1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
হুমায়ুন-মিলিব্যান্ড সাক্ষাৎ: বাণিজ্য বাড়া ও এয়ারবাস কেনা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ দক্ষিণের মাছ হলেও এখন উত্তরের নদ-নদীতে ধরা পড়ছে ইলিশ কুড়িগ্রামে ফুলে সাজানো রিকশায় চড়িয়ে গ্রাম পুলিশকে বিদায় মেসির ‘একমাত্র’ ভোটে বিস্মিত আলজেরিয়ান তরুণ প্রাক-অর্থায়ন তহবিল: বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আইএফআইসির চুক্তি বরিশালে ৬ রুটে বাস চলাচল বন্ধ, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘বরিশল’ উপজেলা করার প্রস্তাবের প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মহাসড়ক অবরোধ মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর দাফনে বাধা: জেলায় জেলায় প্রতিবাদ ভর্তি পরীক্ষায় আবেদনের যোগ্যতা কমাল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় আমি হয়তো না-ও ফিরতে পারতাম: তানিয়া বৃষ্টি

বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি : জয়শঙ্কর

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২ আগস্ট, ২০২৫
  • ১১১ Time View
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর বলেছেন, ‘গ্রেটার বাংলাদেশ’ নামে একটি তথাকথিত মানচিত্রের প্রচারকে ঘিরে সৃষ্ট বিতর্কের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশে ঘটে চলা ঘটনাপ্রবাহ আমরা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। এই মানচিত্রে ভারতের কয়েকটি রাজ্যের অংশ বাংলাদেশে অন্তর্ভুক্ত দেখানো হয়েছে, যা ভারতের জাতীয় স্বার্থ ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

লোকসভায় ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) এক সংসদ সদস্য এই বিষয়টি উত্থাপন করলে জয়শঙ্কর বলেন, ভারতের পক্ষ থেকে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে।

বিতর্কিত মানচিত্রটি সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি প্রদর্শনীতে দেখানো হয়েছিল, যা ‘সালতানাত-ই-বাংলা’ নামের একটি সংগঠন আয়োজন করেছে বলে দাবি করা হয়।

অভিযোগ আছে, এই সংগঠনের সঙ্গে তুরস্কভিত্তিক একটি এনজিও ‘তুর্কিশ ইয়ুথ ফেডারেশন’-এর যোগসূত্র রয়েছে। 

উক্ত সংসদ সদস্যের ভাষায়, ‘এ ধরনের কার্যকলাপ গুরুতর প্রশ্ন তোলে এবং বিষয়টি শক্তভাবে প্রতিহত করা উচিত।’

জবাবে জয়শঙ্কর বলেন, ‘ভারতের উদ্বেগ বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে জানানো হয়েছে। বাংলাদেশের সরকার সরকারি ফ্যাক্ট-চেকিং প্ল্যাটফর্ম ‘বাংলা ফ্যাক্ট’-এর উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, প্রদর্শনীটি ছিল ইতিহাসভিত্তিক এবং ২০২৫ সালের ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজন করা হয়েছিল।

উক্ত মানচিত্রটি ছিল মধ্যযুগীয় বাংলার ইতিহাসভিত্তিক একটি মানচিত্র।’ 

তিনি আরো বলেন, ‘আয়োজকরা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন— তাদের কোনো বিদেশি সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা নেই। বাংলাদেশের সরকার এটাও নিশ্চিত করেছে যে, ‘সালতানাত-ই-বাংলা’ নামে কোনো স্বীকৃত সংগঠন দেশে নেই।

তবুও জয়শঙ্কর বলেন, ভারতের জাতীয় স্বার্থের বিষয়গুলোতে আমরা গভীরভাবে মনোযোগী।

বিশেষ করে বাংলাদেশকে ঘিরে এমন কোনো ইস্যু যা আমাদের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তায় প্রভাব ফেলতে পারে, সেগুলো আমরা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে যাচ্ছি।’

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ