1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০১:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন ডিপোতে থাকা বাংলাদেশিদের সঙ্গে দূতাবাসের সাক্ষাৎ চীনের নতুন আইনের প্রতিবাদে ভারতে তিব্বতি শরণার্থী আটক অনুমোদিত মূলধন দ্বিগুণ করলো ব্যাংক এশিয়া ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার অভিযানে ৪৫৮ গ্রেপ্তার, উদ্ধার ২৮ লাখ টাকার জালনোট এশিয়ার খাদ্য ব্যবস্থা, নদী ব্যবস্থাপনা ও পানি সংকট সমাধানে তাগিদ এডিবির নিয়ম ভেঙে ১ মাদ্রাসার ১৯ শিক্ষক-কর্মচারী তুললেন দেড় কোটি টাকা শাকিবের অনুরোধ রাখলেন ববিতা, তবে দিলেন শর্ত রাশিয়া-ইউক্রেনের পাল্টাপাল্টি হামলায় একদিনে নিহত ২৬ টানা পঞ্চমবার পোশাক রপ্তানিতে দ্বিতীয় বাংলাদেশ আজ বাংলাদেশে আসছেন দেওবন্দের মোহতামিম মুফতি আবুল কাসেম নোমানী

বর্তমান সরকার সার ব্যবস্থাপনায় সুশাসন প্রতিষ্ঠা করেছে : কৃষিমন্ত্রী

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৪১ Time View

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, বর্তমান কৃষিবান্ধব সরকার সার ব্যবস্থাপনায় সুশাসন প্রতিষ্ঠা করেছে। ফলে, দেশে সার নিয়ে কোনো সংকট নেই।
মন্ত্রী আজ কৃষি মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘সার বিষয়ক জাতীয় সমন্বয় ও পরামর্শক কমিটি’র সভায় সভাপতির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।
সভায় শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সাবেক কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী, শিল্পসচিব কে এম আলী আজম, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ-সহ কমিটির সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভাটি সঞ্চালনা করেন কৃষি সচিব মোঃ নাসিরুজ্জামান।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, শুরু থেকেই বর্তমান সরকার কৃষি উৎপাদনের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদান করে। প্রথমেই সারের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এটি ছিল একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত। সারের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত এবং কৃষকসহ সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেই বাংলাদেশে কৃষি উৎপাদন বেড়েছে এবং দেশ আজ দানাদার জাতীয় খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে।
সভায় নিবিড় ও সম্প্রসারিত চাষাবাদের প্রয়োজনে চলমান ২০২০-২১ অর্থবছরে রাসায়নিক সারের চাহিদা পুনর্র্নিধারণ করা হয়েছে। এতে অতিরিক্ত ১ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া ও ২ লাখ মেট্রিক টন ডিএপি সার সংগ্রহের সিদ্ধান্ত হয়েছে। চলমান অর্থবছরে ইউরিয়া ২৫ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন, ডিএপি ১৫ লাখ মেট্রিক টন, টিএসপি, এমওপি, জিপসাম প্রভৃতিসহ সকল রাসায়নিক সারের চাহিদা নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ৬০ লাখ মেট্রিক টন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ