1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ০৫:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
‘শীর্ষ সন্ত্রাসী তেমন নেই, সহযোগীরা শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজতে চাইছে’ পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রমাণ পেলে কঠোর ব্যবস্থা ইরানের পর আরো একটি দেশ দখলের ইঙ্গিত ট্রাম্পের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের শপথ কাল ইরানি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত মধ্যপ্রাচ্যের ১৬ মার্কিন ঘাঁটি পতিত আওয়ামী লীগের মতো বিএনপি কোনো কাজ করবে না : নজরুল ইসলাম যেদিকে তাকাই সেদিকেই অনিয়ম-দুর্নীতি : মির্জা ফখরুল জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল খনন করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী আলোচিত বিচারকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেখার ভার সুপ্রিম জুডিশিয়ারি কাউন্সিলের : আইনমন্ত্রী ‘যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে’ ইরান যুদ্ধ শেষ হয়েছে: ট্রাম্প

বাংলাদেশের আরেকটি ব্যর্থ বিশ্বকাপ

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১২
  • ১৭৩ Time View

একটি সমীকরণ আগে থেকে বেঁধে ফেলেছিলো বাংলাদেশকে। শীর্ষ আটে খেলতে হলে গ্রুপের শেষ ম্যাচে পাকিস্তানকে নূন্যতম ৩৬ রানের ব্যবধানে হারাতে হবে। টসে জিতে ঝুকিটা নিলেন অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। আগে ব্যাট করে ১৭৫ রানও করলো। কিন্তু পাকিস্তানের জন্য ওই রান টপকে যাওয়া কঠিন হয়নি। শক্তিশালী ব্যাটিং দিয়ে গ্রুপের টানা দ্বিতীয় জয় তুলে পরের রাউন্ড নিশ্চিত করে শিরোপার অন্যতম দাবিদার পাকিস্তান।

বুধবার এই দুটো দলই ক্যান্ডি ছেড়ে যাবে। পাকিস্তানের ঠিকানা হবে কলম্বোর কোন পাঁচতারা হোটেল। শীর্ষ আটে খেলাবে ২০০৯ সালের চ্যাম্পিয়নরা। বাংলাদেশ দল কলম্বো বিমানবন্দরে যাবে দেশে ফেরার জন্য। দুবাই হয়ে বাংলাদেশ দল দেশে ফিরবে ২৭ সেপ্টেম্বর। টি-টোয়েন্টির টানা তৃতীয় বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকে ব্যর্থ হয়ে দেশে ফিরছেন মুশফিকরা। যদিও ২০০৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় রাউন্ডে খেলেছিলো। পাঁচ বছর আগের সে স্মৃতিতে এতোদিনে ধূলোবালির স্তুপ পড়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু বাংলাদেশ দল সেই একটি জয়কে ধুয়ে মুছে রাখছে। আরেকটি জয় না আসা পর্যন্ত এ ভাবে চলবে। কলম্বোতে শীর্ষ আটে খেলবে পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা। সেখান থেকে পয়েন্টের ভিত্তিতে দুটো দল যাবে সেমিফাইনালে। ক্যান্ডির পাল্লেকেলেতে খেলবে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা, নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ড এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এখান থেকেও দুটো দল সেমিফাইনালে উন্নীত হবে।

খেলার বর্ণনা দেওয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে সাকিব আল হাসান যে ইনিংস খেলেছেন তাকে নিয়ে কিছু খেলা অতি জরুরী। একটি দারুণ ইনিংসকে কেউ মনে রাখবে না। আপসোস করতে করতে দিন দুয়েক পরে হয়তো ভুলে যাবে। রেকর্ড নিয়ে যাদের কারবার তারাই কেবল বারবার ঘেটেঘুটে সাকিবের ইনিংসটি বের করে পাঠকের সামনে তুলে ধরবে। আসলে ক্রিকেট এমনই, পরাজিত দলের খেলোয়াড়দের অর্জন কেউ মনে রাখে না।

ইনিংসের ওপেন করতে এসে অসাধারণ শুরু করেছিলেন মোহাম্মদ আশাফুল। ‘ক্লাসিক’ শটে তিনবার বল সীমানা ছাড়া করলেন। ক্রিজে তাকে অনেক আত্মবিশ্বাসী দেখাচ্ছিলো। ১৩ বলে ১৪ রান হওয়ার পর ক্রস খেলতে গিয়ে বলের ফ্লাইট মিস করলেন ডানহাতি ওপেনার। অফ স্ট্যাম্প ভেঙ্গে দিয়ে বল বেরিয়ে যায়।

তামিম হাত খুলে খেলছিলেন। কিন্তু সাকিবের ভুল কলে সাড়া দিয়ে ব্যক্তিগত ২৪ রানে রানআউটের শিকার হলেন। মুশফিকুর রহিম এবং সাকিব ৬৮ রান যোগ করেন। দু’বার জীবন পেয়েও মুশফিক ইনিংসটাকে টেনে নিতে পারেননি। এলোপাতারি খেলতে গিয়ে ইয়াসির আরাফাতের ওভারে বল তুলে দিয়ে সাজঘরে ফিরলেন ২৬ বলে ২৫ রান করে। সহ-অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রানের খাতা খোলেননি।

নাসির হোসেনকে নিয়ে পঞ্চম উইকেটে ৩৭ রান তুলে সাকিব ক্যাচ আউট। পেসার ইয়াসির আরাফাতের বলে ওমর গুলের হাতে ক্যাচ হওয়ার আগে ১১ চার ও দুই ছয়ে ৫৪ বলে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারসেরা ৮৪ রান করেন। এই ফর্মেটে সাকিবের আগের সেরা ইনিংসটি ছিলো আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ৫৭ রানের। ২০০৭ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে ওপেনার নাজিমুদ্দিনের ৮১ রানের ইনিংসটি ছিলো বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ। সাকিব এখন সবার ওপরে।

সাকিব, তামিম এবং মুশফিকের ইনিংস মিলে ২০ ওভার শেষে ছয় উইকেটে ১৭৫ রান করে বাংলাদেশ দল। শোভন স্কোর হলেও পাকিস্তানের বিপক্ষে ওই রান পুঁজি করে জেতার স্বপ্ন দেখা খুব কঠিনই ছিলো।

পাকিস্তানের জন্য ১৭৫ রান চেজ করা যে মোটেও কঠিন কোন কাজ না, দুই ওপেনার ইমরান নাজির এবং মোহাম্মদ হাফিজ প্রথম থেকে মেরে খেলে তা বুঝিয়ে দেন। তারওপর মিস ফিল্ডিং করে পাকিস্তানের জন্য কাজটি সহজ করে দেয় প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলে ইমরান নাজিরের ক্যাচ ফেলেছেন আবুল হাসান রাজু। জীবন পেয়ে ছয় চার ও তিন ছয়ে ৩৬ বলে ৭২ রানের ইনিংস খেলেছেন ইমরান নাজির।

মাশরাফি বিন মুর্তজা, সাকিব আল হাসান, আব্দুর রাজ্জাক, শফিউল ইসলামদের নির্বিষ বোলিং পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ে তেমন প্রভাব ফেলতে পারেনি। রাজু শেষপর্যন্ত দুটি উইকেট নিয়েছেন তার দ্বিতীয় ওভারের তৃতীয় ও শেষ বলে।

অধিনায়ক মোহাম্মদ হাফিজ ৪৫ রানে আউট হওয়ার পরও বাংলাদেশ চেষ্টা করে গেছে টার্গেটের কাছাকাছি পৌঁছাতে। কিন্তু পাকিস্তান দল ২৮ বল বাকি থাকতে শীর্ষ আটে খেলা নিশ্চিত করে ফেলে ১৪১ রান তুলে। পরে নাসির জামশেদ ২৯ ও কামরান আকমল ২২ রান করলে আট বল আগে জয় নিশ্চিত হয় পাকিস্তানের।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ