সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দাম বাড়ার ক্ষেত্রে দাপট দেখিয়েছে মিউচুয়াল ফান্ডগুলো। এতে পতন থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছে স্টক এক্সচেঞ্জটি। ডিএসইতে দাম বাড়ার তালিকায় বেশিসংখ্যক প্রতিষ্ঠান নাম লেখার পাশাপাশি সবগুলো মূল্যসূচকও বেড়েছে। তবে, ঢাকার এই শেয়ারবাজারে কমেছে লেনদেনের পরিমাণ।
অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) দাম বাড়ার তালিকা বড় হওয়ার পাশাপাশি মূল্যসূচক বেড়েছে। সেইসঙ্গে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ডিএসইতে লেনদেন শুরু হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই দাম কমার তালিকায় চলে আসে বেশি প্রতিষ্ঠান। ফলে সূচকও ঋণাত্মক হয়ে পড়ে। লেনদেনের তিন ঘণ্টার মাথায়ও সূচক ঋণাত্মক থাকে। তবে শেষ আধাঘণ্টার লেনদেনে দাম বাড়ার ক্ষেত্রে দাপট দেখায় মিউচুয়াল ফান্ড। যার ইতিবাচক প্রভাব পড়ে অন্য খাতেও। ফলে দাম বাড়ার তালিকা বড় হওয়ার পাশাপাশি মূল্যসূচক বেড়েই দিনের লেনদেন শেষ হয়।
দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে সব খাত মিলে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে ১৭৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট। বিপরীতে দাম কমেছে ১৬৩টির এবং ৫৫টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। অপরদিকে ৩০টি মিউচুয়াল ফান্ডের দাম বাড়ার বিপরীতে একটির দাম কমেছে এবং ৩টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
দাম বাড়ার তালিকা বড় হওয়ায় ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ১৬ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৮৯৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্য দুই সূচকের মধ্যে বাছাই করা ভালো ৩০ কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক আগের দিনের তুলনায় ৬ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ২১৭ পয়েন্টে উঠে এসেছে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৩ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ১৯৫ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
মূল্যসূচক বাড়লেও ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ কমেছে। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৪৩ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ১ হাজার ৩৪২ কোটি ৫১ লাখ টাকা। এ হিসাবে আগের কার্যদিবসের তুলনায় লেনদেন বেড়েছে ২৯৯ কোটি ৮ লাখ টাকা।
অন্য শেয়ারবাজার সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই বেড়েছে ৪৭ পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ২৩৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১০৮টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৯৪টির এবং ৩৭টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৪৬ কোটি ১৫ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ৩৭ কোটি ৭ লাখ টাকা।