1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৫ অপরাহ্ন

১১ ওভার বল করেছেন আফগান অধিনায়ক, আম্পায়ারিং নিয়ে প্রশ্ন তুলল বাংলাদেশ

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১০ Time View

ওমানের মাসকটে গড়ানো অনূর্ধ্ব-১৯ ওয়ানডে সিরিজে আম্পায়ারিংয়ের একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সিরিজের দুটি ম্যাচে বিতর্কিত সিদ্ধান্তের পাশাপাশি তৃতীয় ম্যাচে আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়ক সোহেল খান ১১ ওভার বল করেছেন বলে অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ। এসব বিষয়ে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (এসিবি) কাছে চিঠি পাঠিয়েছে বিসিবি। ক্রিকইনফোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের প্রধান কোচ হান্নান সরকার জানিয়েছেন, আম্পায়ারিংয়ের বিতর্কিত সিদ্ধান্তগুলো অধিনায়কের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি, একজন বোলারের নির্ধারিত সীমার বাইরে গিয়ে ১১ ওভার বল করার বিষয়টি আলাদা নোটের মাধ্যমে নথিবদ্ধ করা হয়েছে। মাসকাটে বাংলাদেশ দলের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ ম্যাচ রেফারি ইয়াসির লতিফজাইয়ের সঙ্গে এ নিয়ে দীর্ঘ দুটি বৈঠকও করেছে। বৈঠকে এলবিডব্লিউয়ের কয়েকটি সিদ্ধান্তের ভিডিও ফুটেজ দেখিয়ে নিজেদের আপত্তির কথা জানায় বাংলাদেশ দল। এ ছাড়া তৃতীয় যুব ওয়ানডেতে আফগান অধিনায়ক সোহেল খানের ১১তম ওভার বল করার ভিডিও ফুটেজও উপস্থাপন করা হয়। ৫০ ওভারের ওয়ানডে ম্যাচে একজন বোলারের সর্বোচ্চ ১০ ওভার বল করার নিয়ম রয়েছে। তবে তৃতীয় ম্যাচের স্কোরকার্ডে সংশ্লিষ্ট ওভারটি আফগানিস্তানের অন্য বোলার শাহ ফয়সাল রহিমির নামে নথিভুক্ত করা হয়েছিল। বাংলাদেশের দাবি, ওভারটি আসলে বল করেছিলেন সোহেল খান। হান্নান সরকার বলেন, ‘আমরা অধিনায়কের প্রতিবেদনে আম্পায়ারিংয়ের সিদ্ধান্তগুলো নিয়ে লিখেছি এবং একটি বিশেষ নোট যুক্ত করেছি, যেখানে ১১ ওভার বল করার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। যেহেতু অধিনায়কের প্রতিবেদনের সাধারণ ফরম্যাটে এ ধরনের বিস্তারিত তথ্য দেওয়ার জন্য আলাদা কোনো জায়গা নেই, তাই সিদ্ধান্তের তালিকার শেষে একটি অতিরিক্ত নোট জুড়ে দেওয়া হয়েছে।’ ঘটনাটি কীভাবে বাংলাদেশের নজরে আসে, সেটিও ব্যাখ্যা করেছেন হান্নান। তার ভাষ্য, আফগানিস্তানের অধিনায়ক দলের প্রধান স্ট্রাইক বোলারও। দলের বিশ্লেষকের রেকর্ড অনুযায়ী, সোহেল খান ১০ ওভার বল করার পরও আরও একটি ওভার শুরু করেন। হান্নান বলেন, ‘তাদের অধিনায়ক, যিনি দলের প্রধান স্ট্রাইক বোলারও বটে, তৃতীয় ম্যাচে মোট ১১ ওভার বল করেছেন। আমাদের কাছে অফিসিয়াল স্কোরারের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ ছিল না, তাই দলের ম্যানেজারের ফোনে ক্রিকইনফোর স্কোরকার্ড দেখে আমরা হিসাব রাখছিলাম। আমাদের দলের বিশ্লেষকের রেকর্ড অনুযায়ী, সোহেল খান আগেই ১০ ওভার বল করে ফেলেছিলেন। বিষয়টি আমাদের নজরে আসার আগেই তিনি আরও একটি ওভার শুরু করে দিয়েছিলেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘সেই ওভারটি শেষ হওয়ার পরপরই আমরা আম্পায়ারদের বিষয়টি জানাই, যদিও ততক্ষণে ওভারটি শেষ হয়ে গিয়েছিল।’ বাংলাদেশ দলের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের দাবি, ওই ওভারটি নিয়ে স্কোরিংয়ে গরমিল হয়েছিল। আফগানিস্তানের অন্য একজন বোলার আম্পায়ারের কাছে নিজের টুপি জমা দিয়েছিলেন। কিন্তু পরে তিনি সেটি ফেরত নিয়ে নেন এবং সোহেল খান নিজেই বল করতে আসেন। বিষয়টি খেয়াল না করায় স্কোরার ওভারটি ভুল করে অন্য বোলারের নামে নথিভুক্ত করেন। হান্নান সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, ম্যাচ রেফারি লতিফজাইয়ের কাছে ওই ওভারের ভিডিও ফুটেজ জমা দিয়ে কীভাবে এই গড়মিল হয়েছে, তা ব্যাখ্যা করেছে বাংলাদেশ দল। তবে স্কোরকার্ডে ওভারটি অন্য বোলারের নামে থাকায় ঘটনাটি নিয়ে আনুষ্ঠানিক নথিতে অসংগতি তৈরি হয়। সিরিজের চতুর্থ ম্যাচের পরও আম্পায়ারিং নিয়ে আপত্তি জানায় বাংলাদেশ দল। এলবিডব্লিউয়ের পাশাপাশি কট-বিহাইন্ডের কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়েও অসন্তোষ ছিল তাদের। এসব সিদ্ধান্ত নিয়ে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান দলের কোচিং স্টাফদের মধ্যে তর্কবিতর্ক হয়। তবে পরে তারা হাত মিলিয়ে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেন। পরবর্তী সময়ে বিসিবির গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটি, আম্পায়ারিং নিয়ে নিজেদের উদ্বেগ জানিয়ে এসিবিকে ইমেইল পাঠায়। বিসিবির এক কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা তাদের কাছে চিঠি লিখেছি কেবল দ্বিপাক্ষিক সিরিজে কী ঘটেছে তা জানানোর জন্য। আমরা তাদের সতর্ক করেছি যেন ভবিষ্যতে তারা আরও বেশি সতর্ক থাকে।’

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ