1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মাদক সংশ্লিষ্টতায় দুই মাসে ২৭ পুলিশ সদস্যকে জেলে পাঠানো হয়েছে: আইজিপি রাজশাহীর সব ফুটপাত দখলমুক্ত করা হবে, পুনর্বাসন করা হবে হকারদের: রাসিক প্রশাসক বিদেশের কারাগারে ১৫ হাজারের বেশি বাংলাদেশি, মিলছে না পর্যাপ্ত সরকারি সহযোগিতা কৃষিঋণ মওকুফ ও ফ্যামিলি কার্ডে কমবে অর্থনৈতিক দুশ্চিন্তা: চিফ হুইপ কাউকে মনোনয়ন দিইনি, ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে: মীর শাহে আলম ভূমিমন্ত্রীকে দেখতে হাসপাতালে গেলেন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সময় আ. লীগের কাছে ভোট ভিক্ষা চেয়েছিল বিএনপি: শফিকুর রহমান ফ্লপ ‘ডিগার’ : ২০০০ কোটি টাকা লোকসানের মুখে টম ক্রুজের সিনেমা এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ শুরু হচ্ছে আজ আমি খেলার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত: ক্যামেরন গ্রিন

নির্বাচনের সময় আ. লীগের কাছে ভোট ভিক্ষা চেয়েছিল বিএনপি: শফিকুর রহমান

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১০ Time View

অনলাইন ডেস্ক: নানা অনুনয়-বিনয় করে আওয়ামী লীগের কাছে ভোট ভিক্ষা চেয়ে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। একই সঙ্গে সরকারের ব্যর্থতা, লাগামহীন চাঁদাবাজি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং সীমান্ত দিয়ে মাদক ও অস্ত্র প্রবেশের কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেছেন, দেশ পরিচালনা করতে ব্যর্থ হলে সরকারের অবিলম্বে ক্ষমতা থেকে সরে দাঁড়ানো উচিত।

২৫ অক্টোবর রোববার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরের বর্ষপূর্তি’ উপলক্ষে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় উদ্যোগে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বিরোধীদের সঙ্গে জামায়াতের আঁতাতের অভিযোগ সরাসরি নাকচ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘বিএনপি প্রতিনিয়ত নতুন নতুন মনগড়া বয়ান তৈরি করছে। তারা বলছে আমরা নাকি পরিত্যক্ত ফ্যাসিস্টদের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছি। অথচ বাস্তবতা হলো—আপনারা নিজেরাই নির্বাচনের সময় আওয়ামী লীগের কাছে ভোট ভিক্ষা চেয়েছেন। খোদ শেখ হাসিনাই বলেছেন, হাত-পা ধরে ভোট নিয়ে এখন তাদের সঙ্গেই বেইমানি করা হচ্ছে। তাদের দলের নেতারাও স্বীকার করেছেন যে, ৯৫টি আসনে হেরে যাওয়া বিএনপিকে আওয়ামী লীগ ভোট দিয়ে জিতিয়েছিল। এমনকি নাটোরের একজন সংসদ সদস্য নিজের দলকে ধন্যবাদ না দিয়ে প্রকাশ্যে আওয়ামী লীগকে ধন্যবাদ জানাচ্ছেন।’

জামায়াতের আমির বলেন, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ক্যাডারদের সমাজের ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় পুনর্বাসন করা হচ্ছে। অন্যদিকে সীমান্ত দিয়ে টাকা ও অস্ত্র আসার অজুহাত তুলে সব দোষ বিরোধীদের ঘাড়ে চাপানো হচ্ছে। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘সীমান্ত দিয়ে যদি নিয়মিত টাকা, অস্ত্র ও মাদক ঢোকে, তবে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তা আটকাতে ব্যর্থ হচ্ছে কেন? যে সরকার দেশের সীমান্ত সুরক্ষিত রাখতে পারে না, তাদের ক্ষমতায় থাকার কোনো নৈতিক অধিকার নেই।’

দ্রব্যমূল্য ও লাগামহীন চাঁদাবাজির তীব্র সমালোচনা করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম্যের কারণে এক টাকার পণ্য সাধারণ মানুষকে তিন টাকায় কিনতে হচ্ছে। যেখানে পঞ্চগড়ের কৃষকরা উৎপাদিত ফসলের সঠিক দাম না পেয়ে চারটা লাউ মাত্র এক টাকায় বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন কিংবা ক্ষেতেই নষ্ট করছেন, ঠিক সেই লাউ রাজধানীতে এসে সাধারণ মানুষকে ৫০ থেকে ৬০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। চাঁদাবাজির এই নির্মম বোঝা এখন জনগণের ওপর অতিরিক্ত করের মতো চেপে বসেছে।’

রাজধানীর রাড্ডা মেডিকেল সেন্টারে লুটপাটের প্রসঙ্গ টেনে জামায়াত আমির বলেন, ‘দশক ধরে জনসেবা দিয়ে আসা এই প্রতিষ্ঠানে রাতের আঁধারে হামলা ও ন্যাক্কারজনক লুটপাট চালানো হলো। অথচ অপরাধের দায়ে শুধু একজন দলীয় সংসদ সদস্যকে দায়সারাভাবে পদত্যাগ করিয়েই পুরো ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। কেন ওই সংসদ সদস্যকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হলো না? প্রশাসন কি তবে অপরাধীদের ‘হোয়াইটওয়াশ’ করতে ব্যস্ত?’

তিনি আরও বলেন, চাঁদাবাজি এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, বিএনপির সাধারণ কর্মীরাও তাদের দলের অভ্যন্তরীণ চাঁদাবাজদের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর সমালোচনা করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অন্যান্য বিষয় নিয়ে বেশ পারদর্শী হলেও নিজের মন্ত্রণালয় সামলাতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন। খোদ সরকারি দলের একজন জ্যেষ্ঠ সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছেন, মাদকের সবচেয়ে বড় চালানটি আসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিজের এলাকা দিয়েই। এমনকি দিনের আলোতে মহাসড়কে ট্রাকে ডাকাতির ঘটনা ঘটছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এই ভয়াবহ অবনতি ঢাকতেই সরকার এখন বিরোধীদের ওপর দোষ চাপাচ্ছে।’

তিনি জানান, জামায়াত বা ১১-দলীয় জোট কোনো সংকীর্ণ দলীয় স্বার্থে রাজপথে নামেনি; বরং তারা সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। গণভোটে দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ ইতিবাচক সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়ে পুরোনো রাজনীতির চিরতরে অবসান চেয়েছে উল্লেখ করে তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, কোনো অপশক্তির ভ্রূকুটি বা হুমকিতে মাথা নত না করে জনগণের অধিকার আদায়ের নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ