1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ০৮:২৩ অপরাহ্ন

ধর্ষণ ও হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা, র‍্যাবের জালে দিপ্তীর ঘাতক

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২০ জুলাই, ২০১৯
  • ৩৬ Time View

মাদারীপুর সদর উপজেলার চরনাচনার গ্রামের বলাইরচর শামসুন্নাহার বালিকা দাখিল মাদরাসার দশম শ্রেণির ছাত্রী একই গ্রামের মজিবর ফকিরের মেয়ে সানজিদা আক্তার দিপ্তীর হত্যাকারী মাদারীপুর পৌরসভার পূর্ব খাগদী এলাকার মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে ইজিবাইকচালক মো. সাজ্জাদ হোসেন খানকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন ৮, ক্রাইম প্রিভেনশন কম্পানি ৩, মাদারীপুর ক্যাম্পের সদস্যরা।

আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় র‌্যাব ৮ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক (অ্যাডিশনাল ডিআইজি) আতিকা ইসলাম প্রেস ব্রিফিং করে সাংবাদিকের এ কথা জানান। এ সময় গ্রেপ্তারকৃত আসামী মো. সাজ্জাদ হোসেন খানের স্বীকারোক্তি উল্লেখ করে দিপ্তীর হত্যার ঘটনা বর্ণনা করেন তিনি।

অতিরিক্ত ডিআইজি আতিকা ইসলাম প্রেস ব্রিফিং এ জানান, ১৩ জুলাই একটি অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার হয়। পরে ১৪ জুলাই মাদরাসাছাত্রী দিপ্তীর লাশ হিসাবে পরিচয় পাওয়ার পর থেকে বিষয়টি নিয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাজুল ইসলামের নেতৃত্বে কাজ শুরু করে মাদারীপুর র‌্যাব ক্যাম্পের সদস্যরা। লাশ উদ্ধার হওয়া পরিত্যক্ত পুকুরে ১৮ জুলাই আবার তল্লাশি করে র‌্যাব। সেখান থেকে দিপ্তীর পোশাক, ইট ও সিমেন্টের বস্তা পাওয়া যায়। এরই সূত্র ধরে র‌্যাব ব্যাপক তদন্ত শুরু করে। তাদের তদন্তে ১৯৯২ সালে শিশু হত্যা করার অপরাধে যাবজ্জীবন কারাভোগ করে ২০১১ সালে মুক্তি পাওয়া ইজিবাইকচালক মো. সাজ্জাদ হোসেন খান জড়িত আছে বলে সন্দেহ হয়। তাই সাজ্জাদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র‌্যাব ক্যাম্পে নিয়ে আসে। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে সাজ্জাদ র‌্যাবের কাছে দিপ্তীকে ধর্ষণ ও হত্যা করার কথা স্বীকার করে।

সাজ্জাদ হোসেনের স্বীকারোক্তির কথা উল্লেখ করে র‌্যাব ৮ এর কমান্ডিং অফিসার আতিকা ইসলাম আরো জানান, ১১ জুলাই বোনের বাসা থেকে শহরের চরমুগরিয়ায় চাচার বাসায় যাওয়ার জন্য ইটেরপুল এলাকা থেকে একটি ইজিবাইকে ওঠে। ইজিবাইকে আর কোনো যাত্রী না থাকায় এবং প্রচুর বৃষ্টি থাকায় ইজিবাইকচালক সাজ্জাদ হোসেন জোর করে মুখ চেপে দিপ্তীকে পূব খাগদী এলাকার নিজের খালি বাড়িতে নিয়ে যায়। পরে চেতনানাশক দিয়ে দিপ্তীকে অচেতন করে ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে দিপ্তী অসুস্থ হয়ে পড়লে গলা টিপে তাকে হত্যা করা হয়। পরে গলায় ইট বেঁধে নিহতের লাশ সিমেন্টের বস্তায় ভরে গুম করার জন্য বিদ্যুতের তার দিয়ে কয়েকটি ইটসহ দিপ্তীর পোশাকবিহীন লাশটি বেঁধে পরিত্যক্ত পুকুরে ফেলে দেয়। দুই দিন পর লাশটি ভেসে উঠলে দিপ্তী হত্যার ঘটনাটি সামনে চলে আসে।

উল্লেখ্য, ১৩ জুলাই মাদারীপুরের পূব খাগদী এলাকার একটি পরিত্যক্ত পুকুর থেকে নগ্ন ও বিকৃত অবস্থায় এক কিশোরীর লাশ উদ্ধার করে মাদারীপুর মর্গে পাঠায় পুলিশ। পরের দিন দিপ্তীর বাবা হাসপাতালে এসে লাশটি তার মেয়ে দিপ্তীর বলে নিশ্চিত করেন এবং অজ্ঞাতনামা আসামি করে মাদারীপুর সদর থানায় একটি মামলা করে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ