1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে কিশোরগঞ্জে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত স্কিনো’র ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী নীহা শাহরুখের প্রথম সিনেমা নিয়ে রোমাঞ্চকর ও অজানা গল্প যেভাবে বলিউডের ‘কিং খান’ হয়ে উঠলেন শাহরুখ বেতন বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিক বিক্ষোভ, গাজীপুরে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন সেভেন সিস্টার্সে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য বাংলাদেশের সাহায্য চেয়েছে ভারত এবার পোশাক শ্রমিকদের ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সংযোগ সড়ক অবরোধ ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে এবার সড়কে নারায়ণগঞ্জের পোশাক শ্রমিকরা মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন, প্রভাব পড়বে কানাডার বাণিজ্য ও অর্থনীতিতে মোটরসাইকেলের সামনের নম্বরপ্লেটে নতুন নিয়ম, লিখতে হবে যেভাবে

সন্দেহের শিকার হচ্ছেন প্যারিসের বাংলাদেশীরা

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১৫
  • ১৮৭ Time View

প্যারিসে ব্যাপক হামলার পরের দিনটি আতঙ্কে কাটিয়েছেন শহরে বসবাসরত বাংলাদেশীরা। 4অনেকেই ঘর থেকে বের হননি। যারা বের হয়েছেন, তাদের মনে হচ্ছে সবাই যেন তাদের সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখছে। নিজেরাও ভুগছেন সন্দেহ আর অবিশ্বাসের দোলাচলে। আজ রবিবার এক প্রতিবেদনে বিবিসি এমনটাই জানিয়েছে। প্যারিসের একটি দোকানে কাজ করেন জাহিদুল ইসলাম। তিনি শুক্রবার গভীর রাতের হামলার একজন প্রত্যক্ষদর্শীও বটে। তিনি বলেন, আপনাদের কোনো নম্বর আমার ফোনে ওঠেনি। আমাকে আগে নিশ্চিত হতে হবে আপনারা সত্যিই বিবিসি কিনা। পরে তার কাছে থাকা বিবিসির ফোন নাম্বারে তিনি ডায়াল করেন এবং একটি সাক্ষাৎকার দেন।
বিবিসিকে জাহিদুল ইসলাম বলছিলেন, তিনি ঘটনার পরদিন কাজে বেরিয়েছেন। দোকানে যদিও দিনে বারো ঘণ্টা কাজ করেন, কিন্তু শনিবার কাজ করেছেন মোটে চার ঘণ্টা। ক্রেতা একেবারেই ছিল না বললেই চলে। সব দোকানপাটেরই একই অবস্থা। বেশিরভাগ দোকানপাটই ছিল বন্ধ। রাস্তায় মানুষজন যা বেরিয়েছে, তাদের মধ্যে ফরাসী ছিল খুব কমই। পরস্পর পরস্পরের দিকে তাকাচ্ছিল প্রচ- সন্দেহ নিয়ে।
‘ক্ষোভ বা বিদ্বেষ নয়, সন্দেহ প্রবণতা কাজ করছে। কেউ কাউকে বিশ্বাস করতে পারছে না’। বলছিলেন জাহিদুল।
এমনকি ফরাসী কেতা অনুযায়ী কিছু মানুষ ফুল দিয়ে ও মোমবাতি জ্বেলে আহত-নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেও তাদের সংখ্যা ছিল খুবই কম। হাজার হাজার পুলিশ মোতায়েন থাকলেও মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা বোধ এখনো ফিরে আসেনি বলে মনে হচ্ছে।
জাহিদুল ইসলাম বলেন, এখানে বিদেশীদের বিশেষ করে যারা শ্বেতাঙ্গ নন তাদের খুবই সন্দেহের চোখে দেখা হচ্ছে এবং এটাকে অত্যন্ত স্বাভাবিক বলেই তিনি মনে করেন।
এ দেশের নিয়ম হচ্ছে রাস্তাঘাটে কেউ কারো দিকে তাকায় না। কিন্তু আজ রাস্তাঘাটে সবাই ঘুরে ঘুরে তাকাচ্ছে বিশেষ করে আমাদের মতো বিদেশিদের দিকে। পাশের লোকের দিকে খুব তাকাচ্ছে। মানুষ খুব সতর্কভাবে চলাফেরা করছে।
এ বছরের শুরুর দিকে শার্লি হেবদো পত্রিকায় হামলার ঘটনা স্মরণ করে জাহিদুল বলেন, সেটা ছিল আমার বাসার খুব কাছে, তখনও মানুষকে এমন আচরণ করতে দেখা যায়নি, আজকে যেটা দেখছি।
জাহিদুল ইসলাম আরও জানান, তিনি বাংলাদেশি কমিউনিটির অনেকের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তারা ভীত ও সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছে। অনেকেই কাজে আসেনি।
বিশেষ করে যারা অবৈধভাবে ফ্রান্সে অবস্থান করছে তারা ঘর থেকে বের হওয়াই বন্ধ করে দিয়েছে। সূত্র : বিবিসি বাংলা

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ