1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো কাল ঢাকায় আসতে পারেন পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত কমাতে সংলাপে গুরুত্বারোপ বাংলাদেশের ইউরোপে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের জায়গা নিচ্ছে চীন? পূবালী ব্যাংকে সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতাবিষয়ক ভার্চুয়াল কর্মশালা অনুষ্ঠিত বীমাদাবির অর্থ কেটে রেখে নতুন বীমায় নিষেধাজ্ঞা উদ্যোক্তা হতে আট জেলায় ১৮ হাজারের বেশি আবেদন বিএনপি নিজেদের ঘোষিত সংস্কার কর্মসূচির সঙ্গে প্রতারণা করছে: সারোয়ার তুষার কুয়েতের আল-কাদসিয়ার বিপক্ষে হেরে শুরু ফর্টিস এফসির সাবেক যুগ্ম সচিব ধনঞ্জয়ের জমি ক্রোক, ৬ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ ট্রেড লাইসেন্স মিলবে এক পোর্টালে: বাণিজ্যমন্ত্রী

তেলের দাম আবার ১০০ ডলার ছাড়াল

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১৮ মার্চ, ২০২২
  • ৫০ Time View

ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার পরই বিশ্ববাজারে তেলের দামে অস্থিরতা দেখা যায়। বিশেষ করে রাশিয়ান তেলের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার পর লাফিয়ে বাড়ে গুরুত্বপূর্ণ এ পণ্যটির দাম। কয়েক দফা বাড়ার পর সপ্তাহের শুরুতে তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে নেমে যায়। যুদ্ধ থামার কোনো লক্ষণ না থাকায় ও সরবরাহ সংকটে আবার লাফিয়ে বাড়তে শুরু করেছে এটির দাম। বৃহস্পতিবার (১৭ মার্চ) তেলের দাম ফের ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে।

জানা গেছে, সপ্তাহের শুরুতে তেলের দাম কমে ব্যারেল প্রতি ৯৪ ডলারে দাঁড়ায়। এখন যুক্তরাষ্ট্রের ক্রুডের দাম আট শতাংশ বেড়ে ১০২ দশমিক ৯৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৯ শতাংশ বেড়ে ১০৬ দশমিক ৬৪ ডলার হয়েছে।

জ্বালানি ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, রাশিয়া ও ইউক্রেন এখনো কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি। এ কারণে সব ক্ষেত্রেই হতাশা বাড়ছে। সম্প্রতি তেলের দাম কমার অন্যতম কারণ ছিল দেশ দুটির মধ্যে যুদ্ধ বিরতির সম্ভাবনা। কিন্তু যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে রাশিয়ার তেলের সরবরাহ কমে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে গত ৭ মার্চ বিশ্ববাজারে ব্রেন্টের দাম উঠেছিল ১৩৯ দশমিক ১৩ ডলার, যা গত ১৪ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। ওই সময় ডব্লিউটিআই’র দাম উঠেছিল ২০০৮ সালের পর সর্বোচ্চ ১৩০ দশমিক ৫০ ডলারে।

ইউক্রেন আক্রমণের জেরে য্ক্তুরাষ্ট্র সম্প্রতি রাশিয়ার তেল, গ্যাস, কয়লা আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। তবে এই পদক্ষেপে আর কোনো মিত্রকে এখন পর্যন্ত পাশে পায়নি ওয়াশিংটন। ইউরোপীয় মিত্ররা জানিয়েছে, তারা এখনই রুশ জ্বালানি আমদানি বন্ধ করতে পারবে না। যুক্তরাষ্ট্রের আরেক মিত্র ভারত মার্কিন নিষেধাজ্ঞার তোয়াক্কা না করে রাশিয়া থেকে ডিসকাউন্ট মূল্যে তেল কেনার চিন্তা করছে।

পুরোনো বন্ধু সৌদি আরবও সাম্প্রতিক সংকটে ওয়াশিংটনের সঙ্গে দূরত্ব রাখছে। সৌদি যুবরাজের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ফোনে কথা বলিয়ে দিতে একাধিকবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে হোয়াইট হাউস। একই ঘটনা সংযুক্ত আরব আমিরাতের যুবরাজের ক্ষেত্রেও।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ