরত জান জামশেদ।

জামশেদের বিদায়ের পর মোহাম্মদ হাফিজকে সঙ্গে নিয়ে দারুনভাবে খেলায় ফিরে আসেন আরেক ওপেনার কামরান আকমল। ১২ ওভারে দলীয় রান যখন এক উইকেটে ৫০, ঠিক তখনই শুরু হয় বৃষ্টি। প্রায় পনের মিনিট খেলা বন্ধ থাকার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আবারও খেলা শুরু হয়।

খেলা শুরু হওয়ার পরপরই আবারও বিপর্যয়ে পড়ে পাকিস্তান। ৩১ বলে পাঁচ চারে ২৭ রান করে উইকেটের পিছনে ধোনির গ্লাপসবন্ধি হন মোহাম্মদ হাফিজ। হাফিজের ঘাতকও সেই প্রথম উইকেট শিকারী ভূবেনেশ্বর কুমার। ঠিক তার পরের ওভারেই ডানহাতি অফস্পিনার রবিচন্দনের অশ্বিনের বলে কোহেলির হাতে ক্যাচ দেন সতীর্থ কামরান আকমল। আকমল করেন ৩৮ বলে ২১ রান।

হাফিজ ও আকমলের বিদায়ের পর অধিনায়ক মেজবাহ-উল-হককে সঙ্গে নিয়ে নতুনভাবে জুটি বাধেন চার নম্বরে নামা আসাদ শফিক। দলকে কিভাবে খেলায় ফিরিয়ে আনা যায় সে চেষ্টাই করেন এজুটি। অন্যদিকে ভারতীয় বলাররাও চেষ্টায় থাকেন চির প্রতিদ্বন্দিদের কিভাবে আরও চাপে রাখা যায়।

দ্বিতীয় দফায় বৃষ্টি আসলে আবারও প্রায় একঘন্টা খেলা বন্ধ থাকে। ফলে ৫০ ওভারের ম্যাচ ৪০ ওভারে নামিয়ে আনা হয়। বৃষ্টির পরে খেলতে নেমে আর খেলায় ফিরতে পারেনি পাকিস্তান। ভারতীয় বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে তারা। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪১ রানের ইনিংসটি খেলেন আসাদ শফিক। ইশান্ত শর্মার বলে উইকেটের পিছনে ধোনির গ্রাপসবন্দি হওয়ার আগে ৫৭ বলে তিন চারে এ রান করেন তিনি।

এছাড়া অধিনায়ক মেজবাহ-উল-হক ২২, শোয়েব মালিক ১৭ এবং ওমর আমিন ২৬ বলে করেন অপরাজিত ২৭ রান। ওমর আমিন একপাশে টিকে থাকলেও ভারতের বোলারদের বোলিং তোপে শেষের অন্য ব্যাটসম্যানরা কেবলমাত্র আসা-যাওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। ফলে নির্ধারিত ৪০ ওভারে দুই বল বাকি থাকতেই সব উইকেট হারিয়ে ১৬৫ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান। ডি/এল মেথুডে ভারতের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৬৮ রান।

ভারতের পক্ষে ভূবেনেশ্বর কুমার ১৯ রানে দুইটি, ইশান্ত শর্মা ৪০ রানে দুইটি, রবিচন্দন অশ্বিন ৩৫ রানে দুইটি এবং রবিন্দ্র জাদেজা ৩০ রানে দুইটি উইকেট নেন। বাকি উইকেট দুইটি আসে জুনাইদ খান এবং মোহাম্মদ ইরফানের রান আউট থেকে।

১৬৮ রানের লক্ষ্য নিয়ে খেলতে নেমে ভালই সূচনা করেন ভারতের দুই ওপেনার রহিত শর্মা এবং শেখর ধাওয়ান। ৮.১ ওভারে দলীয় ৪৭ রানের মাথায় তৃতীয় দফায় আবারও বৃষ্টি আসে। খেলা বন্ধ থাকে পনের মিনিট। বৃষ্টির পরে খেলা শুরু হলে ৫৮ রানে প্রথম উইকেটের পতন ঘটে ভারতের। ব্যক্তিগত ১৮ রানে সাইদ আজমলের ঘূর্ণি জাদুতে মেজবাহ-উল-হকের তালুবন্দি হন রহিত শর্মা।

তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে ক্রিজে আসেন বিরাট কোহেলি। ১১.৩ ওভারে ৬৩ রানে চতুর্থ দফায় আবারও হানা দেয় বৃষ্টি। ইংল্যান্ডের সময় ৫.৪৫ মিনিটে খেলা বন্ধ হয়ে ৬.৪৫ মিনিটে আবার খেলা শুরু হয়। টানা একঘন্টা খেলা বন্ধ থাকার কারণে ভারতের সামনে তখন লক্ষ্য দাঁড়ায় ১০.৩ ওভারে ৩৯ রান। হাতে তখনও ৯ উইকেট।

খেলা শুরু হওয়ার তৃতীয় তম ওভারে ওয়াহাব রিয়াজের শিকারে পরিণত হন আরেকে ওপেনার শেখর ধাওয়ান। ৪১ বলে পাঁচ চারে ৪৭ রান করে নাসির জামশেদের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। তৃতীয় উইকেট জুটিতে দিনেশ কার্তিককে সঙ্গে নিয়ে নির্ধারিত ৬৩ বলের ১৭ বল বাকি থাকতেই আট উইকেটের বড় জয় তুলে নেন বিরাট কোহেলি। কোহেলি ২৭ বলে ২২  এবং কার্তিক ১৫ বলে ১১ রান করে অপরাজিত থেকে দলের জয় নিশ্চিত করেন।

পাকিস্তানের পক্ষে সাইদ আজমল একটি এবং ওয়াহাব রিয়াজ একটি উইকেট নেন। আট ওভার বল হাতে মাত্র ১৯ রানে দুই উইকেট নিয়ে পাকিস্তানের ইনিংসে ধসের পিছনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন ভারতের ডানহাতি পেসার ভূবেনেশ্বর কুমার। যার সুবাদে সেরা খেলোয়ারের খেতাবটি জিতে নেন ভারতের উদীয়মান এ তারকা বলার।

 

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ