1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৬:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মুন্সীগঞ্জে পাঁচ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার ফিলিস্তিনে গণহত্যা চালানো ইসরায়েলকে আর এক পয়সাও নয় : রাশিদা তালিব আনচেলত্তি, যিনি ধৈর্য্য ধরতে জানেন জনগণের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিতে মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নীতি বহাল, ট্রাম্প বললেন ‘দেশের জন্য খুব খারাপ’ হরমুজে যৌথভাবে শুল্ক আরোপ করতে যাচ্ছে ইরান-ওমান: রিপোর্ট দক্ষিণ কোরিয়ার নতুন প্রধানমন্ত্রী হান সেওং-সুক সাউথগেটের পেনাল্টি ব্লুপ্রিন্টেই ভরসা রাখছেন টুখেল ইরানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ইসরায়েলে মার্কিন নাগরিক গ্রেপ্তার আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারাতে পারে কেপ ভার্দে!

প্রথম কর্মদিবসে অভিবাসন বিষয়ে প্রস্তাব আনতে যাচ্ছেন বাইডেন

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২১
  • ৪২ Time View

নব-নির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বুধবার (২০ জানুয়ারি) তার প্রথম কর্ম দিবসেই নতুন অভিবাসন আইনের প্রস্তাব আনতে যাচ্ছেন যা বাস্তবায়িত হলে দেশটিতে বসবাসরত কোটি কোটি অনিবন্ধিত অভিবাসীর আট বছরের মধ্যে বৈধ হওয়ার পথ খুলবে।

বাইডেনের ওই প্রস্তাবের আওতায় যারা শৈশবে অনিবন্ধিত অভিবাসী হিসেবে দেশটিতে ঢুকেছিল তাদের ফেরত পাঠানোর পরিবর্তে পুনরায় বৈধভাবে স্থায়ী আবাসের জন্য আবেদন করতে অনুমতি দেওয়া হবে, বাইডেনের ট্রানজিশন কর্মকর্তারা এমনটিই জানান। খবর নিউইয়র্ক টাইমসের।

যদি কংগ্রেসে পাস হয় তাহলে আইনটি আমেরিকান অভিবাসন ব্যবস্থাকে নতুনভাবে রূপান্তরিত করবে, যা যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বের অন্যান্য অংশের লোকদের কাছে আরও উদার করে তুলবে। পাশাপাশি, এর ফলে ২০১৫ সালে নির্বাচনের পর ট্রাম্প অভিবাসীদের নিয়ে ভয়ের যে বার্তা দিয়েছিল তাও দূর হবে।

ট্রাম্পের সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের যেসব নীতি বদলে ফেলা হয়েছিল, সেগুলো আবার আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি করোনাভাইরাস মহামারী শুরুর আগে থেকেই দিয়ে আসছিলেন বাইডেন।

২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট হিসেবে অভিষিক্ত হওয়ার কয়েক সপ্তাহের মধ্যে অভিবাসনের নিয়ম বদলাতে তৎপর হন রিপাবলিকান ট্রাম্প। সে সময় সাতটি মুসলিম প্রধান দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ঢোকার পথ বন্ধ হয়ে যায়। এখনো মোট ১৩টি দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্র সফরে কড়াকড়ি চলছে।

যদিও এ অভিবাসন বিলটি পাস হতে অনিশ্চয়তার মুখোমুখি হতে পারে। কারণ, ডেমোক্রাটরা কংগ্রেসের উভয় চেম্বার অল্পই নিয়ন্ত্রণ করে। এক্ষেত্রে বাইডেনের দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা প্রয়োজন হবে, বিশেষত সিনেটে, যেখানে আইনটি পাস হতে ৬০ ভোটের প্রয়োজন। অথচ ডেমোক্রাটরা ৫০ আসনে অধিকারী সেখানে। সুতরাং এ আদেশকে আইনে পরিণত করতে গেলে প্রেসিডেন্টকে আরো ১০ রিপাবলিকানদের সমর্থন দরকার হবে সিনেটে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ