1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ফের বাড়ল সোনার দাম, ভরি কত ১৮ বছরের জঞ্জাল ১৮ মাসে পরিষ্কার সম্ভব নয় : মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী খালেদা জিয়ার দীর্ঘ আন্দোলনের ফসল হিসেবে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়েছে : গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আগামী বছর থেকে স্কুল পর্যায়ে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী অক্টোবরেই চালু হবে ৫ বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল : প্রধানমন্ত্রী দেশমাতার জন্মদিনে শিক্ষকদের অশ্রু মুছতে যাচ্ছি: শিক্ষামন্ত্রী ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু এবার প্রেম বিতর্ক নিয়ে মুখ খুললেন সাদিয়া আয়মান ফ্যাসিবাদ চক্রের লুটপাটের কারণে শিক্ষকদের তহবিলও রেহাই পায়নি: প্রধানমন্ত্রী বিএনপি ৩১ দফা দেয়, ৩২ দফা পর্যন্ত পূরণ করে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বেলআউট চাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি: মুখ্য সচিব

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৮ জুলাই, ২০২২
  • ৪৭ Time View

বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছে ‘বেলআউট’-এর কোনো প্রস্তাব দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউস।

তিনি বলেছেন, বেলআউট চাওয়ার মতো কোনো পরিস্থিতি বাংলাদেশে তৈরি হয়নি। আমাদের পাঁচ মাসেরও অধিক সময়ের আমদানি ব্যয় মেটানোর মতো পর্যাপ্ত বৈদেশিক মুদ্রা মজুত আছে। তবে ব্যালেন্স অব পেমেন্ট ও বাজেট সহায়তা হিসেবে সংস্থাটির কাছে সহজ শর্তের ঋণ চাওয়া হয়েছে।

বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে নিজ অফিস কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

আহমদ কায়কাউস বলেন, বেলআউট শব্দ নিয়ে আমার চরম আপত্তি। বেলআউট চাওয়া হয়েছে, এমন খবর কোনো কোনো গণমাধ্যম পরিবেশন করছে। বিষয়টা অত্যন্ত অনভিপ্রেত এবং আত্মসম্মানে লেগেছে।

তিনি বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে ভবিষ্যতে যদি ব্যালেন্স অব পেমেন্টের ঘাটতি বাড়ে, সেজন্যই মূলত অর্থ মন্ত্রণালয় আলোচনা সাপেক্ষে সহায়তা চেয়েছে। এটি সহজ শর্তের ঋণ।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব আরও বলেন, করোনাকালীন বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), জাইকা এবং আইএমএফ সবার কাছ থেকে বাজেট সহায়তা নেওয়া হয়েছে। তখন কেউ সমালোচনা করেনি।

তিনি বলেন, করোনার সময় আইএমএফ এর কাছ থেকে ৭৩২ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ব্যালেন্স অব পেমেন্ট সহায়তা নেওয়া হয়েছে, সেটার পরিশোধও শুরু হয়েছে। তাহলে বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে আমরা এ ধরনের ঋণ সহায়তা নিলে, সেটি তো খারাপ কিছু নয়। অপরাধও নয়। আমরা মাথা উচুঁ করে এই ঋণ চাইতে পারি।

আহমদ কায়কাউস এ প্রসঙ্গে বলেন, আইএমএফ এর কাছ থেকে নিয়মিত চার ধরনের তহবিল সহায়তা পাওয়া যায়। আমাদের সঙ্গে প্রতি বছর সেটি নিয়ে আলোচনা হয়। এবারও ব্যালেন্স অব পেমেন্ট ও বাজেট সহায়তার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি জলবায়ুর প্রভাব মোকাবিলায় সেটি ব্যয় করা হবে।

তিনি বলেন, আমাদের ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা বাড়ায় এখন প্রকল্প নির্ভর ঋণের পরিবর্তে বাজেট সহায়তা ঋণ পাচ্ছি। এর মানে হচ্ছে, আমাদের পছন্দ মোতাবেক এই টাকা ব্যয় করতে পারবো। এটি আমাদের জন্য ভালো।

ভারতের আদানি গ্রুপের বিদ্যুৎকেন্দ্র উৎপাদনে যাওয়ার আগেই ভাড়া দিতে হবে বলে কেউ কেউ খবর প্রকাশ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি সঠিক নয়। উৎপাদনে যাওয়ার আগে কোনো ভাড়া দেওয়া লাগবে না। প্রত্যেকটা বিদ্যুৎ কেন্দ্র যতক্ষণ উৎপাদনে আসবে না, ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা কোনো ভাড়া দেবো না।

বিদ্যুৎ কেন্দ্রকে ক্যাপাসিটি চার্জ দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি কেবল বাংলাদেশে নয়, বিশ্বব্যাপী এই ব্যবস্থা আছে। বিদ্যুতের ক্ষেত্রে ৬৫ শতাংশ ব্যয় হয় জ্বালানিতে এবং ৩৫ শতাংশ ব্যয় হয় বিনিয়োগজনিত। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের জন্য ক্যাপাসিটি চার্জ রাখার দরকার বলে তিনি মন্তব্য করেন।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, কোনো দেশের কাছ থেকে কম দামে জ্বালানি তেল কেনার সুযোগ থাকলে বাংলাদেশ সেই সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করবে। এছাড়া জ্বালানি তেলনির্ভর অনেকগুলো বিদ্যুৎকেন্দ্রকে ক্যাপাসিটি চার্জ দেওয়া হয় না বলে তিনি উল্লেখ করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ