1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মাদকের বিরুদ্ধে সীতাকুণ্ডে ফুটবল আন্দোলন মালিবাগ, মহাখালী ও যাত্রাবাড়ীতে ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ১ বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্যকর্মীর ঘাটতি নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সতর্কতা ভাসমান হাসপাতাল হচ্ছে বিআইডব্লিউটিসির ৩ জাহাজ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন ঢাকা জেলা দায়িত্বশীল সমাবেশ অনুষ্ঠিত এক দশকে ৮০০ পুকুর উধাও, কংক্রিটের চাপে উত্তপ্ত রাজশাহী সিরাজগঞ্জে যুবদল-ছাত্রদল-বিএনপির দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ৩০ সিরাজগঞ্জে বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত ১৫, ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত রাজশাহীতে ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে নারীসহ পুলিশ কর্মকর্তাকে নেওয়া হল থানায় ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দুই ফরম্যাটেই হ্যাটট্রিক করেছেন যারা

বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিক উল্যাহ হত্যা মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ১০৪ Time View

ঢাকার কেরানীগঞ্জের কোন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিক উল্ল্যাহ চৌধুরীকে হত্যার পর মরদেহ পোড়ানোর অভিযোগে করা মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (২ ডিসেম্বর) ঢাকার দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পেশকার সামছুদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- গুলজার হোসেন, আশিক, শিহাব আহমেদ ওরফে শিবু, আহসানুল কবির ইমন, তাজুল ইসলাম তানু, জাহাঙ্গীর খাঁ ওরফে জাহাঙ্গীর এবং রফিকুল ইসলাম ওরফে আমিন ওরফে টুন্ডা আমিন।

মরদেহ পোড়ানোর অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাতজনকেই সাত বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেন আদালত। জরিমানা অনাদায়ে এক বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়া অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় শম্পাকে খালাস দিয়েছেন আদালত। মামলার অন্য আসামিরা পলাতক।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৩ সালের ১০ ডিসেম্বর নিখোঁজ হন কোন্ডা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিক উল্ল্যাহ চৌধুরী। নিখোঁজের পরদিন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের দোলেশ্বর এলাকার একটি হাসপাতালের মরদেহ থেকে তার আগুনে পোড়া বিকৃত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
আসামিরা তাকে হত্যা করে মরদেহ গোপন করার উদ্দেশ্যে পুড়িয়ে ফেলে। পরে তার সঙ্গে থাকা কাগজ ও এটিএম কার্ড দেখে মরদেহ শনাক্ত করেন ছেলে সাইদুর রহমান ফারুক চৌধুরী।

সাইদুর রহমান ফারুক চৌধুরী দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে ২০১৫ সালের ৩১ জানুয়ারি ৮জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দেয় পুলিশ।

২০১৫ সালের ২ জুলাই আটজন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। মামলায় ২১ সাক্ষীর মধ্যে বিভিন্ন সময় ১১ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ