1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ১০:১৫ অপরাহ্ন

করোনার সময়ে যেভাবে ডেঙ্গু মোকাবেলা করছে সিঙ্গাপুর

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৮ মে, ২০২০
  • ৩৮ Time View

চারদিকে আতঙ্ক ছড়িয়েছে করোনাভাইরাস। এশিয়ার দেশ সিঙ্গাপুরেও ছড়িয়েছে এই মারণ ভাইরাস। করোনার এই মহামারির মধ্যেও শুরু হতে পারে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব। তাই ডেঙ্গু মোকাবেলায় কাজ করছে দেশটির সরকার। বিনামূল্যে মশা তাড়ানোর ওষুধ বিতরণ শুরু করেছে সিঙ্গাপুর।

দেশটির স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, দেশটিতে গতানুগতিক ডেঙ্গুর সময় আসার আগেই প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেছে। তারা এসময় প্রস্তুতি নিয়ে রাখছে। ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়তে পারে এমন এলাকার মানুষদের মধ্যে তিন লাখ বোতল মশা তাড়ানো ওষুধ বিনামূল্যে বিতরণ করতে যাচ্ছে দেশটির পলিক্লিনিকস অ্যান্ড জেনারেল প্রাক্টিশনার (জিপি) ক্লিনিক। ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হতে পারেন এমন রোগীদেরও দেওয়া হচ্ছে এই ওষুধ।

সোমবার (১৮ মে) সিঙ্গাপুরের জাতীয় পরিবেশ সংস্থা (এনইএ) জানিয়েছে, যারা এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন তাদের নিয়মিত মশা নিরোধক প্রয়োগ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কারণ এটি আশেপাশের অন্যদের সংক্রমণ থেকে বাঁচাতে এবং সংক্রমণ শৃঙ্খলা ভাঙতে সহায়তা করতে পারে। চলতি মাসেই ৩০ মিলির এই বোতলগুলো বিতরণ শেষ হবে।

গতানুগতিকভাবে দেশটিতে জুন থেকে অক্টোবর মাসে ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করে ডেঙ্গু। এবার ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ রাখতে আগেই থেকেই মশক নিধন ওষুধ বিতরণ করতে যাচ্ছে। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং ক্লিনিকগুলোর সঙ্গে এনইএ কাজ করেছে।

সিঙ্গাপুরের জাতীয় পরিবেশ সংস্থা বলছে, গত শনিবার সারা দেশে পাঁচশ ২৯ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে। ২০২০ সালের প্রথম চার মাসের মধ্যে এই সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি। তাই ধারণা করা হচ্ছে, সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে আরো ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করতে পারে।

এদিকে, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে এজেন্সিটি সম্মিলিতভাবে সম্প্রদায়ভিত্তিক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। ডেঙ্গু মশার জন্ম নেওয়া সময়ে ঘরে বসে থাকা বাসিন্দাদের মশার নিরোধক স্প্রে করতে এবং তাদের বাসার প্রাঙ্গণে মশার প্রজননের সম্ভাব্য স্থানগুলোতে কীটনাশক স্প্রে করার আহ্বান জানিয়েছে।

সংস্থাটি বলছে, করোনার এই সময়ে বেশি মানুষ বাড়িতে থাকার কারণে আবাসন সংস্থাগুলোতে রোগ সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি। বিশেষত যেসব অঞ্চলে এডিস মশার প্রজনন বেশি। যা ডেঙ্গু ভাইরাস ছড়ায় সেই মশার প্রাদুর্ভাব বেশি হতে পারে। এডিস মশার প্রজনন মৌসুম শুরু হওয়ার পর থেকেই ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা কার্যকর রয়েছে কি-না তা নিশ্চিত করার জন্য সংস্থাটি নির্মাণ সাইটগুলোতে অডিট বাড়িয়েছে।

দেশটির এক হাজার একশ ১৪টি নির্মাণ সাইটের পাশাপাশি অতিরিক্ত এবং পরিবর্তনের কাজের সাইটগুলোর মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি জায়গায় অডিট করেছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধের নিয়ম মেনে না চলায় চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত, নির্মাণ সাইটগুলোর মধ্যে ৩১টির জন্য সমন জারি করেছে। দুটির কাজ বন্ধের আদেশ জারি করা হয়েছিল। একই অপরাধের জন্য দুজন ঠিকাদারকে আদালতে অভিযুক্ত করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সূত্র: স্ট্রেইট টাইমস।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ