1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
খালেদা জিয়ার দীর্ঘ আন্দোলনের ফসল হিসেবে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়েছে : গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আগামী বছর থেকে স্কুল পর্যায়ে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী অক্টোবরেই চালু হবে ৫ বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল : প্রধানমন্ত্রী দেশমাতার জন্মদিনে শিক্ষকদের অশ্রু মুছতে যাচ্ছি: শিক্ষামন্ত্রী ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু এবার প্রেম বিতর্ক নিয়ে মুখ খুললেন সাদিয়া আয়মান ফ্যাসিবাদ চক্রের লুটপাটের কারণে শিক্ষকদের তহবিলও রেহাই পায়নি: প্রধানমন্ত্রী বিএনপি ৩১ দফা দেয়, ৩২ দফা পর্যন্ত পূরণ করে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শিক্ষকদের বড় সুখবর দিলেন মন্ত্রী বিএনপি প্রতিশ্রুতি দেয়, প্রতিশ্রুতি রাখে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বপ্নের পদ্মা সেতু নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায় চীনা রাষ্ট্রদূত

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২০ জুন, ২০২২
  • ৪৭ Time View

দেশীয় অর্থায়নে পদ্মা সেতু প্রকল্প সম্পন্ন করার সাহসের বিষয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসা করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত লি জিমিং।

রাষ্ট্রদূতের ভাষ্য, কোনো সাধারণ নেতার পক্ষে এ কাজ করা সম্ভব হতো না।

রোববার (১৯ জুন) ঢাকায় চীনা দূতাবাসে কয়েকজন সাংবাদিকের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।

রাষ্ট্রদূত বলেন, বিদেশি কিছু উন্নয়ন অংশীদার বিশ্বাসই করতে পারেনি যে বাংলাদেশ সরকার নিজস্ব অর্থায়নে এ ধরনের একটি বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে পারবে। বৈদেশিক তহবিল বন্ধ সত্ত্বেও দেশীয় অর্থায়নে পদ্মা সেতু প্রকল্প নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে তিনি (প্রধানমন্ত্রী) অসীম সাহস দেখিয়েছেন। সত্যিই আমার সন্দেহ হয়, এ ধরনের কঠিন সিদ্ধান্ত অন্যদের পক্ষে নেওয়া সম্ভব হতো কি না।

লি জিমিং বলেন, সেতু সম্পর্কে ভাবতে গেলেই তিনটি শব্দ আমার মনে ভেসে ওঠে। তা হলো সাহস, সংকল্প এবং সমৃদ্ধি। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি স্বপ্ন থেকে সেতুটি আজ দৃঢ় বাস্তবে রূপ নিয়েছে এবং এখন থেকে কেউ সন্দেহ করতে পারবে না যে বাংলাদেশ পারে না। আর পদ্মা সেতুকে ঘিরে বাংলাদেশের ওপর আস্থা আরও বেড়েছে চীনের।

রাষ্ট্রদূত বলেন, পদ্মা সেতু কেবল দুই খণ্ড ভূমিকেই সংযুক্ত করবে না, বরং এটি আমাদের জনগণের হৃদয়কে সংযুক্ত করে অভিন্ন সমৃদ্ধি ও ভবিষ্যতের দিকে নিয়ে যাবে। আমি বিশ্বাস করি যাতায়াতের জন্য সেতুটি খুলে দেওয়ার পর এটি বাংলাদেশের জনগণকে উপকৃত করবে। এটি দক্ষিণ এশিয়ার যোগাযোগের ক্ষেত্রে অবদান রাখবে এবং এটি চীন ও বাংলাদেশের ভ্রাতৃত্বের চিরবন্ধন হিসেবে কাজ করবে।

পদ্মা সেতু নির্মাণে চীনা কোম্পানির সংশ্লিষ্টতা থাকায় গর্ববোধ করেন রাষ্ট্রদূত লি। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত সম্ভবত এটাই সবচেয়ে বড় সেতু যা চীনা কোম্পানিগুলো এ যাবত চীনের বাইরে তৈরি করেছে। সুতরাং আমি মনে করি, চীনের পক্ষেও এ চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করা একটি সাহসী পদক্ষেপ।

বিদেশি অর্থায়ন ছাড়া সেতু নির্মাণে বাংলাদেশ বিশ্বকে কি বার্তা দিচ্ছে-রাষ্ট্রদূতের কাছে জানতে চান সাংবাদিকরা। জবাবে লি জিমিং বলেন, এটা শিক্ষা দেয় যে, বাংলাদেশের ওপর আস্থা রাখা উচিত।

চীনা নেতৃত্বাধীন বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই)-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পদ্মা সেতু নির্মিত হচ্ছে বলে কথা উঠেছে। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে রাষ্ট্রদীত বলেন, দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, বিআরআই সম্পর্কে অনেকে ভুল ব্যাখা দিচ্ছে।

বাংলাদেশের ইতিহাসে বহু কাঙ্ক্ষিত সর্ববৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্প পদ্মা সেতুর উদ্বোধন হতে আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। সেতু চালুর অপেক্ষায় থাকা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মতো পুরো দেশের মানুষের চোখ এখন এই সেতুতে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ২৫ জুন পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করবেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ