1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
তরুণদের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টা সংবিধান সংস্কারে গণভোট: স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় ব্যাপক প্রচারণার নির্দেশ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে দ্বিতীয় ফটোকার্ড প্রকাশ উচ্চশিক্ষা নিয়ে ৩ দিনের দক্ষিণ এশীয় সম্মেলনের উদ্বোধন প্রধান উপদেষ্টার প্রবাসীকল্যাণ ব্যাংকে চালু হচ্ছে শরীয়াভিত্তিক ঋণ প্রদান কার্যক্রম : আসিফ নজরুল ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ছে সরকার : মিডা চেয়ারম্যান সাবেক এমপি মমতাজের বাড়ি ও জমি ক্রোক হাসিনা-টিউলিপ ও আজমিনাসহ ১৮ জনের মামলার রায় ২ ফেব্রুয়ারি রাজধানীতে ৫ চীনা নাগরিকসহ ৮জন গ্রেফতার, ৫১ হাজার সিম উদ্ধার ৪ ব্রিটিশ এমপির বিবৃতি: ‘সব দল না থাকলে নির্বাচনকে গণতান্ত্রিক বলা যায় না’

দিল্লি পুড়ছে, হিন্দুদের ঘরে আশ্রয় পেয়েছে বহু মুসলমান

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
  • ২৫ Time View

তাদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, জীবিকা নির্বাহের অবলম্বন দোকানঘরও পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। কিন্তু বেকায়দায় পড়া ৪০ জন মুসলমানকে আশ্রয় দিয়েছে হিন্দুরা। দিল্লির অশোকনগর এলাকায় ওই ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার যখন তাদের বাড়িঘর ও দোকান পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছিল, তখন ভুক্তভোগীদের নিরাপত্তা দিয়ে নিজেদের বাড়িতে আশ্রয় দিয়েছে হিন্দুরা।

মঙ্গলবার দুপুরে কয়েকশ উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা অশোকনগর এলাকায় ঢুকে পড়ে। তারা মুসলমানদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেয়। সেখানকার স্থানীয় মসজিদে ওই সময় অন্তত ২০ জন নামাজ পড়ছিলেন। তাদেরকে বেধড়ক পেটানো হয়।

দাঙ্গাবাজরা মসজিদে ভাংচুর চালানোর পর আগুন ধরিয়ে দেয়। স্থানীয়রা বলছেন, দাঙ্গাবাজরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এসেছিল। তাদেরকে বারবার করে এসব করতে নিষেধ করা হলেও শোনেনি। বেশিরভাগ যুবকের মুখ কাপড় দিয়ে ঢাকা ছিল।

অশোক নগরের স্থানীয় বাসিন্দা রাজেশ খেত্রি বলেন, আমরা ব্যাপক ভয় পেয়েছিলাম। মনে হচ্ছিল, আমাদের মেরে ফেলা হবে। এখানে মুসলমানদের ছয়টি বাড়ি রয়েছে। তারা সেগুলো ভেঙে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। আমাদের চেনে বলে কিছু বলেনি।

তিনি আরো বলেন, আমি ২৫ বছর ধরে এখানে বাস করছি। হিন্দু-মুসলমান এক পরিবারের মতো থাকি।

পিন্টু নামে এক হিন্দু যুবক বলেন, আমি হিন্দু হলেও মুসলমানদের নির্যাতন সমর্থন করি না। আমরা কখনোই মুসলমানদের কু-নজরে দেখি না। তাদের বিপদে পাশে থাকার চেষ্টা করি।

নিরাজ কুমার বলেন, সহিংসতার সময় আমরা বিচ্ছিন্ন হয়ে যাইনি। মুসলমানদের সব রকম সহায়তা করেছি। তাদের দোকান ও ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছে। কিন্তু তাদেরকে আমরা বাড়িতে আশ্রয় দিয়ে রক্ষা করেছি।

দিনেশ কুমার বলেন, আমরা পুলিশকে জানিয়েছি। কিন্তু পুলিশ দেরিতে এসেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ