রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিরপেক্ষ, সুশৃঙ্খল, সাশ্রয়ী ও সৎ অভিবাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট সকলকে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, অভিবাসনকে উন্নয়ন ও দারিদ্র্য হ্রাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে দেখা উচিত।
আজ বৃহস্পতিবার বঙ্গভবনে রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিটের (আরএমএমআরইউ) নির্বাহী পরিচালক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. তাসনিম সিদ্দিকীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং এ কথা জানায়।
সাক্ষাৎকালে ড. তাসনিম সিদ্দিকী আরএমএমআরইউ-এর ৩০ বছরের গবেষণা ও মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম এবং বিভিন্ন অর্জন সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।
তিনি জানান, শ্রম অভিবাসন, অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুতি, শরণার্থী ও অভিবাসী শ্রমিকদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা ও নীতিগত পর্যায়ে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি।
এ সময় অভিবাসীদের অবদানকে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে একটি ‘অভিবাসন দশক’ ঘোষণার উদ্যোগের বিষয়টি রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরা হয়।
সাক্ষাৎকালে অভিবাসী কর্মীদের জন্য নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল অভিবাসন নিশ্চিত করা, অভিবাসন ব্যবস্থায় সংশ্লিষ্ট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহিতা এবং অভিবাসীদের ইতিবাচক অবদানকে উৎসাহিত করার বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়।
এ ছাড়া অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর বিষয়ে আরএমএমআরইউ-এর গবেষণা ও নীতিগত উদ্যোগ, বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠী নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে ককাস গঠন এবং এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা ও উদ্যোগ তুলে ধরার বিষয়েও আলোচনা হয়।
আরএমএমআরইউ-এর নির্বাহী পরিচালক প্রতিষ্ঠানটির ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতিকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার ব্যাপারে আশ্বস্ত করেন।
আরএমএমআরইউ-এর উপদেষ্টা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক অধ্যাপক সি আর আবরার, উপ-নির্বাহী পরিচালক মোতাসিম বিল্লাহ, প্রোগ্রাম পরিচালক মারিনা সুলতানা এবং সিনিয়র রিসার্চ ফেলো মাহমুদুল হাসান রকি এই প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব ও জন বিভাগের সচিব উপস্থিত ছিলেন।