একজন চিকিৎসকের রাজনৈতিক মত থাকতে পারে। তিনি নাগরিক, তাই সেটি তাঁর অধিকার। কিন্তু রোগীর সামনে তাঁর সবচেয়ে বড় পরিচয়—তিনি চিকিৎসক। রোগী আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামায়াত, বামপন্থী কিংবা কোনো রাজনৈতিক মতের মানুষ না-ও হতে পারেন; চিকিৎসকের কাছে তাঁর পরিচয় শুধু রোগী।
একই কথা চিকিৎসকদের পেশাজীবী সংগঠনের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। বাংলাদেশের চিকিৎসকদের মধ্যে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকবে—এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু চিকিৎসকদের নিরাপত্তা, পেশাগত মর্যাদা, চিকিৎসা-নৈতিকতা, প্রশিক্ষণ, কর্মপরিবেশ এবং রোগীর অধিকার—এসব বিষয়ে কি আমাদের একটি দলনিরপেক্ষ জাতীয় পেশাজীবী প্ল্যাটফর্ম থাকা উচিত নয়?
এ প্রশ্নটি এখন গুরুত্ব দিয়ে ভাবার সময় এসেছে।
চিকিৎসা পেশার সংকটকে শুধু রাজনৈতিক বিভাজন দিয়ে ব্যাখ্যা করলে ভুল হবে। আমাদের নিজেদের ঘরেও কিছু কঠিন প্রশ্ন করতে হবে।