1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ট্রাক্টরের পেছনে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, ব্যাংক কর্মচারী নিহত তাইজুলের ফর্ম নিয়ে প্রবল দুর্ভাবনায় কোচ আন্তর্জাতিক মানের ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা গড়তে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ-রাশিয়া অর্থনৈতিক সহযোগিতা চুক্তি সংক্রান্ত বৈঠক বৃহস্পতিবার জানুয়ারিতে কোহলি-বুমরাহদের বাংলাদেশে পাঠাতে রাজি ভারত! মেসি-রোনালদোর সঙ্গে খেলতে না পারার আক্ষেপ কেইনের যৌন হয়রানি নিয়ে বিসিবির তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে না: বিসিবির আইনজীবী ইসলামী ব্যাংকিংয়ে ব্রুনাইকে বিনিয়োগের আহ্বান বাংলাদেশের নওগাঁয় ট্রাকচাপায় ব্যাংক কর্মচারী নিহত আওয়ামী লীগ আমলে ভুয়া ঠিকানা দেখিয়ে জেলা কোটায় চাকরি নেন ১১৭৩ কনস্টেবল

ঢাকায় কাল শুরু সাফ ফুটবল, উত্তাপ কোথায়

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬
  • ১৭ Time View

এক দিন পর দেশের মাঠে ‘দক্ষিণ এশিয়ার বিশ্বকাপ’ হিসেবে পরিচিত সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। কিন্তু এত বড় টুর্নামেন্ট যে আয়োজন হতে যাচ্ছে, আদৌ কি ঢাকায় সেটার কোনো উত্তাপ টের পাওয়া যাচ্ছে? উন্মাদনার রেণু ছড়াতে সাফ আয়োজনে দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবল সংস্থা কিংবা আয়োজক সংস্থা বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারশন (বাফুফে) কী কী উদ্যোগ নিয়েছে, সে প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে দেখা যাচ্ছে সাফ আর বাফুফে যেন মুখোমুখি!

এখনকার সময়ে একটা ক্রীড়া আয়োজন জমিয়ে তুলতে চমকে দেওয়া সব উদ্যোগ নিয়ে থাকে আয়োজকেরা। অথচ ঢাকার মাঠে হতে যাওয়া সাফের উত্তাপের আঁচ টের পাওয়া যাচ্ছে না সেভাবে। কীভাবে দেখা যাবে? সেভাবে নেই ব্যানার-প্ল্যাকার্ড, কাল পর্যন্ত জানা যায়নি ট্রফি উন্মোচনের খবর, থিম সংয়ের ব্যাপক প্রচার কোথায়, ডিজিটাল মাধ্যমে আয়োজন চোখে পড়ে না, টিকিট বিক্রিতে ভাটা—কে বলবে ৮ বছর পর আবারও সাফের আয়োজক বাংলাদেশ।

সাফের আয়োজন নিয়ে বাফুফের কম্পিটিশন কমিটির চেয়ারম্যান গোলাম গাউস গতকাল আজকের পত্রিকাকে বলেছেন, ‘সব করছে সাফ আর তাদের ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট। এখানে আমরা তো কিচ্ছু না! বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন বা আমরা কেউ না, কম্পিটিশন কমিটি কিচ্ছু না। সাফের লোকজন এসে করে যাচ্ছে সব। ওরা এক ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে করাচ্ছে। আমাদের দিয়ে শুধু কামলা খাটিয়ে নিচ্ছে! আমাদের সহযোগিতা নিচ্ছে, আমরা সেটা করছি।’

বোঝাই যাচ্ছে, সামগ্রিক আয়োজন নিয়ে বাফুফের নীতিনির্ধারকেরাই খুব একটা সন্তুষ্ট নন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়ালের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।

আর বর্তমানে সাফের সভাপতি ও বাফুফের সাবেক সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বাফুফেকে জিজ্ঞেস করুন। তারা তো (টুর্নামেন্টের) আয়োজক সংস্থা। বলতে গেলে তো অনেক কথাই বলতে হয়। এখন ব্যস্ত আছি, পরে বিস্তারিত কথা হবে।’

সাফ নিয়ে উন্মাদনা যেমনই থাকুক, এরই মধ্যে দলগুলো আসতে শুরু করেছে ঢাকায়। দক্ষিণ এশীয় ফুটবলের বৃহৎ এই আয়োজনের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে বাংলাদেশও। তবে কতটা প্রস্তুত বাংলাদেশ দল? শুরু থেকে দলের সব খেলোয়াড়কে একসঙ্গে পাননি কোচ টমাস ডুলি। প্রবাসী ফুটবলারদের কেউ কেউ পরে যোগ দিয়েছেন ক্যাম্পে। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে বড় ধাক্কা হয়ে এসেছে রোনান সুলিভানকে না পাওয়া। চোটের কারণে শেষ মুহূর্তে দল থেকে ছিটকে গেছেন যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী এই স্ট্রাইকার। তারপরও স্বাগতিক বাংলাদেশকে টুর্নামেন্টের অন্যতম দাবিদার হিসেবে দেখছে প্রতিপক্ষরা। ঢাকায় এসে ভারতীয় কোচ নওশাদ মুসা বাংলাদেশের প্রশংসা করেছেন। তাঁর চোখে এবারের প্রতিযোগিতার সবচেয়ে শক্তিশালী দল বাংলাদেশ। ফাইনালেও স্বাগতিকদের মুখোমুখি হওয়ার প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন তিনি। ঢাকা বিমানবন্দরে সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেছেন, ‘আমার বিবেচনায় এই মুহূর্তে বাংলাদেশই টুর্নামেন্টের সবচেয়ে শক্তিশালী দল।’

দক্ষিণ এশীয় এই টুর্নামেন্টে ভারত বরাবরই ফেবারিট। ১৯৯৩ সালে প্রথম শিরোপা জয়ের পর আরও আটবার—১৯৯৭, ১৯৯৯, ২০০৫, ২০০৯, ২০১১, ২০১৫, ২০২১ ও ২০২৩ সালে শিরোপা জিতেছে তারা। সর্বোচ্চ ৯ বারের চ্যাম্পিয়ন দল তারা হলেও এবার ভারত খেলতে এসেছে দ্বিতীয় সারির দল নিয়ে। দলের বেশির ভাগ ফুটবলারই অনূর্ধ্ব-২৩ দলের। এ মাসেই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুটি প্রীতি ম্যাচ থাকায় সাফের জন্য পাঠিয়েছে দ্বিতীয় সারির দল। তবে গত সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে পানামা, ব্রাজিল ও উরুগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচের জন্য ঘোষিত সেই দল থেকে এবারের সাফের দলে আছেন ৬ ফুটবলার। তারপরও নিজেদের সাফল্য নিয়ে আশাবাদী সাফে ভারতীয় দলের কোচ নওশাদ মুসা, ‘যে দলটি পেয়েছি, সেটিও খারাপ নয়। আমাদের দলটিও শক্তিশালী। আশ করি ফাইনালে বাংলাদেশের মুখোমুখি হব।’

বাংলাদেশ উৎসবের অপেক্ষায় থাকলেও আয়োজনের প্রচার-প্রচারণা নিয়ে হতাশ দেশের ফুটবলপ্রেমীরা। অথচ এক দিন পরই টুর্নামেন্ট শুরু। সব সীমাবদ্ধতা ও সমালোচনার মধ্যেই শুরু হতে যাচ্ছে টুর্নামেন্ট। একদিকে ঘরের মাঠে সাফল্যের প্রত্যাশা, আরেক দিকে প্রত্যাশার বাস্তবায়নের লড়াই। সব মিলিয়ে ফুটবল-উৎসবের রং কতটা ছড়াতে পারে, সেটাই দেখার।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ