1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
জনগণের প্রত্যাশা বাস্তবায়নে সরকার কাজ করছে: ডেপুটি স্পিকার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে বাংলাদেশকে সমর্থন ব্রাজিলের নাগরিক জীবনমান সহনীয় করতে সরকারের অগ্রগতি সন্তোষজনক নয়: চরমোনাই পীর করোনার মতো এখন নকলেরও নানা ভেরিয়েন্ট হয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী হজ মৌসুমকে সামনে রেখে নতুন বিধিনিষেধ জারি করেছে সৌদি আরব সরকার জাপানকে বাংলাদেশে মোটরগাড়ি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান শিল্পমন্ত্রীর যথার্থ তথ্য পেলে অপতথ্য কমে আসবে: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বরিশালে অবৈধ মজুদের দায়ে দুই জ্বালানি বিক্রেতাকে জরিমানা ৮০ কোটি মানুষ কর্মসংস্থান হারাবে: বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট বাজেটে দেশের ব্যবসায়ীদের ওপর কোনো খড়গ নামবে না : বাণিজ্যম

ফাইভ-জি যুগে প্রবেশ করল ভারত

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১ অক্টোবর, ২০২২
  • ৩২ Time View

দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের প্রথম দেশ হিসেবে মোবাইল প্রযুক্তির পঞ্চম প্রজন্ম বা ৫-জি যুগে প্রবেশ করেছে ভারত। আজ শনিবার রাজধানী দিল্লির প্রগতি ময়দানে এক আড়ম্বরপূর্ণ আয়োজনে এই মোবাইল পরিষেবা উদ্বোধন করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

ভারতের টেলিযোগাযোগ দপ্তরের (ডিওটি) একটি সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে রাজধানীতে এবং আগামী ২৪ অক্টোবর দীপাবলী উৎসবের পর মুম্বাই, চেন্নাইসহ ভারতের ১৩টি শহরে চালু হবে এই পরিষেবা। আগামী দুই বছরের মধ্যে পুরো ভারত ফাইভ জি নেটওয়ার্কের আওতায় আসবে আশা করছে কেন্দ্রীয় সরকার।

দিল্লির প্রগতি ময়দানে শুরু হয়েছে ইন্ডিয়া মোবাইল কংগ্রেস। আজ থেকে আগামী ৪ অক্টেবর, মঙ্গলবার পর্যন্ত চলবে এই আয়োজন। ১ থেকে ৪ অক্টোবর আয়োজিত হবে ইন্ডিয়া মোবাইল কংগ্রেস।

ভারতের ধনকুবের মুকেশ আম্বানির মালিকানাধীন সিমকার্ড প্রস্তুকারী কোম্পানি রিলায়েন্স জিয়ো, সুনীল ভারতী মিত্তালের ভারতী এয়ারটেল, কুমার মঙ্গলম বিড়লার ভোডাফোন আইডিয়াসহ দেশটির সব সিমকার্ড প্রস্তুতাকারী কোম্পানি অংশ নিয়েছে সেই কংগ্রেস বা মেলায়।

শনিবার ফাইভ জি পরিষেবা উদ্বোধনের পর মেলায় বিভিন্ন কোম্পানির স্টল পরিদর্শন করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

ভারতের টেলিকম ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞদের দাবি, ভারতের জন্য ব্যাপক লাভজনক হবে এই ফাইভ জি প্রযুক্তি এবং ২০২৩ সাল থেকে ২০৪০ সালের মধ্যে কেবল এই খাত থেকেই ভারতের আয় হবে অন্তত ৫০ কোটি ডলার।

ফাইভ-জি স্পেকট্রামের সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ পেয়েছে মুকেশ আম্বানির প্রতিষ্ঠান রিল্যায়্যান্স জিয়ো। ফাইভ-জি স্পেকট্রামের ৮৮ হাজার ৭৮ কোটি টাকার বরাদ্দ পেয়েছে এই কোম্পানি। মোট ১০টি ব্যান্ডের ৭২ হাজার ৯৮ মেগাহার্টজের স্পেকট্রাম নিলামে তোলা হয়েছিল। এর মধ্যে ৭১ শতাংশ বিক্রি হয়েছে প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকায়।
খবর এনডিটিভি

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ