1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০৭:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের অঙ্গীকার বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার সৌদি আরবে প্রবাসীদের সাদা কাগজে স্বাক্ষর কিংবা টিপসই দেওয়া থেকে বিরত থাকতে সতর্ক করেছে দূতাবাস দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো নকআউটে দক্ষিণ আফ্রিকা ভেনেজুয়েলায় জরুরি অবস্থা জারি, বন্ধ স্কুল-বিমানবন্দর ও রেল চলাচল বিমানবন্দরে ইরানি অধিনায়ককে আটকে দিল যুক্তরাষ্ট্র টানা ৩ ম্যাচে গোল ভিনির, ইতিহাস বলছে বিশ্বকাপ জিতবে ব্রাজিল জাপানে ৬.৯ মাত্রার ভূমিকম্প মুদি দোকানসহ ১৭ ব্যবসা খাত আসছে ভ্যাটের আওতায় ভিনির নৈপুণ্যে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে ব্রাজিল মেসি-এমবাপ্পের রাজকীয় দ্বৈরথ, জমে উঠছে বিশ্বকাপ

তালিকায় সবার ওপরে বাংলাদেশ, পরে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য…

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০১৯
  • ৪৩ Time View

ভারতের পর্যটনবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী প্রহ্লাদ সিং প্যাটেল ভারতে পর্যটকদের উৎস শীর্ষ ৬০টি দেশের তালিকা দিয়েছেন। ওই তালিকায় সবার ওপরে আছে বাংলাদেশের নাম। ২০১৬ সালে ১৩ লাখ ৮০ হাজার ৪০৯ জন, ২০১৭ সালে ২১ লাখ ৫৬ হাজার ৫৫৭ জন এবং ২০১৮ সালে ২২ লাখ ৫৬ হাজার ৬৭৫ জন বাংলাদেশি পর্যটক ভারত সফর করেছে।

ভারতে পর্যটকদের উৎস দেশের তালিকায় বাংলাদেশের পরেই আছে যথাক্রমে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, শ্রীলঙ্কা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়া, চীন, জার্মানি ও রাশিয়া। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, পর্যটক ভিসার পাশাপাশি অন্যান্য ক্যাটাগরির ভিসা যোগ করলে বাংলাদেশ থেকে ভারতে সফরকারীর সংখ্যা আরো অনেক বেশি হবে।

ভারতে প্রতি পাঁচজন বিদেশি পর্যটকের একজনই বাংলাদেশি। ২০১৬ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত তিন বছরে প্রায় দুই কোটি ৯৪ লাখ বিদেশি পর্যটক ভারত সফর করেছে। তাদের মধ্যে বাংলাদেশি পর্যটকের সংখ্যা প্রায় ৫৮ লাখ। এ সংখ্যা ভারত সফরকারী বিদেশি পর্যটকদের মধ্যে সর্বোচ্চ। গত সপ্তাহে ভারতের লোকসভায় উত্থাপিত এক পরিসংখ্যানে এ তথ্য দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, ২০১৭ সালে বাংলাদেশে ভারতীয় হাইকমিশন ১৩ লাখ ৮০ হাজার ভিসা ইস্যু করেছে। ২০১৮ সালে এ সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪ লাখ ৭০ হাজারে। বর্তমানে সারা বিশ্বের মধ্যে ভারতের সবচেয়ে বড় ভিসা আবেদন কেন্দ্র বাংলাদেশে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দীর্ঘ মেয়াদি ও ‘মাল্টিপল এন্ট্রি’ ভিসা ইস্যু করা হয়। ফলে একই ভিসা নিয়ে একাধিকবার ভারতে যাতায়াত করা যায়। এছাড়া ভারতে আসা যাওয়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট বন্দর ব্যবহারের যে বিধি-নিষেধ ছিল তাও পর্যায়ক্রমে ওঠে যাচ্ছে।

বাংলাদেশি পর্যটক বা ভ্রমণকারীরা ভারত ভ্রমণে উল্লেখযোগ্য অর্থ ব্যয় করার তথ্য ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে আছে। ২০১৭ সালের এপ্রিল মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের সময় নয়াদিল্লিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশে তৎকালীন ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা বাংলাদেশিদের জন্য ভারতীয় ভিসা সহজীকরণের ইতিবাচক দিক হিসেবে এ বিষয়টিও তুলে ধরেছিলেন। ২০১৭ সালের ৮ এপ্রিলের ব্রিফিংয়ে তিনি বলেছিলেন, বাংলাদেশিদের জন্য ভারতের ভিসা সহজীকরণে প্রথম ইতিবাচক দিকটি হলো—ভারত সম্পর্কে আরো ভালো ধারণা তৈরি হয়েছে। দ্বিতীয়ত, এর মাধ্যমে মানুষে মানুষে যোগাযোগ উৎসাহিত হয়েছে। তৃতীয় বিষয়টি সম্ভবত অনেকেরই অজানা। বাংলাদেশিরা ভারতে চিকিৎসা, পর্যটন, দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন বা কেনাকাটা করতে অনেক টাকা ব্যয় করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ