এক ম্যাচে ৩৬ লাল কার্ডের আগের রেকর্ড ছিল ২০১১ সালে আর্জেন্টিনায় একটি ম্যাচে।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস
একটি ফুটবল ম্যাচে সর্বোচ্চ কতজন লাল কার্ড পেতে পারেন? সঠিক উত্তরের নাগাল পেতে কল্পনার সর্বোচ্চ সীমা ছাড়িয়ে যেতে হবে। ব্রাজিলের একটি ম্যাচে ফুটবলার, কোচিং স্টাফ, কর্মকর্তা, এমনকি বোর্ড সদস্যসহ লাল কার্ড দেখানো হয়েছে মোট ৫৩ জনকে!
বলার অপেক্ষা রাখে না, আগের রেকর্ড অনেকটা পেছনে ফেলে সবচেয়ে বেশি লাল কার্ডের রেকর্ড গড়েছে এই ম্যাচ।
ব্রাজিলের গত রোববার একটি অনূর্ধ্ব-২০ ম্যাচে লাল কার্ডের এই সুনামি বয়ে যায়।
মিনাস জেরাইস প্রদেশের একটি অনূর্ধ্ব-২০ সেমি-ফাইনালের দ্বিতীয়ার্ধে, উবেরলান্দিয়ার বিপক্ষে মামোরেয়া ৩-১ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর বড় ধরনের মারামারি শুরু হয়।
রেফারির প্রতিবেদন অনুসারে, পরবর্তী কয়েক মিনিটের মধ্যে তিনি ৪০ জন খেলোয়াড় এবং ৮ স্টাফকে মাঠ থেকে বের করে দেন। এর আগে ম্যাচের শুরুর দিকেই ৩ ফুটবলারকে লাল কার্ড দেখানো হয়েছিল।
পরে উবেরলান্দিয়ার পরিচালনা পর্ষদের দুজন সদস্যকেও বহিষ্কার করা হয়। ফলে মোট বহিষ্কৃতের সংখ্যা দাঁড়ায় ৫৩ জনে।
একটি ম্যাচে সর্বাধিক লাল কার্ডের গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড ৩৬টি। ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারিতে আর্জেন্টিনার পঞ্চম বিভাগের দল অ্যাতলেতিকো ক্লেপোল এবং ভিক্টোরিয়ানো আরেনাসের ম্যাচ এটি হয়েছিল।
রেফারির প্রতিবেদন অনুসারে, তৃতীয় গোলের পর উদযাপনের সময় মামোরেয়ার দাভি প্রতিপক্ষের বেঞ্চকে উত্যক্ত করেন এবং উবেরলান্দিয়ার গোলকিপিং কোচ পাউলো সের্হিও দিয়াস দস সান্তোস তার মুখোমুখি হতে মাঠে ছুটে যান। সেটির সূত্র ধরেই দ্রুত মারামারি ছড়িয়ে পড়ে।
রেফারি পরে অভিযোগ করেছেন যে, বিভিন্ন ব্যক্তি তাকে হত্যার এবং অন্যান্য সহিংসতার হুমকি দিয়েছে। রেফারির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই হুমকির বিষয়ে পরে একটি পুলিশ রিপোর্ট দায়ের করা হয়।
ম্যাচটি ওই সময় ৪০ মিনিটের জন্য বন্ধ ছিল এবং পরে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়।
খেলার পর এরকম অভিযোগ ওঠে যে, উবেরলান্দিয়ার কর্মকর্তারা মামোরেয়ার সরঞ্জাম নষ্ট করেছেন এবং মামোরেয়া দলের সদস্যরা স্বাগতিক দলের ড্রেসিংরুমে ভাঙচুর চালিয়েছে।
উবেরলান্দিয়া বুধবার জানায়, 'ফেয়ার প্লের নিদর্শনস্বরূপ' তারা সেমি-ফাইনালের দ্বিতীয় লেগের ম্যাচটি বর্জন করবে, কারণ দল গঠনের জন্য মামোরেয়ার যথেষ্ট উপযুক্ত ফুটবলার নেই। এই বর্জনের ফলে টুর্নামেন্টের ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে মামোরেয়া।
উবারলান্দিয়া আরও যোগ করে, "ক্লাবও চুপ করে থাকেনি, জড়িতদের বিরুদ্ধে অভ্যন্তরীণভাবে যথাযথ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, কারণ ক্রীড়াগত উন্নয়ন সর্বোপরি ব্যক্তিগত উন্নয়নেরই একটি বিষয়।”
ল্যাবে কি ঘুমিয়ে আছে পূর্ণ শিক্ষিত রোবট?
পশুপাখির প্রতি নিষ্ঠুরতা: নিজের পায়ে কুড়াল মারার দীর্ঘ ইতিহাস
তীব্র তাপপ্রবাহ: অনাগত প্রজন্মের জন্য নীরব বিপদ
হাইড্রোজেনের ভবিষ্যৎ: সম্ভাবনা বিপুল, কিন্তু অর্থনীতির পরীক্ষায় এখনো প্রস্তুত নয়