1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৫২ পূর্বাহ্ন

কাশ্মিরিদের পাশে আছে পাকিস্তান : ইমরান খান

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১ জুলাই, ২০২১
  • ৩৬ Time View

কাশ্মিরের মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। বুধবার পার্লামেন্টে দেওয়া ভাষণে এ ইস্যুতে নিজ দেশের অবস্থান আবারও স্পষ্ট করেন তিনি।

বুধবার পার্লামেন্টে দেওয়া ভাষণে ভারত অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মিরের মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ইমরান খান বলেন, পাকিস্তান তাদের পাশে রয়েছে এবং ২০১৯ সালের ৫ আগস্ট গৃহীত অবৈধ পদক্ষেপগুলো প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত দিল্লির সঙ্গে কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করা হবে না।

এদিন আফগানিস্তান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অংশীদারিত্ব নিয়েও কথা বলেন ইমরান খান। তিনি বলেন, তার দেশ শান্তির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অংশীদার হতে পারে। তবে কোনও অবস্থাতেই সেটা সংঘাতের জন্য নয়। সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, দেশের সার্বভৌমত্বের সঙ্গে কোনো আপস করা হবে না। বুধবার পার্লামেন্টে দেওয়া ভাষণে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

ইমরান খান বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তানে পরাজিত হয়েছে এবং তারা তাদের পরাজয়ের দায় আমাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চালিয়েছে।

তিনি বলেন, আফগানিস্তানের মানুষ পাকিস্তানিদের ভাই। ফলে তাদের সম্পর্কে ওয়াশিংটনের চেয়ে ইসলামাবাদের বোঝাপড়া বেশি।

ইমরান খান বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তালেবানকে আলোচনার টেবিলে বসাতে পাকিস্তানকে বাধ্য করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু কৌশলগত অবস্থানের চেয়ে আমরা বরং আফগানিস্তানের মানুষের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানাব। আমরা শুধু আফগানিস্তানে শান্তি চাই এবং এটিই আমাদের সবচেয়ে বড় স্বার্থ।

তিনি বলেন, ইতিপূর্বে ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে’ যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তার পথ বেছে নিয়েছিল পাকিস্তান। কিন্তু পরে দেখা গেছে, আমরা আমাদের নিজেদের নাগরিকদেরই বন্দি করছি এবং পরবর্তী সময় তাদের গুয়ানতানামো বে কারাগারে পাঠাচ্ছি। সাবেক প্রেসিডেন্ট পারভেজ মোশাররফ এটি স্বীকার করেছেন।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে আমরা আমাদের ৭০ হাজার মানুষকে হারিয়েছি। ১৫০ বিলিয়ন ডলার নষ্ট করেছি।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে কথিত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের অংশ হিসেবে পাকিস্তানকে তার উপজাতীয় এলাকায় সেনা পাঠাতে বলা হয়েছিল। কয়েকশ লোককে তাড়া করার জন্য তাদের সেখানে পাঠানোর কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু এর জন্য চালানো ড্রোন হামলায় সেখানকার স্থানীয়দের চরম মূল্য দিতে হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ