1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ০৮:১৩ অপরাহ্ন

পরীক্ষার শেষ ধাপে মডার্নার করোনা ‘ভ্যাকসিন’

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২০
  • ৩৬ Time View

করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরিতে যে কয়েকটি দেশ এগিয়ে আছে তাদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র অন্যতম। দেশটির ওষুধ কম্পানি মডার্নার তৈরি ভ্যাকসিনটি প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপ পার করে এখন তৃতীয় তথা চূড়ান্ত ধাপে পরীক্ষার ছাড়পত্র পেয়েছে মার্কিন ওষুধ প্রশাসনের কাছ থেকে।

আগামী জুলাই মাসে চূড়ান্ত ধাপে ৩০ হাজার স্বেচ্ছাসেবীর দেহে ভ্যাকসিনটির পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু হবে বলে বৃহস্পতিবার নিশ্চিত করেছে মার্কিন এই কম্পানি।

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যামব্রিজের ম্যাসাচুসেটসভিত্তিক এই বায়োটেক কম্পানি বলছে, গবেষণার প্রাথমিক লক্ষ্য হলো নভেল করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট রোগ কভিড-১৯ কে প্রতিরোধ করা। দ্বিতীয় লক্ষ্য হবে গুরুতর রোগ প্রতিরোধ করা। যাতে মানুষকে হাসপাতাল থেকে দূরে রাখা যায়।

প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপে আশা জাগানিয়া ফলাফলের পর বৃহস্পতিবার ভ্যাকসিনটির চূড়ান্ত ধাপের পরীক্ষার ঘোষণা দেয় মডার্না। এর পরপরই মার্কিন এই কম্পানির শেয়ারের দাম ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

মডার্না বলছে, শেষ ধাপের পরীক্ষায় ভ্যাকসিনটির প্রত্যেক ডোজের জন্য ১০০ মাইক্রোগ্রাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এ মাত্রার ডোজের হিসেবে বছরে ৫০ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন সরবরাহ করার জন্য প্রস্তুতি আছে তাদের।

তবে যুক্তরাষ্ট্রে কম্পানিটির উৎপাদন স্থাপনা ও কৌশলগত অংশীদার সুইজারল্যান্ডের ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানি লোঞ্জারের সঙ্গে আগামী বছরের শুরুর দিক থেকে যৌথভাবে বছরে এক বিলিয়ন ডোজ উৎপাদন করা যাবে বলে জানানো হয়েছে।

কম্পানিটি বলছে, শরীরে সর্বোচ্চ প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া একেবারে সর্বনিম্ন পর্যায়ে কমে আনার লক্ষ্যে ১০০ মাইক্রোগ্রাম ডোজ নির্ধারণ করা হয়েছে। মডার্না বলছে, তৃতীয় ধাপের এই পরীক্ষা শুরুর জন্য পর্যাপ্তসংখ্যক ভ্যাকসিন এরই মধ্যে উৎপাদন করা হয়েছে।

দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষায় ৩০০ সুস্থ বয়স্ক স্বেচ্ছাসেবীর দেহে ভ্যাকসিনটি প্রয়োগ করা হয়; যাদের বয়স ১৮ থেকে ৫০ এবং তদূর্ধ্ব। তাদের প্রত্যেককে একটি করে ডোজ দেয়া হয়েছে।

বয়স্কদের দেহে এই ভ্যাকসিনের পরীক্ষা চালানো বেশি ঝুঁকির। কারণ ভ্যাকসিনটির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছেন বয়স্করা। সাধারণত বয়স্কদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে। মাঝ পর্যায়ের পরীক্ষায় সুরক্ষা এবং প্রাথমিক কার্যকারিতা নিশ্চিত হওয়ার জন্য ভ্যাকসিনের দুটি ডোজ ২৮ দিনের ব্যবধানে দেয়া হয়।

ভ্যাকসিনের পরীক্ষামূলক প্রয়োগে অংশগ্রহণকারী স্বেচ্ছাসেবীদের পরবর্তী এক বছরের জন্য পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।

সূত্র: রয়টার্স।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ