1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
রাজশাহীতে বাড়ির ছাদে কৃষককে ছুরিকাঘাতে হত্যা শীতকালীন সবজির চারা উৎপাদন করে কোটি টাকার বাণিজ্য নিয়ম মানলে অধিকাংশ ব্যাংক বিলুপ্ত হতো, ভালো ৪-৫ ব্যাংক থেকে অন্যদের শিখতে হবে: মাহবুব উল্লাহ মানবতাবিরোধী অপরাধে মাহবুব উল আলম হানিফের মৃত্যুদণ্ড ভুয়া ফেসবুক আইডি নিয়ে সতর্ক করলেন ঐশী আলোকস্বল্পতায় খেলা থামার আগে বাংলাদেশের হতাশার আরেক সেশন রোমেরোর মতে মেসির ১০ নম্বর জার্সির যোগ্য উত্তরসূরি আলভারেজ জাপান সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এশিয়া কাপ আর্চারি: ইরাকে বন্যা-শ্রীপর্ণা-মনির সোনা জয় পে-স্কেল নিয়ে নতুন ৮ সিদ্ধান্ত সরকারের, প্রজ্ঞাপন জারি অর্থ মন্ত্রণালয়ের

মাগুরার শিশুটির অবস্থার আরো অবনতি, দুইবার ‘কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট’

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১২ মার্চ, ২০২৫
  • ৭৬ Time View

মাগুরায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার আট বছরের শিশুটির শারীরিক অবস্থার আরো অবনতি হয়েছে। আজ বুধবার দুইবার কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়েছে। শিশুটির চিকিৎসায় যুক্ত এক চিকিৎসক এ তথ্য জানিয়েছেন। বর্তমানে শিশুটি ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) শিশু বিভাগের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে লাইফ সাপোর্টে রয়েছে।

সিএমএইচের চিকিৎসক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা শিশুটির চিকিৎসায় সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে। শিশুটির চিকিৎসায় সিএমএইচের প্রধান সার্জনকে প্রধান করে আটজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়ে বোর্ড গঠন করা হয়েছে।

ওই শিশুর চিকিৎসায় সিএমএইচের চিকিৎসকদের নিয়ে গঠিত মেডিক্যাল বোর্ডের এক সদস্য বলেন, তার অবস্থা আরো জটিল হয়েছে। আজ সকাল আটটার দিকে প্রথমবার তার হৃৎস্পন্দন বন্ধ হয়ে যায়।
চিকিৎসায় তার হৃৎস্পন্দন ফিরে আসে। পরে দ্বিতীয়বার তার হৃৎস্পন্দন বন্ধ হয়ে যায়। সেবারও চিকিৎসায় তা ফিরে আসে। তার মস্তিষ্ক প্রতিক্রিয়াহীন অবস্থায় আছে।
তার গ্লাসগো কোমা স্কেল (জিসিএস) ৩। মস্তিষ্কের আঘাতের কারণে কোনো ব্যক্তির চেতনার মাত্রা হলো জিসিএস। মানুষের স্বাভাবিক মাত্রা হলো ১৫। জিসিএস ৩ অবস্থাকে মস্তিষ্কের প্রতিক্রিয়াহীন অবস্থা বলে বিবেচনা করা হয়।

তিনি আরো বলেন, ঘটনার সময় শিশুটিকে যখন ফাঁস দিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়, তখন তার মস্তিষ্কে অক্সিজেনের ঘাটতি হয়।
পরদিন বেলা ১১টায় হাসপাতালে নেওয়ার আগপর্যন্ত এই অবস্থায় তাকে ফেলে রাখা হয়েছিল। এ কারণে দীর্ঘ সময় অক্সিজেন না পেয়ে মস্তিষ্কের বড় ক্ষতি হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে অক্সিজেন দিলে মস্তিষ্কের এত ক্ষতি হতো না।

গত ৫ মার্চ দিবাগত রাতে ধর্ষণের শিকার হয় ওই শিশুটি। এ ঘটনায় তার মা মামলা করেছেন। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের পর শিশুর বোনের শ্বশুরকে সাত দিন, স্বামী, শাশুড়ি ও ভাসুর প্রত্যেকের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন মাগুরার আদালত।

ঘটনার পর দিন ৬ মার্চ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অচেতন অবস্থায় শিশুটিকে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যান তার বোনের শাশুড়ি। পরে শিশুটির মা হাসপাতালে যান। ওই দিন দুপুরেই উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখান থেকে বৃহস্পতিবার রাতেই পাঠানো হয় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। এরপর শুক্রবার রাতে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। সংকটাপন্ন শিশুটিকে গত শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পিআইসিইউ থেকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ