1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০২:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
‘মিনাপ’ অঞ্চলের চরম দরিদ্র জনগোষ্ঠীর অর্ধেক পাকিস্তানের: বিশ্ব ব্যাংক ‘পিছিয়ে থাকা’ ৩ পার্বত্য জেলা আর লম্বা পরীক্ষায় ফল খারাপ চট্টগ্রামে! এইচএসসি-সমমান পরীক্ষায় বিদেশ কেন্দ্রে পাশের হার ৯০.৮৭ শতাংশ আমরা কোনো রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা বিভাজন চাই না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে শ্রমিকদের অবরোধ, ৫ ঘণ্টা পর সচল মহাসড়ক সিলেট টেস্টের বাংলাদেশ দলে একটি পরিবর্তন পুলিশের ৬ কর্মকর্তা বরখাস্ত : একজন বাধ্যতামূলক অবসরে জরুরি প্রয়োজনে এক কিস্তির টাকা তুলতে পারবেন ওয়ালটনের ক্রেতারা রাজশাহী বোর্ডের ৩৯ কলেজের কেউ পাস করেনি নীতি বদলে প্রথমবারের মতো শ্রমিক সংগঠন গঠন করল বিজেপি

বেড়েই চলেছে ঋণের সুদহার

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১০ নভেম্বর, ২০১২
  • ১৩৬ Time View

 

সুদহারের ঊর্ধ্বসীমা তুলে দেয়ার পর থেকে ব্যাংকিং খাতে প্রতি মাসেই ঋণের সুদহার বাড়ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাবে, দেশের ৪৭টি ব্যাংকে গত সেপ্টেম্বর মাসে ঋণের গড় সুদহার দাঁড়িয়েছে ১৩.৯৩ শতাংশ। জুলাই ও আগস্ট মাসে এ হার ছিল ১৩.৭৭ ও ১৩.৯০ শতাংশ। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে প্রতিমাসে ঋণের ক্ষেত্রে সুদহার একটু একটু করে বাড়ছে। এর আগে জুনে এ হার ছিল ১৩.৭৫ শতাংশ এবং তার আগের মাসে ছিল ১৩.৭০ শতাংশ। অথচ এক বছর আগেও গড় ঋণের সুদহার ছিল ১২.৫৫ শতাংশ।

তবে ঋণের সুদহারের পাশাপাশি আমানতের ক্ষেত্রেও সুদহার বাড়ছে। দেখা গেছে, সেপ্টেম্বর মাসে ঋণের সঙ্গে ব্যাংকগুলোর আমানতের সুদহার হয়েছে গড়ে ৮.৪০ শতাংশ। জুলাইতে এ সুদহার ছিল গড়ে ৮.৩০ শতাংশ। আর  জুনে ব্যাংকগুলো গড়ে ৮.১৫ শতাংশ সুদে আমানত নিয়েছিল।

সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি ও উৎপাদনশীল কয়েকটি খাতের সুদহারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আরোপ করা সীমা প্রত্যাহার করায় সার্বিকভাবে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন। সুদহারে ঊর্ধ্বগতি থাকায় বিনিয়োগ ও ব্যবসা-বাণিজ্যে বিরূপ প্রভাব পড়ছে। শিল্পের মেয়াদি ঋণ এবং চলতি মূলধনের জন্য কোনো কোনো ব্যাংক ২০ শতাংশ পর্যন্ত সুদ নিচ্ছে। এতে উদ্যোক্তাদের উৎপাদন খরচ বেড়ে যাচ্ছে। পণ্য আমদানিতেও খরচ বাড়ছে, যার প্রভাব পড়ছে বাজারে।

এ বিষয়ে বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি ও বাংলাদেশ এক্সপোর্টারস অ্যাসোসিয়েশনের (ইএবি) সভাপতি আবদুস সালাম মুর্শেদী বলেন, ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগে উৎসাহিত করতে ২০০৯ সালে ব্যাংক ঋণের সুদহারে সীমা আরোপ করা হয়েছিল। সে সময় অনেক মেশিনারিজ আমদানি হলেও বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ না পাওয়ায় অনেকে উৎপাদনে যেতে পারেনি। তার ওপর বর্তমানে অতিরিক্ত সুদের কারণে উদ্যোক্তারা নতুন বিনিয়োগে যেতে হিমশিম খাচ্ছে। এ পরিস্থিতির উন্নয়ন দরকার। তাই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ম ভেঙে যেসব ব্যাংক সুদ আরোপ করছে তাদের ওপর নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, সেপ্টেম্বর মাসে বেসরকারি খাতের ৩০টি ব্যাংকের মধ্যে ১৯টি ব্যাংক ১৫ শতাংশের বেশি সুদে ঋণ দিয়েছে। সব মিলিয়ে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর গড় সুদহার দাঁড়িয়েছে ১৪.৬৪ শতাংশ। এর আগের ২ মাসে যা যথাক্রমে ১৪.৬২ ও ১৪.৫০ শতাংশ ছিল।
বিদেশি ব্যাংকগুলোতে ঋণের গড় সুদহার ১৪.৩৭ শতাংশ। আগের দুই মাসে ছিল ১৪.১৮ শতাংশ ও  ১৪.১৩ শতাংশ।

তবে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে গড় সুদহার অন্যান্য ব্যাংকের তুলনায় অপেক্ষাকৃত কম। এসব ব্যাংকে ঋণের সুদহার ১১.৯৬ শতাংশ। এর আগের মাসে এ হার ছিল ১১.৬৪ শতাংশ।
রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিশেষায়িত ব্যাংকে গড় সুদহার বেড়ে ১২.৪৭ শতাংশ হয়েছে। এর আগের ২ মাসে এ হার ছিল ১১.৭১ শতাংশ ও ১১.৬৭ শতাংশ।
তবে রাষ্ট্রীয় মালিকানার বেসিক ব্যাংকের ঋণের গড় সুদহার ১৫ শতাংশের উপরে অবস্থান করছে। এ ব্যাংকটির ঋণের সুদহার ১৬.১৯ শতাংশ। এছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত অন্যান্য ব্যাংকের ঋণের সুদহার ১৫ শতাংশের নিচে রয়েছে।
বেসরকারী ব্যাংকের মধ্যে ঋণের গড় সুদহার সবচেয়ে বেশী ব্র্যাক ব্যাংকের। এ ব্যাংকটির ঋণের সুদহার ১৭.১৭ শতাংশ। এরপরে ১৬.৭৩ শতাংশ ঋণে সুদ নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে ঢাকা ব্যাংক। আর ১৬.৫৮ শতাংশ সুদহার নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যমুনা ব্যাংক।

এছাড়া যেসব ব্যাংকের ঋণের গড় সুদহার ১৫ শতাংশের উপরে আছে সেসব ব্যাংক হলো : প্রিমিয়ার ব্যাংক ১৬.১০, সাউথইস্ট ১৫.৮২ শতাংশ, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক ১৫.৭৩, শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক ১৫.৫৮ শতাংশ, আইএফআইসি ব্যাংক ১৫.৫১ শতাংশ,  ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক ১৫.৪৮ শতাংশ, প্রাইম ব্যাংক ১৫.৩১ শতাংশ, ন্যাশনাল ও সিটি ব্যাংক ১৫.২৯ শতাংশ, এনসিসি ব্যাংক ১৫.২১ শতাংশ, সোস্যাল ইসলামী ও এক্সিম ব্যাংক ১৫.১৬ শতাংশ,  উত্তরা ও ওয়ান ব্যাংক ১৫.০৯ শতাংশ,  বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক ১৫.০৬ শতাংশ এবং ডাচ্ বাংলা ব্যাংক ১৫.০১ শতাংশ।

বিদেশি ব্যাংকগুলোর মধ্যে স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংকের গড় ঋণের সুদহার ১৫.১৯ শতাংশ এবং ব্যাংক আল-ফালাহর ১৫.০১ শতাংশ। এছাড়া অন্যান্য ব্যাংকের ঋণে গড় সুদহার ১৫ শতাংশের নিচে রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ