1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ফের বাড়ল সোনার দাম, ভরি কত ১৮ বছরের জঞ্জাল ১৮ মাসে পরিষ্কার সম্ভব নয় : মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী খালেদা জিয়ার দীর্ঘ আন্দোলনের ফসল হিসেবে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়েছে : গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আগামী বছর থেকে স্কুল পর্যায়ে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী অক্টোবরেই চালু হবে ৫ বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল : প্রধানমন্ত্রী দেশমাতার জন্মদিনে শিক্ষকদের অশ্রু মুছতে যাচ্ছি: শিক্ষামন্ত্রী ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু এবার প্রেম বিতর্ক নিয়ে মুখ খুললেন সাদিয়া আয়মান ফ্যাসিবাদ চক্রের লুটপাটের কারণে শিক্ষকদের তহবিলও রেহাই পায়নি: প্রধানমন্ত্রী বিএনপি ৩১ দফা দেয়, ৩২ দফা পর্যন্ত পূরণ করে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৬ মাসের মধ্যে রিকশার ডিজিটাল নম্বরপ্লেট : মেয়র আতিক

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৯ জুন, ২০২২
  • ৪৮ Time View

রাজধানী ঢাকার উত্তর সিটি করপোরেশনে (ডিএনসিসি) রিকশার নিরাপদ চলাচল নিশ্চিতে ডিজিটাল নম্বরপ্লেট দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মেয়র আতিকুল ইসলাম। আগামী ৬ মাসের মধ্যে এই কার্যক্রম শেষ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। আজ বুধবার দুপুরে বনানীর হোটেল শেরাটনে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে মেয়র এসব তথ্য জানান।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় অধিকাংশ রিকশা অবৈধভাবে চলছে বলে জানিয়ে আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের রিকশার লাইসেন্স আছে ২৮ হাজার আর রিকশা চলে ১০ লাখ। অর্থাৎ, রিকশার লাইসেন্স সবাই নকল করে চলছে।’

আতিকুল ইসলাম আরও বলেন, ‘আমরা আগামী ৬ মাসের মধ্যে রিকশাগুলোতে ডিজিটাল নম্বরপ্লেট দেব, কিউআর কোডসহ। কিউআর কোডে সব তথ্য থাকবে, এভাবে আমরা নিরাপদ চলাচলের ব্যবস্থা করতে পারব। প্রথম অবস্থায় ঢাকা শহরে ২ লাখ রিকশায় ডিজিটাল নম্বরপ্লেট দেওয়া হবে। এই নম্বরপ্লেট আসবে বাইরে থেকে, তাই নকল করার কারও কোনো সামর্থ্য নেই। ধরলেই আমরা বুঝতে পারব নম্বরপ্লেট নকল করা হয়েছে না কি।’

মেয়র আতিকুল ইসলাম জানান, আগামী মাসে উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় ডিজিটাল কার পার্কিং শুরু হবে। তিনি বলেন, ‘স্মার্ট সিটি-স্মার্ট বাংলাদেশ-স্মার্ট ডিএনসিসি আপনাদের উপহার দিতে চাই।’

ডেঙ্গুর বিষয়ে নগরবাসীকে সতর্ক করে আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘ডেঙ্গুর সময় বাড়িতে বাড়িতে ছাদবাগান চেক করা চ্যালেঞ্জ; কেউ অব্যবহৃত টায়ার রেখে দিল না কি, ছাদবাগান যারা করেছে তারা ঠিকমতো মেনটেইন করছে না কি। গত ১০ দিন যাবৎ ড্রোনের মাধ্যমে প্রত্যেকটি ছাদবাগান আমরা চেক শুরু করেছি। এটা আমাদের জন্য খুব ইজি হয়ে গেছে। যেখানে আমরা দেখছি কিলবিল করছে ওই বাড়িতে গিয়ে ফাইন করছি। আমরা বলতে চাই, যার যার বাড়ির দায়িত্ব তার নিতে হবে। আমরা ওষুধ ছিটিয়ে দিচ্ছি। কিন্তু আপনার বাসায় আপনি যদি এডিস মশার জন্ম দেন এর দায়দায়িত্ব আপনাকে নিতে হবে এবং জেল, জরিমানা, নিয়মিত মামলা হবে।’

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ