দলে ফিরেছেন দুই জন, ডাক পেয়েছেন নতুন একজন।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস
আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে লিওনেল মেসির অবসরের পর প্রথম স্কোয়াড ঘোষণা করেছেন আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি। উরুগুয়ে ও কোস্টা রিকার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচের জন্য দলে ফিরেছেন গন্সালো মনতিয়েল ও মারিয়ানো ত্রোলিও। প্রথমবারের মতো জাতীয় দলে ডাক পেয়েছেন চেলসির ডিফেন্ডার আরন আনসেলমিনো।
বছরের শেষ আন্তর্জাতিক বিরতির দুটি ম্যাচের জন্য মঙ্গলবার ২৮ সদস্যের দল দিয়েছেন স্কালোনি। চোটের কারণে দলে নেই নতুন অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো, লাউতারো মার্তিনেস ও নিকোলা হন্সালেস। রদ্রিগো দে পল ও শিওভানি লো সোলসোকে দলে রাখা হয়নি।
দলে পরিচিত অনেক নামের ভিড়ে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য এমিলিয়ানো মার্তিনেসের উপস্থিতি। গত মাসে চোয়ালের ভয়াবহ চোটের কারণে অস্ত্রোপচারের পর ক্লাব চেলসির হয়ে এখনও মাঠে নামার সুযোগ পাননি এই গোলরক্ষক। তাকে না পাওয়ার সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখেই হয়তো স্কালোনি আরও তিন জন গোলরক্ষককে দলে ডেকেছেন- খেরোনিমো রুলি, হুয়ান মুসো ও সান্তিয়াগো বেলত্রান।
দলের একমাত্র নতুন মুখ ২১ বছর বয়সি আনসেলমিনো। বোকা জুনিয়র্সের যুব পর্যায় থেকে উঠে আসা এই সেন্টার-ব্যাককে আর্জেন্টিনার ফুটবলের উজ্জ্বল প্রতিভাদের একজন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। স্বদেশের ক্লাবটির হয়ে ২০টিরও কম ম্যাচ খেলার পরই, ২০২৪ সালের অগাস্টে সাত বছরের চুক্তিতে চেলসিতে যোগ দেন তিনি।
তবে চোটের কারণে নিজের পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারেননি এই তরুণ। ইংলিশ ক্লাবটি থেকে ধারে বরুশিয়া ডর্টমুন্ডে গিয়ে তিনি ভালো পারফরম্যান্স উপহার দেন। পরবর্তীতে স্ত্রাসবুর আরও একটি সংক্ষিপ্ত সময় ধারে কাটানোর পর চেলসিতে ফিরে আসেন। কিন্তু মালয়েশিয়ার জোহরের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচে তিনি আবারও চোটে পড়েন এবং এখন পর্যন্ত শাবি আলোন্সোর দলের হয়ে কোনো ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি।
আরেক সেন্টার-ব্যাক ২৩ বছর বয়সি ত্রোলিও দ্বিতীয়বার জাতীয় দলে ডাক পেলেন। এর আগে ২০২৫ সালের মে মাসে চিলি ও কলম্বিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচের জন্য তাকে দলে ডেকেছিলেন স্কালোনি; তবে সেবার কোনো ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি।
আর ২৯ বছর বয়সি রাইট-ব্যাক মনতিয়েল গত বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে ১-০ গোলে হারের পর এই প্রথম দলে জায়গা পেলেন। সোমবার সুপারক্লাসিকোতে রিবার প্লেইতের হারের ম্যাচে লাল কার্ড দেখেন বিশ্বকাপজয়ী এই ডিফেন্ডার।
২০২২ বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক মেসি গত ৬ অক্টোবর বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে জাতীয় দলের হয়ে বর্ণাঢ্য ও গৌরবময় যাত্রার ইতি টানেন। তারপর প্রথমবার খেলতে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা।
আগামী ১৩ নভেম্বর বুয়েনস আইরেসের লা বোম্বোনেরা স্টেডিয়ামে উরুগুয়ের মুখোমুখি হবে তিনবারের বিশ্বকাপজয়ীরা। আর কর্দোবায় মারিও আলবের্তো কেম্পেস স্টেডিয়ামে কোস্টা রিকার বিপক্ষে ম্যাচটি হবে ১৭ নভেম্বর।
গোলরক্ষক: এমিলিয়ানো মার্তিনেস, খেরোনিমো রুলি, হুয়ান মুসো, সান্তিয়াগো বেলত্রান
ডিফেন্ডার: গন্সালো মনতিয়েল, আগুস্তিন চিয়াই, আরন আনসেলমিনো, মারিয়ানো ত্রোলিও, লিওনার্দো বালের্দি, লিসান্দ্রো মার্তিনেস, ফাকুন্দো মেদিনা, নিকোলাস তালিয়াফিকো, রোমান ভেগা
মিডফিল্ডার: এসেকিয়েল ফের্নান্দেস, মাক্সিমো পেরোনে, এসেকিয়েল পালাসিওস, ভালেন্তিন বার্কো, আলেক্সিস মাক আলিস্তের, এন্সো ফের্নান্দেস, নিকো পাহ, মাতিয়াস সুলে, ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়োনো, থিয়াগো আলমাদা
ফরোয়ার্ড: জুলিয়ানো সিমেওনে, জানলুকা প্রেস্তিয়ানি, হোসে মানুয়েল লোপেস, সান্তিয়াগো কাস্ত্রো, হুলিয়ান আলভারেস।
হাইড্রোজেনের ভবিষ্যৎ: সম্ভাবনা বিপুল, কিন্তু অর্থনীতির পরীক্ষায় এখনো প্রস্তুত নয়
ব্রাজিলে লুলা দ্য সিলভার বিজয়ের বৈশ্বিক গুরুত্ব
মানুষ, প্রাণী ও প্রকৃতি: গ্রামীণ প্রেক্ষাপটে ওয়ান হেলথের গুরুত্ব
বন সংরক্ষণের সিদ্ধান্তে আদিবাসীদের কথা কতটা শোনা হচ্ছে?