1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৫৯ পূর্বাহ্ন

রুশ রাষ্ট্রদূত নেই যুক্তরাজ্যে, সম্পর্ক অবনতির জন্য লন্ডনকে দায়ী করল মস্কো

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬
  • ৫ Time View

যুক্তরাজ্যে বর্তমানে রাশিয়ার কোনো রাষ্ট্রদূত দায়িত্ব পালন করছেন না বলে জানিয়েছে লন্ডনে রুশ দূতাবাস। তবে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহারের মাধ্যমে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের মাত্রা কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে—এমন দাবি নাকচ করেছে মস্কো।
বরং রাশিয়া-যুক্তরাজ্য সম্পর্ক নজিরবিহীনভাবে তলানিতে ঠেকার জন্য ব্রিটিশ সরকারকে দায়ী করেছে রুশ দূতাবাস। রবিবার (২৩ আগস্ট) টেলিগ্রামে দেওয়া এক বিবৃতিতে রুশ দূতাবাস বিষয়টি স্পষ্ট করে।

এর আগে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সানডে টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউক্রেনের প্রতি ব্রিটেনের সমর্থন পুনর্বিবেচনায় লন্ডনের ওপর চাপ তৈরির অংশ হিসেবে রাশিয়া তার রাষ্ট্রদূত আন্দ্রেই কেলিনকে প্রত্যাহার করেছে। তবে রুশ দূতাবাস বলছে, তাদের দেওয়া বক্তব্য থেকে এমন কোনো সিদ্ধান্তে আসার সুযোগ নেই যে মস্কো কূটনৈতিক সম্পর্কের অবনতি করতে চাইছে।

কেলিন সাত বছরের বেশি সময় যুক্তরাজ্যে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর গত ২১ জুলাই পদ ছাড়েন। তার উত্তরসূরি হিসেবে এখনো কাউকে মনোনীত করেনি মস্কো। ফলে কবে নতুন রাষ্ট্রদূত নিয়োগ দেওয়া হবে, সে বিষয়েও দূতাবাসের কর্মকর্তারা নিশ্চিত নন বলে জানিয়েছে দ্য টাইমস। রুশ দূতাবাসের ভাষ্য, দুই দেশের সম্পর্কের বর্তমান পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করলে স্পষ্ট হয় যে, সম্পর্কের অবনতির জন্য মূলত লন্ডনের নীতিই দায়ী।

ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে ব্রিটেনের অবস্থানকে রাশিয়া ধারাবাহিকভাবে সমালোচনা করে আসছে।

এদিকে ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দপ্তর রাষ্ট্রদূত না থাকার বিষয়টিকে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত হিসেবে উল্লেখ করেছে। দপ্তরটি জানিয়েছে, মস্কোয় ব্রিটেনের রাষ্ট্রদূত ও দূতাবাস রয়েছে এবং রুশ সরকারের সঙ্গে যোগাযোগের পাশাপাশি বিভিন্ন উদ্বেগের বিষয় সেখান থেকেই তুলে ধরা হচ্ছে। ইউক্রেন ইস্যুতে নিজেদের অবস্থানও পুনর্ব্যক্ত করেছে লন্ডন। ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে ইউক্রেনের এবং এ ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্য কিয়েভের পাশে থাকবে।

এর মধ্যেই ব্রিটেনকে নতুন করে হুঁশিয়ারি দিয়েছে মস্কো। ইউক্রেনকে সরবরাহ করা যুক্তরাজ্যে তৈরি ড্রোন রাশিয়ার ভূখণ্ডের গভীরে হামলায় ব্যবহৃত হওয়ার অভিযোগ তুলে ব্রিটেনকে এর জন্য ‘মূল্য দিতে হবে’ বলে সতর্ক করেছে রুশ দূতাবাস। লন্ডনে রুশ দূতাবাসের অভিযোগ, ইউক্রেনের এসব হামলায় ব্রিটেন ‘সহযোগী ও সহঅপরাধী’ হিসেবে ভূমিকা রাখছে। সংঘাত আরো বাড়ানোর পথ লন্ডন ইচ্ছাকৃতভাবে বেছে নিচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছে তারা।

২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকেই কিয়েভের অন্যতম প্রধান আন্তর্জাতিক সমর্থক হিসেবে ভূমিকা রাখছে যুক্তরাজ্য। দেশটি ইউক্রেনকে সামরিক ও অন্যান্য সহায়তা মিলিয়ে প্রায় ২৫ বিলিয়ন পাউন্ড দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এর মধ্যে সামরিক সহায়তার পরিমাণ প্রায় ১৬ বিলিয়ন পাউন্ড। সাম্প্রতিক সময়ে ইউক্রেন রাশিয়ার অভ্যন্তরে দূরপাল্লার হামলা বাড়িয়েছে। পাল্টা হিসেবে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভসহ বিভিন্ন স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে মস্কোও।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ