আগামী ৫ নভেম্বর ভুটানের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ অভিযান শুরু করবে বাংলাদেশ। কিন্তু এই উদ্বোধনী ম্যাচে ইংল্যান্ড প্রবাসী দুই ফুটবলার হামজা চৌধুরী ও ফারহান আলী ওয়াহিদকে পাচ্ছে না জাতীয় দল। উদ্বোধণী ম্যাচেরও আরও চারদিন পর তারা দলের সঙ্গে দেবেন বলে নিশ্চিত করেছেন প্রধান কোচ থমাস ডুলি।
রোববার বিকেলে জাতীয় দলের ক্যাম্পে খেলোয়াড়রা যোগ দেওয়ার পর ডুলি বলেন, ‘হামজা ৯ তারিখে আসছে, ফারহানও হয়তো একই দিনে পৌঁছাবে। সুতরাং, দ্বিতীয় ম্যাচ থেকে তাদের পাওয়া যাবে।’
গ্রুপ পর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ভুটানের মুখোমুখি হওয়ার ছয় দিন পর দ্বিতীয় ও শেষ ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে খেলবে বাংলাদেশ।
টুর্নামেন্টের আগে ক্লাব ফুটবলে ব্যস্ত থাকা খেলোয়াড়দের দেরিতে পাওয়াকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন এই জার্মান কোচ। কারণ, ফিফা প্রথাসিদ্ধ আন্তর্জাতিক উইন্ডোর আগে ক্লাবগুলো খেলোয়াড় ছাড়তে বাধ্য নয়।
‘লিগ ম্যাচ চলায় দলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের আগেই ছাড়তে চায় না ক্লাবগুলো। চাইলে তারা আটকে রাখতে পারে। আন্তর্জাতিক উইন্ডো শুরু হলে তবেই ছাড়বে, যা শুরু হচ্ছে ৮ তারিখে।’ ‘ফলে তারা ৯ তারিখে বা ক্লাবের ম্যাচ শেষেই রওনা দেবে। ফ্লাইট কখন পাবে তার ওপরও অনেক কিছু নির্ভর করছে। বিষয়টি অনেকে যতটা সহজ ভাবেন, বাস্তবে ততটা নয়।’
ক্যাম্পের জন্য ডাকা ৩০ জন ফুটবলারের মধ্যে ২১ জন টিম ম্যানেজমেন্টের কাছে রিপোর্ট করেছেন। হামজা ও ফারহান ছাড়া বাকি প্রবাসী ফুটবলাররা ৩ নম্বরের মধ্যে যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। অর্থাৎ টুর্নামেন্ট শুরুর দুই দিন আগেই পূর্ণাঙ্গ দল হাতের কাছে পাবেন কোচ।
এরই মধ্যে ১৮ অক্টোবরের মধ্যে সাফের কাছে ২৮ সদস্যের দল জমা দেওয়া হয়েছে। তবে দেরিতে খেলোয়াড়রা যোগ দেওয়ায় তাদের ফিটনেস সমস্যা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন ডুলি। কারণ, তখন চাইলেই আর নতুন কাউকে দলে নেওয়া যাবে না।
উদাহরণ টেনে ডুলি বলেন, ‘গতকাল ম্যাচ খেলে এসে কোনো খেলোয়াড় যদি আজ বলে তার হাঁটুতে সমস্যা, তখন আমাদের আসলে কিছুই করার থাকে না। তাদের খেলানোর মতো উপযোগী করে তোলাই একমাত্র পথ।’
তিনি জানান, ডিফেন্ডার তপু বর্মনও সামান্য ফিটনেস সমস্যা নিয়ে জাতীয় দলে ফিরেছেন।
জাতীয় দলের টুর্নামেন্টের ঠিক মুখে ক্লাব ফুটবল শেষ করে খেলোয়াড়রা যোগ দিলে এমন সমস্যা এড়ানো কঠিন এবং পুরো দলকে গুছিয়ে নেওয়ার জন্য সময়ও বেশ কম থাকে বলে জানান বাংলাদেশ কোচ।