1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
এক বছরে বিশ্বজুড়ে হেপাটাইটিস বি কমেছে ৩২ শতাংশ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিক্রি করি না, ধারণ করি : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশে মানুষের আইনের কবর রচনা করে কোরআনের আইন প্রতিষ্ঠা করতে হবে: সংসদে জামায়াতের এমপি সবক্ষেত্রে করের সুবিধা দিতে পারবে না সরকার: অর্থমন্ত্রী টেনশন কইরেন না আমরা আছিতো স্যার : ইনুকে দুই পুলিশ সদস্য পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর গাড়িতে বাসের ধাক্কা, বাস চালক গ্রেপ্তার ‘বাংলাদেশ স্বেচ্ছায় অ-পারমাণবিক রাষ্ট্র হিসেবে রয়েছে’ সরকার টাকা ছাপিয়ে ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা দেবে না: প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধে ভারতের হাজার হাজার সৈন্য রক্ত দিয়ে গেছে: ফজলুর রহমান লেবাননে ‘ইকোসাইড’ চালাচ্ছে ইসরায়েল, ক্ষয়ক্ষতি ৩ লক্ষ কোটি টাকা

তাপস পালকে হত্যা করা হয়েছে, দাবি পরিবারের

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২০
  • ৪৫ Time View

১৯৮০ সালে প্রথম ‘দাদার কীর্তি’ সিনেমাতে অভিনয় করেই বাঙালির মন জয় করে নেন ২২ বছরের তরুণ অভিনেতা তাপস পাল। এই ছবিতে তার নায়িকা ছিলেন মহুয়া রায় চৌধুরী। কেদার চরিত্রে অভিনয় করে কোটি হৃদয়ে প্রেমের আলো ছড়িয়ে দিয়েছিলেন তিনি। ‘দাদার কীর্তি’র পর ‘ভালোবাসা ভালোবাসা’ নামের আরকটি ছবিতে দেবশ্রীর বিপরীতে অভিনয় করে সাড়া ফেলে দেন তিনি।

পরের ছবিটিও সুপারহিট হয়। ১৯৮১ সালে ‘সাহেব’ ছবিতে দুর্দান্ত অভিনয়ের জন্য ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পান তাপস পাল। এরপর দীর্ঘ সময় বাংলা সিনেমায় রাজত্ব করেছেন এই অভিনেতা। একে একে উপহার দিয়েছেন অনেক সুপারহিট সিনেমা। ১৮ ফেব্রুয়ারি তিনি পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। মুম্বাইয়ের বান্দ্রার এক হাসপাতালে মারা যান এই অভিনেতা তথা প্রাক্তন সাংসদ তাপস পাল।

এদিকে বুধবার (৪ মার্চ) স্বামীর মৃত্যু প্রসঙ্গে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন তাপস পালের স্ত্রী নন্দিনী পাল। অভিযোগ করলেন, তার স্বামীকে মেরে ফেলা হয়েছে। তিনি ন্যায়বিচার চান বলেও জানান নন্দিনী।

‘আমার স্বামীকে ওই হাসপাতাল মেরে ফেলেছে। আমি এর ন্যায়বিচার চাইতে মুম্বাইয়ে এসেছি’- হাসপাতালের প্রতি অভিযোগের আঙুল এভাবেই তুললেন নন্দিনী।

তার দাবি, গত ১ ফেব্রুয়ারি অসুস্থ তাপসকে তিনি বান্দ্রার একটি হাসপাতালে ভর্তি করেন। অভিযোগ, তাপসের অসুস্থতার সম্পর্কে বলতে গেলে সেখানকার চিকিৎসক তা শুনতে রাজি হননি। উল্টে বলেন, রোগীর ‘পাস্ট হিস্ট্রি’ শুনতে তিনি উৎসাহী নন। অভিযোগ, অসুস্থ তাপস পালকে দেখে ওই চিকিৎসক নন্দিনীকে প্রশ্ন করেন, ‘আপনি কেন তাকে হাসপাতালে এনেছেন?’

এমনকি ৫০ হাজার টাকা জমা না করলে তাপসের চিকিৎসা শুরু করা হবে না বলে হাসপাতাল জানানো হয় বলে নন্দিনীর অভিযোগ। কিন্তু মাঝরাতে তার কাছে অত টাকা না থাকায় মেয়ের বাড়িওয়ালার সাহায্যে টাকার বন্দোবস্ত করে তাপসকে ভেন্টিলেশনে দিতে হয় বলে দাবি নন্দিনীর! নন্দিনীর দাবি, ৭ ফেব্রুয়ারি তাপস পালের ভেন্টিলেশন খুলে দেওয়া হয়। তাপস তখন একেবারেই সুস্থ ছিলেন বলে দাবি করে তার স্ত্রী এ দিন বলেন, ‘আমার দিকে তাকিয়ে ও হাসল। বলল, বাপরে তুমি যা করলে! আমি বলেছিলাম, তুমি একদম ঠিক আছো।’

এর পর থেকেই সমস্যা শুরু হয় বলে অভিযোগ করে নন্দিনী জানান, ঠিকমতো খেতে দেওয়া হত না তাপস পালকে। নার্সরা ক্যাফেটেরিয়া থেকে খাবার এনে খাওয়াতে বলত। এ নিয়ে তাঁর মেয়ের সঙ্গে এক দিন নার্সদের ঝামেলাও হয়ে বলে নন্দিনীর অভিযোগ। তার আরও দাবি, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় ফের অসুস্থ হয়ে যান তাপস পাল। আমার সম্মতিতেই ডায়ালিসিস শুরু হয়। নন্দিনী এ দিন বলেন, ‘হঠাৎ দেখি তাপসকে একদিন বেঁধে রেখেছে। কেন জানতে চাওয়ায় তারা বলেন, এখন শিফ্টিং চলছে। কারও নজরে রাখা সম্ভব নয় তাই বেঁধে রাখা হয়েছে।’

নন্দিনী আরও অভিযোগ করেছেন, তাপস পালের প্রস্রাব স্বাভাবিক হওয়া সত্ত্বেও তাকে ক্যাথিটার পরিয়ে রাখা হয়। নন্দিনী জানান, এই পরিস্থিতিতেই তারা ঠিক করেন, ১৭ ফেব্রুয়ারি তাপসকে নিয়ে কলকাতায় ফিরবেন। কিন্তু সেদিন রাতেই সব ওলটপালট হয়ে যায় বলে দাবি করেন তিনি। নন্দিনীর দাবি, ওই দিন হাসপাতাল থেকে ফোন করে জানানো হয় তাপস পালের হিমোগ্লোবিন কমে ৩.৫ হয়ে গিয়েছে। তার কথায়, ‘ওই দিন সকালেই আমি দেখেছি তাপসের হিমোগ্লোবিন ৯। আশ্চর্যরকমভাবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ওকে রক্ত না দিয়ে আমাদের অনুমতির জন্য অপেক্ষা করছিলেন। এর পর কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট। পর পর। তখনও সিনিয়র কোনও ডাক্তার নেই। একজন ট্রেনি আর অন্য এক ডাক্তার।’

গোটা ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলে ন্যায়বিচারের দাবি জানাচ্ছেন নন্দিনী। তিনি বলেন, ‘তাপসের সম্পর্কে এত অন্যায়, এত ভুল কথা শুনতে হয়েছে যে, মেয়ে এবং আমি আর পেরে উঠছি না। তবে এই মৃত্যুর বিচার আমি চাইবই। ছাড়ব না।’ নন্দিনীর অভিযোগ নিয়ে হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে হাসপাতালের পিআরও কর্ণ দেলিমা বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করব না। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে যা জানানোর জানাব।’

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ