খালেদা জিয়া যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতে মাঠে নেমেছেন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ। তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতে মাঠে নেমেছেন। কিন্তু দেশের মানুষ যুদ্ধাপরধীদের বিচার
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, ‘আমার কাঁধে ভর দিয়ে আর কেউ ক্ষমতায় যেতে পারবে না। জাতীয় পার্টি কারো ক্ষমতার মই হবে না।’ তিনি বলেন, ‘আগামীতে জাতীয় পার্টি একক
যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবি জানিয়ে ছাত্রলীগের ৬৪তম জন্মদিন পালন করলো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রলীগ। এ উপলক্ষে বুধবার বেলা ১২টার দিকে ছাত্রলীগের ৬৪তম জন্মদিন উপলক্ষে প্রতিটি হল থেকে মিছিল নিয়ে ক্যাম্পাসের
আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেছেন, ‘মানবতাবিরোধীদের বিচারের মধ্যে দিয়ে বিশ্বের কাছে প্রতীয়মান হচ্ছে যে বাংলাদেশে আইনের শাসন কায়েম রয়েছে।’ বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ
নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার যখন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্য শেষ করার জন্য কাজ করছে ঠিক তখনই মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীরা বিচার বন্ধের জন্য ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। ’৭১ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ
জিয়াউর রহমান এদেশে যুদ্ধাপরাধীদের পুনর্বাসন করেছিলেন। খালেদা জিয়া তারই অনুসারী হিসেবে মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মুহম্মদ মুজাহিদ এবং অন্যান্য রাজাকারদের পতাকা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে চরম অবমাননা করেছেন। বৃহস্পতিবার সকালে
আইন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেছেন, ১৮ ডিসেম্বর বোমাবাজির ঘটনার স্পষ্ট দলিল আছে। তদন্তে নাম বেরিয়ে আসলে জড়িতরা যতো বড় নেতাই হোন না কেন, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। শুক্রবার
রেলমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেছেন, যুদ্ধাপরাধীরা বুঝতে পেরেছে তাদের সময় শেষ হয়ে এসেছে। এজন্য তারা বোমা, ককটেল নিয়ে রাজপথে অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ড লিপ্ত হয়েছে। রোববার রাতে
চৌদ্দ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস আর ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে বিএনপির আলোচনা অনুষ্ঠান দুটিতে খালেদা জিয়া ছিলেন না। দুদিনেই অবশ্য যথারীতি মিরপুরের বুদ্ধিজীবী স্মৃতি আর সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিতে
যুদ্ধাপরাধী ও নিজের দুনীতি মামলার বিচার করা দেখে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মাথা ঠিক নেই বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। সেই সঙ্গে