1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বিদেশি বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ পাঠানোর নিয়ম সহজ করল বাংলাদেশ ব্যাংক মাগুরায় যুবদল নেতা হত্যা: জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক গ্রেপ্তার রাজশাহীতে খাবার ও কেনাকাটায় যুক্ত হল ফুডি আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার রায় ১৯ নভেম্বর বাংলাদেশে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ, নজরে রাখছে ভারত: জয়সোয়াল সরকারের প্ল্যান শুধু দফায় দফায় দাম বাড়ানো ব্যবসা বাড়াতে ‘যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ’ গঠনে সম্মত বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়া ‘এক্সপোর্ট মনিটরিং’ নিয়ে এসবিএসি ব্যাংকে কর্মশালা খুলনায় ৫ নভেম্বর বসছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ সিজন-২’র বড় আসর মেসি-পরবর্তী আর্জেন্টিনার প্রথম দল ঘোষণা

হাওরের বুক চিরে আর সড়ক নয়: পরিকল্পনামন্ত্রী

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৩
  • ৫৯ Time View

হাওরের বুকে সড়ক তৈরি স্থায়ী কোনো সমাধান নয় বলে মনে করেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তিনি বলেন, হাওরের বুক চিরে আর কোনো সড়ক নয়। এখন থেকে হাওরে উড়াল সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

শনিবার (১৪ জানুয়ারি) বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) ও বাংলাদেশ এনভায়রনমেন্ট নেটওয়ার্কের (বেন) বার্ষিক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী মোতাহার হোসেন ভবন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে প্রতিপাদ্য ছিল ‘বাংলাদেশের হাওর, নদী ও বিল: সমস্যা ও প্রতিকার’।

দেশের হাওর ও উপকূলে অপরিকল্পিত অবকাঠামো নির্মাণের ফলে বন্যা ও জলাবদ্ধতার সমস্যা বাড়ছে। তাই উন্নয়ন প্রকল্প করার ক্ষেত্রে নদী, জলাশয় ও হাওরের পরিবেশ এবং প্রকৃতিকে মাথায় রাখতে হবে। এতে দেশের উন্নয়ন টেকসই হবে ও জনগণের ভোগান্তি হবে না বলে মনে করেন বক্তারা।

সম্মেলনের কারিগরি অধিবেশন শুরুর আগে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। হাওরে এখন থেকে আর কোনো রাস্তা নির্মাণ করা হবে না উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সেখানকার ভূমিরূপ ও প্রতিবেশ ব্যবস্থাকে মাথায় রেখে সরকার একটি উড়াল সড়ক নির্মাণ করছে। আরেকটি উড়াল সড়কও নির্মাণ করা হবে।

পরিবেশ ধ্বংস করে সরকার কোনো উন্নয়ন প্রকল্প করবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা টেকসই উন্নয়নে বিশ্বাসী। যেভাবে উন্নয়ন করলে পরিবেশ রক্ষা হয় সেভাবেই (উন্নয়ন প্রকল্প) করা হবে।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সম্মেলনের প্রস্তুতি কমিটির সদস্যসচিব অধ্যাপক মো. খালেকুজ্জামান। তিনি বলেন, হাওরে রাস্তা নির্মাণের আগে আমরা গবেষণা করে দেখিয়েছিলাম ওই রাস্তার অন্তত ৩০ শতাংশ এলাকা কালভার্ট ও সেতু নির্মাণের মাধ্যমে ফাঁকা রাখতে হবে। নয়তো উজানে বৃষ্টি শুরু হলে তা ওই রাস্তায় আটকে গিয়ে বন্যা দীর্ঘস্থায়ী ও তীব্র হবে। কিন্তু দেখা গেছে মাত্র আড়াই শতাংশ জায়গা ফাঁকা রাখা হয়েছে। অন্যদিকে হাওর এলাকার বৃষ্টিপাতের দীর্ঘমেয়াদি তথ্য পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে, সেখানে আগে মে মাসে বেশি বৃষ্টি হতো। বৃষ্টি শুরু হওয়ার আগেভাগে সেখানকার একমাত্র ফসল বোরো ধান পেকে যেতো। ফলে কৃষকের ক্ষতি হতো না। এখন এপ্রিলে বৃষ্টি বাড়ছে। ফলে ধান পাকার আগে বন্যা এসে তা ডুবিয়ে দিচ্ছে।

জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান মো. মুজিবর রহমান হাওলাদার বলেন, দেশের নদ-নদীগুলোর দখলদারদের চিহ্নিত করে তালিকা প্রকাশ করেছে নদী রক্ষা কমিশন। এখন আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে ওই তালিকা অনুযায়ী দখলদারদের উচ্ছেদ করা। যাতে নদীগুলো তাদের স্বাভাবিক প্রবাহে চলতে পারে।

বেনের প্রতিষ্ঠাতা ও বাপার সহ-সভাপতি অধ্যাপক নজরুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় একসময় অষ্টমাসি বাঁধব্যবস্থা প্রচলিত ছিল। বছরের আট মাস বাঁধ দিয়ে ফসল ফলানো হতো। বাকি সময় তা কেটে দিয়ে পানি প্রবেশ করতে দেওয়া হতো। কিন্তু বিদেশি পরামর্শকদের বুদ্ধিতে সরকার উপকূলজুড়ে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করেছে। যার ফলাফল হিসেবে আজকে দেশের উপকূলে দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ