1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
জাতিসংঘে উচ্চপর্যায়ের সাধারণ বিতর্কে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী ‘লড়াই হেরে’ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় উডের বিশ্ব পাঁচের চেয়েও অনেক বড়: এরদোয়ান সুপরিকল্পিত শহর গঠনে কাজ করবে নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ : গণপূর্তমন্ত্রী জাতিসংঘে ট্রাম্পের বক্তব্যের সময় ওয়াকআউট করল ইরান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের উদ্বোধনী অধিবেশনে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ মহাসচিবের স্বাগত প্রাতরাশে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহযোগিতা করতে চায় রাশিয়া জাতিসংঘ ভাষণে ‘এআই’-এর নাম পাল্টে যা রাখলেন ট্রাম্প নৌযানে মার্কিন হামলা ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’ হতে পারে: জাতিসংঘ

বেসরকারি সাবমেরিন ক্যাবলে ইন্টারনেটের দাম অর্ধেকে নামতে পারে: আইএসপিএবি সভাপতি

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৯ Time View

বাংলাদেশে বেসরকারি সাবমেরিন ক্যাবল সংযোগ চালু হলে ইন্টারনেটের দাম ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ কমতে পারে বলে জানিয়েছেন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) সভাপতি আমিনুল হাকিম।

তিনি বলেন, বেসরকারি সাবমেরিন ক্যাবল অপারেটররা সেবা দেওয়া শুরু করলে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডাররা (আইএসপি) বর্তমান দামের প্রায় অর্ধেক দামে ব্যান্ডউইথ কিনতে পারবেন।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে টেলিকম অ্যান্ড টেকনোলজি রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ (টিআরএনবি) আয়োজিত ‘সবার জন্য সাশ্রয়ী ইন্টারনেট: টেক জায়ান্টদের বাংলাদেশে বিনিয়োগে বাধা ও সমাধান কোথায়?’ শীর্ষক আলোচনা সভায় আইএসপিএবি সভাপতি এসব কথা বলেন।

আমিনুল হাকিম বলেন, বর্তমানে আইএসপিগুলো প্রতি এমবিপিএস ব্যান্ডউইথ ১২০ থেকে ১৩০ টাকা দরে কিনছে।

তিনি বলেন, বেসরকারি সাবমেরিন ক্যাবল অপারেটররা বাজারে এলে আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইথের সরবরাহ বাড়বে, একাধিক উৎস তৈরি হবে এবং বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়বে। ফলে ব্যান্ডউইথের দাম ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ কমতে পারে।

‘বাংলাদেশে ইন্টারনেটের ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যান্ডউইথের চাহিদাও দ্রুত বাড়ছে’, বলেন তিনি।

আমিনুল আরও বলেন, বর্তমানে দেশে ব্যান্ডউইথের চাহিদা প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার জিবিপিএস। ২০৩০ সালের মধ্যে এই চাহিদা ৫০ হাজার থেকে ৫৪ হাজার জিবিপিএসে পৌঁছাতে পারে।

তিনি বলেন, ভবিষ্যতের চাহিদা পূরণে বাংলাদেশকে একাধিক সাবমেরিন ক্যাবল ও আন্তর্জাতিক সংযোগের মাধ্যমে সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি বেসরকারি বিনিয়োগের সুযোগও বাড়াতে হবে।

আমিনুল বলেন, বাংলাদেশকে বর্তমানে ভারতের কাছ থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইথ আমদানি করতে হয়। আন্তর্জাতিক সংযোগ গুগল, মেটা, আকামাইন ও ক্লাউডফ্লেয়ারের মতো বৈশ্বিক প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর সেবা ও অবকাঠামোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসির একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ, আন্তর্জাতিক সংযোগের সীমাবদ্ধতা, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের সমস্যা এবং অনুকূল নীতির অভাবে বড় প্রযুক্তি কোম্পানি ও হাইপারস্কেলাররা বাংলাদেশে বিনিয়োগে নানা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন টিআরএনবির সভাপতি মাসুদুজ্জামান রবিন। সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির সাবেক সভাপতি সমীর কুমার দে। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বেসরকারি সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি মেটাকোর সাবকম লিমিটেডের প্রকল্প প্রধান মাহমুদ শাহেদ ও আইএসপিএবির কোষাধ্যক্ষ মইন উদ্দিন আহমেদ।

পাওয়ারপয়েন্ট উপস্থাপনায় বলা হয়, বিএসসিপিএলসি দুটি সাবমেরিন ক্যাবল—সিমিউই ৪ ও সিমিউই ৫ এ মোট ৮১৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছে। ২০০৮ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত কোম্পানিটি ৩ হাজার কোটি টাকার বেশি আয় করেছে। একই সময়ে ১ হাজার ৩৬২ কোটি টাকার বেশি নিট মুনাফা করেছে।

একচেটিয়া ব্যবসার সুযোগ থাকায় সাধারণ মানুষ ও ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা এসব বিনিয়োগের সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে উপস্থাপনায় বলা করা হয়।

তবে এর আগে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি বলেছিল, দেশে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথের সম্ভাব্য সংকট নিয়ে উদ্বেগের কোনো ভিত্তি নেই।

কোম্পানিটি বলেছে, বর্তমানে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইথ সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই এবং ভবিষ্যতেও ঘাটতির কোনো ঝুঁকি নেই।

বরং বর্তমান চাহিদার চেয়েও বেশি ব্যান্ডউইথ সরবরাহের সক্ষমতা তাদের রয়েছে বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ