1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
র‍্যাবকে রাজনৈতিকভাবে এক ঘণ্টার জন্যও ব্যবহার করিনি, কেউ প্রমাণ দেখাতে পারবে না: বাবর নতুন বছরে জ্বালানি তেলের দাম কমলো লিটারে ২ টাকা হাদি হত্যাকাণ্ডে ফয়সালের নির্দোষ দাবির ভিডিও, ডিবি বলছে—প্রমাণই শেষ কথা চীন ও তাইওয়ানের এক হওয়া কেউ ঠেকাতে পারবে না: শি জিনপিং গাইবান্ধায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার মুস্তাফিজ ইস্যুতে শাহরুখকে ‘গাদ্দার’ বললেন বিজেপি নেতা দেশের রিজার্ভে ঊর্ধ্বগতি, ছাড়াল ৩৩ বিলিয়ন ডলার দেশে দেশে নতুন বর্ষ বরণ খালেদা জিয়ার হত্যার দায় থেকে ফ্যাসিবাদী হাসিনা কখনোই মুক্তি পাবেন না এক ঐতিহাসিক বিদায়, যা দেশের মানুষের জন্য যথাযথ শ্রদ্ধার সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে: তারেক রহমান

প্রথম মুসলিম অর্থমন্ত্রী পেলো ব্রিটেন

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই, ২০১৯
  • ২৪ Time View

পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত সাজিদ জাভিদ ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন সরকারের অর্থমন্ত্রী হয়েছেন। তিনিই দেশটির প্রথম মুসলিম অর্থমন্ত্রী। তার আগে কোনো মুসলিম বংশোদ্ভুত ব্রিটিশ নাগরিক ব্রিটেনের অর্থমন্ত্রী হয়নি।

বিবিসি জানায়, বুধবার রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের কাছে সরকার গঠনের অনুমতি নেন বরিস জনসন। এরপরই তিনি নিজের মন্ত্রিসভার অর্থমন্ত্রী হিসেবে সাজিদের নাম ঘোষণা করেন।

থেরেসা মে পদত্যাগের পর পরবর্তী ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হওয়ার লড়াইয়ে তিনিও ছিলেন। তাকে যুক্তরাজ্যের প্রথম মুসলিম প্রধানমন্ত্রী হিসেবেও ধরা হচ্ছিল।

কিন্তু তাকে ছাপিয়ে কনজারভেটিভ নেতা হওয়ার পথে এগিয়ে যান পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেরেমি হান্ট এবং সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন। পরবর্তীতে দলীয় ভোটে জেরেমিকে হারিয়ে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন বরিস জনসন।

৪৯ বছর বয়সী এই মুসলিম কনজারভেটিভ এমপি থেরিজা মে সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন। প্রথম কোনো মুসলিম হিসেবে যুক্তরাজ্যের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং স্পর্শকাতর এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান তিনি।

সাজিদ জাভিদের বাবা ১৯৬০ এর দশকে পাকিস্তান থেকে এদেশে এসে প্রথমে কাপড়ের কারখানায় শ্রমিক হন। পরে বাস চালাতেন।

জাভিদ পড়াশোনা করেন অর্থনীতি বিষয়ে। মাত্র ২৫ বছর বয়সেই মার্কিন চেজ মানহ্যাটন ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট হন তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকতেই ২০ বছর বয়সে কনজারভেটিভ পার্টিতে যোগ দেন তিনি। পরবর্তীতে ব্যাংকিং পেশা থেকে পুরোদমে রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। ২০১০ সালে ব্রোমসগ্রোভ থেকে নির্বাচন করে পার্লামেন্ট সদস্য হন তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ