1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
খালেদা জিয়ার দীর্ঘ আন্দোলনের ফসল হিসেবে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়েছে : গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আগামী বছর থেকে স্কুল পর্যায়ে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী অক্টোবরেই চালু হবে ৫ বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল : প্রধানমন্ত্রী দেশমাতার জন্মদিনে শিক্ষকদের অশ্রু মুছতে যাচ্ছি: শিক্ষামন্ত্রী ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু এবার প্রেম বিতর্ক নিয়ে মুখ খুললেন সাদিয়া আয়মান ফ্যাসিবাদ চক্রের লুটপাটের কারণে শিক্ষকদের তহবিলও রেহাই পায়নি: প্রধানমন্ত্রী বিএনপি ৩১ দফা দেয়, ৩২ দফা পর্যন্ত পূরণ করে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শিক্ষকদের বড় সুখবর দিলেন মন্ত্রী বিএনপি প্রতিশ্রুতি দেয়, প্রতিশ্রুতি রাখে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীকে হত্যাচেষ্টা : মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ‘জঙ্গি’ ২১ বছর পর গ্রেফতার

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৯ জুন, ২০২২
  • ৫৮ Time View

২১ বছর পর গ্রেফতার হলো গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হত্যার ষড়যন্ত্র ও রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এক পলাতক আসামি। শেখ মো. এনামুল হক আইনের চোখ ফাঁকি দিয়ে স্বাভাবিক মানুষের মতোই জীবনযাপন করছিলেন। অনেকটা প্রকাশ্যে থেকেই ইমামতি, হোমিও চিকিৎসক, অধ্যক্ষের মতো ভুয়া পরিচয়ে গাজীপুরসহ রাজধানীর বেশ কয়েকটি এলাকায় বসবাস করছিলেন এ ভয়ংকর অপরাধী।

শনিবার (১৮ জুন) উত্তরা থেকে শেষ পর্যন্ত র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) হাতে ধরা পড়েন এনামুল হক। রোববার (১৯ জুন) সংবাদ সম্মেলন র‌্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এনামুল নিজের দোষ স্বীকার করেছেন।

২০০০ সালের ২০ জুলাই গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে নির্ধারিত জনসভার পাশে ৭৬ কেজি ওজনের বোমা পুঁতে রাখে জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামি বাংলাদেশ (হুজি)। পরদিন ৪০ কেজি ওজনের আরও একটি বোমা উদ্ধার করা হয় কোটালীপাড়ার হেলিপ্যাড থেকে। এ ঘটনায় আমির মুফতি হান্নানের পরিকল্পনায় সহযোগী হিসেবে ছিলেন শেখ মো. এনামুল হক।

এর বহু আগে থেকেই পরিকল্পনা অনুযায়ী মুফতি হান্নানের ছোট ভাই আনিসের সঙ্গে অংশীদারি ভিত্তিতে সোনার বাংলা কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি তৈরি করেন। প্রসাধনী তৈরির রাসায়নিক আনার আড়ালে বোমা তৈরির সরঞ্জাম মজুত করেন এনামুল। বোমা পুঁতে রাখতে পারলেও হত্যাচেষ্টা ধরা পড়ে গেলে গা ঢাকা দেন তিনি।

ওই ঘটনায় হত্যার চেষ্টা, হত্যার ষড়যন্ত্র এবং বিস্ফোরক আইনে কোটালীপাড়া থানায় তিনটি মামলা করে পুলিশ। ২০০১ সালে সিআইডি থেকে চার্জশিট দেয়া হয়। ২০২১ সালে বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে হত্যাচেষ্টা মামলায় ১৪ জনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন আদালত। তাদের মধ্যে এনামুলসহ পাঁচজন পলাতক ছিলেন।

র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইং পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন জানান, এই ২১ বছর ধরেই পলাতক এনামুল প্রথমে নাম পরিবর্তন করে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে আশ্রয় নেন। পরে গাজীপুরের একটি মসজিদে আট বছর ইমামতি করেন। ২০১০ সাল থেকে উত্তরা ও বনশ্রীতে বসবাস করেন। ২০১৫ সালে আই কে হোমিও কলেজ উত্তরা নামে একটি ভুয়া হোমিও প্রতিষ্ঠান করেন। এমনকি ভুয়া নাম-পরিচয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করেন। সবশেষ শনিবার র‌্যাবের একটি গোয়েন্দা দল তাকে উত্তরা থেকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

এ মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আরও তিনজন এখনো অধরা থেকে গেলেন। এর আগে মো. আজিজুল হক রানা ওরফে শাহনেওয়াজকে চলতি বছরের মার্চে ঢাকার খিলক্ষেত থেকে গ্রেফতার করে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ