পদ্মাসেতুতে অর্থায়নে বিশ্বব্যাংক অবশেষে ইতিবাচক মনোভাব দেখাতে শুরু করেছে। আর এক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন বিশ্বব্যাংকে বাংলাদেশের বিকল্প নির্বাহী পরিচালক ড. মোহাম্মদ তারেক। অর্থমন্ত্রণালয়ের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র এতথ্যের সত্যতা নিশ্চিত
সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর উৎপাদিত পণ্যের ৭৫ ভাগ বাজার দরে সরকারকেই কেনার সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি। এ প্রতিষ্ঠানগুলোকে লাভজনক করতেই এ সুপারিশ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনে সরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত সংসদীয়
এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে আন্তর্জাতিক ডকুমেন্ট এক্সপ্রেস সার্ভিস ডিএইচএল এক্সপ্রেসের কর্পোরেট চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান বৃহস্পতিবার ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এ চুক্তির মাধ্যমে এখন থেকে এক্সিম ব্যাংক দেশের বাইরে যে কোনো
হলমার্কের ঋণ জালিয়াতির ঘটনায় দুদকের অনুসন্ধানে সরকারের প্রভাবশালী একাধিক ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে। এরমধ্যে সরকারের এক উপদেষ্টা হলমার্ক কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন(দুদক)। হলমার্ক ও সোনালী
সোনালী ব্যাংক থেকে হলমার্কের অর্থ জালিয়াতির ঘটনাকে কেন্দ্র করে অর্থমন্ত্রী ও বাংলাদেশ ব্যাংক দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের বক্তব্য থেকে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়েছে। সোনালী ব্যাংকের
‘পদ্মাসেতুতে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নের বিষয়ে সব মহল থেকে সমর্থন পাচ্ছি’। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এ কথা বলেছেন। বুধবার দুপুরে অর্থ মন্ত্রণালয়ের নিজকক্ষ থেকে বের হওয়ার পর তিনি সাংবাদিকদের একথা বলেন।
সোনালী ব্যাংক থেকে হলমার্কের অর্থ জালিয়াতির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ। একই সঙ্গে এমন ঘটনার যাতে পুনরাবৃত্তি না হয় তার জন্য স্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করতে বাংলাদেশ
বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি আমদানিতে আগ্রহী ওমানের আল বাদি গ্রুপ। বুধবার শ্রম, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান। এর আগে সচিবালয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে
গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণার অন্ত নেই ডাচ-বাংলা ব্যাংকের (ডিবিবিএল)। অত্যাধুনিক ব্যাংকিং সেবার নামে প্রতারণার সুচারু ফাঁদ পেতে রেখেছে ডাচ-বাংলা। বাংলানিউজের অনুসন্ধানে একে একে রেবিয়ে আসছে ব্যাংকটির প্রতারণার তথ্য। গ্রাহকদের অভিযোগ, সেবার
সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে (২০১১-১২) বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা মুনাফা তার আগের অর্থবছরের তুলনায় ২০ দশমিক ৪৮ শতাংশ কম হয়েছে। ২০১০-১১ অর্থবছরে বাংলাদেশ ব্যাংক মুনাফা করে আট হাজার ৮০০ কোটি টাকার ওপরে।