1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি উন্নতির আশা প্রতিমন্ত্রী অমিতের বর্তমান জ্বালানি সংকটের জন্য পতিত সরকারের নীতি ও আমদানিনির্ভরতা দায়ী : তিতুমীর তিন বছরের চুক্তিতে বার্সেলোনায় জেসুস জ্বালানি ও বিদ্যুৎখাতে ১০ বছরের কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী টেকসই উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা আরও জোরদারের প্রত্যাশা এলজিআরডি মন্ত্রীর জ্বালানি সংকট থেকে দেশকে বের করে আনতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী মাদক ও নৈতিকতাহীনতা থেকে শিক্ষাব্যবস্থাকে ফিরিয়ে আনতে হবে ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে পুতিনের হুংকার, ড্রোন হামলা নিয়ে জার্মানির অভিযোগ অস্বীকার ব্রাভো-পোলার্ড-নারাইনের নামে কুইন্স পার্ক ওভালে স্ট্যান্ড চিকিৎসাধীন বিদ্যুৎমন্ত্রীকে দেখতে গেলেন রাষ্ট্রপতি

৪০ থেকে ৮০ হাজার, দুই মাসের শিশুটি বিক্রি হয়েছে তিনবার!

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২০
  • ৪৯ Time View

দুই মাসের কন্যা শিশুটিকে বিক্রি করা হয়েছে তিনবার। শেষ পর্যন্ত দিল্লি পুলিশ এবং নারী কমিশনের তৎপরতায় উদ্ধার করা গেল শিশুটিকে। দিল্লি পুলিশের জালে আটকা পড়ল শিশু বিক্রি চক্রের চার সদস্য।

বুধবার রাতে দিল্লির নারী কমিশন খবর পায় উত্তর দিল্লির কোনো এক এলাকায় একটি আড়াই মাসের শিশু কন্যাকে বিক্রি করা হয়েছে। নারী কমিশনের কর্মকর্তারা সঙ্গে সঙ্গে খবর দেন পুলিশকে। শুরু হয় তল্লাশি অভিযান।

এক দিকে যখন অভিযান চলছে, অন্য দিকে তখন হাতে হাতে ঘুরছে শিশুটি। পুলিশ জানিয়েছে, প্রথমে শিশুটির বাবা এক নারীর কাছে তাকে ৪০ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেয়। এরপর সেই নারী এক ব্যক্তির কাছে ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেয় শিশুটিকে। সেই ব্যক্তি ফের তাকে আরো চড়া দামে বিক্রি করে বলে জানা গেছে।

তদন্তে নেতৃত্ব দেন উত্তর দিল্লির ডেপুটি কমিশনার মণিকা ভরদ্বাজ। নারী কমিশনকে সঙ্গে নিয়ে প্রথমেই তাঁরা পৌঁছে যান শিশুটির বাবার কাছে। তাঁকে জেরা করেই একের পর এক অপরাধীর খোঁজ মেলে।

মণিকা জানিয়েছেন, শিশুটির বাবা জেরায় প্রথমে স্বীকার করে নেন যে তিনি তাঁর আড়াই মাসের শিশু কন্যাকে বিক্রি করেছেন। তাঁর দাবি, তাঁর আরো দুই কন্যা সন্তান আছে। এক জন প্রতিবন্ধী। তাদের দেখভালের জন্য প্রচুর অর্থের প্রয়োজন। তৃতীয় সন্তানকে মানুষ করার মতো অর্থ তাঁর কাছে ছিল না। বাকি দুই সন্তানকে যাতে মানুষ করতে পারেন সে জন্যই তৃতীয় সন্তানকে বিক্রি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। যদিও নারী কমিশনের একটি সূত্র বলছে, কন্যা সন্তান বলেই বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ওই ব্যক্তি।

শিশুটির বাবাকে জেরা করে পুলিশ মঞ্জু, সঞ্জয় মিত্তাল এবং মনীশার সন্ধান পায়। এদের হাতে হাতেই ঘুরছিল শিশুটি। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার মধ্যে এদের সকলকেই গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধার হয় শিশুটিও। তাকে তার মায়ের কাছে রাখা হয়েছে। শিশুটির মা ঠিকা কাজ করেন।

দিল্লি নারী কমিশনের প্রধান স্বাতী মালিওয়াল জানিয়েছেন, ‘শিশুটিকে বড় করার জন্য সবরকম ব্যবস্থা করবে নারী কমিশন। তাঁর মাকেও সাহায্য করা হবে। প্রয়োজনে শিশুটিকে কোনো হোমে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে। দিল্লিতে এমন ঘটনা যাতে আর না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে হবে।’

সূত্র : ডয়েচে ভেলে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ