1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ বন্ধ, শিগগিরই ‘রেস্ট্রিক্টেড জোন’ ঘোষণা করবে ইরান সন্তানকে দানের পরও সম্পত্তিতে বাবা-মার অধিকার, আইন পাস জার্মানি ‘আবারও যুদ্ধ চায়’ মন্তব্য রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর লংমার্চের নামে বিরোধী দল গণতন্ত্র বিনষ্টের চেষ্টা করছে : রিজভী সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব ইয়াসমিন বেগমের দায়িত্ব গ্রহণ বিপিএল স্থগিতের খবর জানতেন না ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী দেশের মানুষের মাথাপিছু ঋণ কত জানালেন অর্থমন্ত্রী ১ দফার হুংকার দেবেন না, বিএনপি রাজপথ থেকে উঠে আসা দল : পানিসম্পদমন্ত্রী ওমান উপসাগরে ডুবে গেলো ইরানের তেলবাহী ট্যাংকার মৌসুমের প্রথম হার দেখল রোনালদোরা

‘আইসিসিতে তদন্ত ও বিচারের উদ্যোগ মিয়ানমার মেনে নেবে না’

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ৬৭ Time View

রোহিঙ্গাদের ওপর নির্মম নির্যাতন চালানো মিয়ানমারের সেনাসদস্যদের বিচার আন্তর্জাতিক কোনো আদালতে করা হলে তা মিয়ানমার মেনে নেবে না বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘে সে দেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত কিয়াও মোয়ে তুন।

আন্তর্জাতিক তদন্ত কাঠামো গুরুতর অপরাধে জড়ানো মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর সদস্যদের বিচারের অঙ্গীকার করলেও মিয়ানমার তা প্রত্যাখ্যান করেছে। মিয়ানমারের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত কিয়াও মোয়ে তুন এক বিবৃতিতে বলেন, তাঁর দেশ মিয়ানমারবিষয়ক জাতিসংঘের স্বাধীন সত্যানুসন্ধানী মিশন, আন্তর্জাতিক স্বাধীন তদন্ত কাঠামো প্রত্যাখ্যান করেছে। মিয়ানমার সরকার নিজেই তার দেশে জবাবদিহির বিষয়টি নিশ্চিত করতে আগ্রহী। আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালত (আইসিসি) বা বাইরের কারো তদন্ত ও বিচারের উদ্যোগ মিয়ানমার মেনে নেবে না।

এর আগে গত সোমবার মিয়ানমারবিষয়ক আন্তর্জাতিক তদন্ত কাঠামোর প্রধান নিকোলাস কোমজিয়ান তাঁদের কর্মকাণ্ড নিয়ে মানবাধিকার পরিষদে প্রতিবেদন উপস্থাপনকালে বলেছিলেন, ‘মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর উদ্দেশ্যে বলতে চাই—আমরা সব দেখছি। আমরা অপরাধের বিচার নিশ্চিত করব।’

এর পরদিনই মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত মানবাধিকার পরিষদকে জানান, স্বাধীন সত্যানুসন্ধানী মিশন, আন্তর্জাতিক স্বাধীন তদন্ত কাঠামো সৃষ্টি করা—এগুলো জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের এখতিয়ারের বাইরে। মিয়ানমারের গণতন্ত্র, শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় এগুলো কোনো কাজে আসবে না। এসব কাঠামো ও মিশন সৃষ্টি করে বিপুল অর্থ অপচয় করা হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ