করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে উদ্ভুত পরিস্থিতি বিবেচনায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) থেকে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) সরবরাহকৃত নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রী বিক্রি শুরু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে ডিআরইউ সভাপতি রফিকুল ইসলাম আজাদ
নভেল করোনাভাইরাস (কভিড-১৯) মহামারি মোকাবিলায় সহযোগিতার বিষয়ে জন্য বিশেষ বৈঠক ডেকেছে বিশ্বের মুসলিম দেশগুলোর জোট ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি)। আগামীকাল ২২ এপ্রিল ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ওআইসি
বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত ১৭০ জন চিকিৎসকের করোনাভাইরাস (কভিড-১৯) শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে চিকিৎসকদের একটি সংগঠন। এ ছাড়াও ৪০০ জন চিকিৎসক করোনাভাইরাস সতর্কতায় কোয়ারেন্টিনে আছেন। চিকিৎসকদের ওই সংগঠনের হিসাবে প্রায় ৮০
ছোট দুই সন্তান ও কোলের দুই মাসের এক বাচ্চাসহ কলাবাগানের একটি বাসায় ৬ মাস আগে ভাড়াটিয়া হিসেবে উঠেছিলেন সেলিম হোসেন। তিনি একটি দোকানে কাজ করতেন। করোনা ভাইরাসের কারণে বলা চলে
মালদ্বীপ থেকে দেশে ফিরছেন আগ্রহী প্রবাসীরা। এ ব্যাপারে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। রাজধানী মালে ও পার্শ্ববর্তী হুলুমালেতে থাকা এমন ৩১ জন বাংলাদেশিকে গতকাল সোমবার লাগেজসহ প্রস্তুত থাকতে বলেছে মালদ্বীপের বাংলাদেশ হাইকমিশন।
রমজানকে সামনে রেখে বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ছে। তাই সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য কিনতে দিন দিন ভিড় বাড়ছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর বিক্রয়কেন্দ্রে। ন্যায্যমূল্যে ছোলা, চিনি, মসুর ডাল ও
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, করোনা পরিস্থিতি এখনও বাংলাদেশ যথেষ্ট ভালো। যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হাজার হাজার মানুষ মারা যাচ্ছে, সেখানে আমরা ভালো আছি। আমরা বার বার ঘরে থাকার অনুরোধ জানাচ্ছি।
করোনাভাইরাস প্রতিরোধ ও ক্ষতিগ্রস্তদের জেলা পর্যায়ে ত্রাণ কার্যক্রম সমন্বয়ের লক্ষ্যে সরকারের জ্যেষ্ঠ সচিব, সচিব এবং সচিব পদমর্যাদার ৬৪ সচিবকে ৬৪ জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এ
কক্সবাজারের স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সহায়তা কর্মসূচীর অংশ হিসেবে কক্সবাজার ডিসি কলেজের জন্য একটি ১৬-সিটের মাইক্রোবাস দিল আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)। পাশাপাশি চলমান মহামারী করোনা (কভিড-১৯) পরিস্থিতিতে সহায়তা কর্মসূচীর অংশ হিসেবে আইওএম
আর দেরি নয়, মানুষকে ঘরে রাখতে এখনই আইনের কঠোর প্রয়োগ চান আইন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, দেশে যখন করোনা রোগী শনাক্ত হলো, তখনই সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ সংক্রান্ত আইনের কঠোর প্রয়োগ করা