1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি উন্নতির আশা প্রতিমন্ত্রী অমিতের বর্তমান জ্বালানি সংকটের জন্য পতিত সরকারের নীতি ও আমদানিনির্ভরতা দায়ী : তিতুমীর তিন বছরের চুক্তিতে বার্সেলোনায় জেসুস জ্বালানি ও বিদ্যুৎখাতে ১০ বছরের কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী টেকসই উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা আরও জোরদারের প্রত্যাশা এলজিআরডি মন্ত্রীর জ্বালানি সংকট থেকে দেশকে বের করে আনতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী মাদক ও নৈতিকতাহীনতা থেকে শিক্ষাব্যবস্থাকে ফিরিয়ে আনতে হবে ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে পুতিনের হুংকার, ড্রোন হামলা নিয়ে জার্মানির অভিযোগ অস্বীকার ব্রাভো-পোলার্ড-নারাইনের নামে কুইন্স পার্ক ওভালে স্ট্যান্ড চিকিৎসাধীন বিদ্যুৎমন্ত্রীকে দেখতে গেলেন রাষ্ট্রপতি

করোনার দ্বিতীয় ধাক্কায় কাজ হারাতে পারে ৩৪ কোটি মানুষ : আইএলও

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১ জুলাই, ২০২০
  • ৪৬ Time View

করোনাভাইরাস সংক্রমণের প্রথম ধাক্কা এখনো সামলে উঠতে পারেনি বিশ্ব। লকডাউনে স্থবির ব্যবসা-বাণিজ্য, যোগাযোগ, যাতায়াত, সেবা। ঘরবন্দি বিশ্বের অর্ধেকেরও বেশি মানুষ। এরই মধ্যে করোনার সেকেন্ড ওয়েভ বা দ্বিতীয় পর্বের সংক্রমণ শুরুর পূর্বাভাস দিচ্ছে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)। তাদের দাবি, দ্বিতীয় পর্বের ধাক্কা হবে আরো ভয়াবহ। বিশ্বে কোটি কোটি মানুষ কাজ হারাবে।

আইএলও সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, যদি এ বছরেই আরো একটা করোনা সংক্রমণের ধাক্কা আসে, তাহলে বিশ্বের ১১.৯ শতাংশ ওয়ার্কিং আওয়ার শেষ হয়ে যাবে। অর্থাৎ কাজ হারাতে পারে ৩৪০ মিলিয়ন বা ৩৪ কোটি মানুষ।

ইন্টারন্যাশনাল লেবার অর্গানাইজেশনের পঞ্চম এডিশনে বলা হয়েছে, কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে বছরের বাকি দিনগুলোর ভবিষ্যৎ আনিশ্চিত। ২০২০-এর প্রথমার্ধেই যে ক্ষতি হয়েছে, তা আগে থেকে অনুমান করা সম্ভব হয়নি। দ্বিতীয়ার্ধে সেখান থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব হবে কি না, তা স্পষ্ট নয়। যদি প্রথমার্ধ থেকে শিক্ষা নিয়ে পরের ধাপে কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ার পথে এগোনো যায়, তা সত্ত্বেও ১১.৯ শতাংশ ওয়ার্কিং আওয়ার নষ্ট হবে।

গত কয়েক সপ্তাহে বিশ্বের বিভিন্ন জায়গা থেকে যে ছবিটা উঠে এসেছে, তা খতিয়ে দেখা যাচ্ছে যে এ বছরের দ্বিতীয় ভাগে কোথায় কত কর্মসংস্থান হারানোর আশঙ্কা রয়েছে। তাতে দেখা যচ্ছে, আমেরিকায় ওয়ার্কিং টাইম নষ্ট হতে পারে ১৮.৩ শতাংশ, ইউরোপ ও সেন্ট্রাল এশিয়ায় ১৩.৯ শতাংশ, এশিয়া প্যাসিফিকে ১৩.৫ শতাংশ, আরবে ১৩.২ শতাংশ ও আফ্রিকায় ১২.১ শতাংশ।

সংস্থার সমীক্ষায় আরো উঠে এসেছে, কিভাবে মহামারির জেরে প্রভাবিত হয়েছেন মহিলা কর্মীরা। ফলে আগামী দিনে কর্মক্ষেত্রে লিঙ্গবৈষম্য বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

সত্যিই যদি করোনার দ্বিতীয় সংক্রমণের ধাক্কা আসে, তাহলে বিশ্ব পরিস্থিতি কেমন হবে, তা ভাবতেও ভয় হয়। উন্নত দেশগুলোর অবস্থা যেখানে শোচনীয়, সেখানে বাংলাদেশের মতো তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর অবস্থা কেমন হবে সেটা সহজেই অনুমেয়। ফলে আগামী দিন ধনী-গরিব সবার জন্যই কঠিন হবে।

সূত্র : আইএলও।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ